ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য তিন দিনের পর্যটন মেলা উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. সামীমুজ্জামান, এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ারের চেয়ারম্যান ও পর্যটন বিচিত্রার সম্পাদক মহিউদ্দিন হেলালসহ অন্য অতিথিরা। আজ সোমবার রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে
ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য তিন দিনের পর্যটন মেলা উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. সামীমুজ্জামান, এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ারের চেয়ারম্যান ও পর্যটন বিচিত্রার সম্পাদক মহিউদ্দিন হেলালসহ অন্য অতিথিরা। আজ সোমবার রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে

রাজধানীতে এশিয়ান পর্যটন মেলা শুরু বৃহস্পতিবার, অংশ নিচ্ছে দেশ–বিদেশের ২০০ প্রতিষ্ঠান

দেশ ও বিদেশ ভ্রমণের নানা সুযোগ-সুবিধা ও অফার নিয়ে রাজধানী ঢাকায় শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী এশিয়ান পর্যটন মেলা (এটিএফ)। রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) ১৭ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার এ মেলা শুরু হবে, চলবে শনিবার পর্যন্ত।

আজ সোমবার রাজধানীর গুলশানের এক হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। এ সময় মেলার বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ারের চেয়ারম্যান ও পর্যটন বিচিত্রার সম্পাদক মহিউদ্দিন হেলাল। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. সামীমুজ্জামান।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, মেলায় বাংলাদেশসহ ১০টি দেশের দুই শর বেশি প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। হোটেল, রিসোর্ট, ট্যুর অপারেটর, ট্রাভেল এজেন্ট, এয়ারলাইনস ও সরকারি-বেসরকারি পর্যটন সংস্থার পাশাপাশি বেশ কয়েকটি দেশের দূতাবাস ও মিশন এতে অংশ নেবে।

প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত মেলাটি দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। দর্শনার্থীদের জন্য মেলার প্রবেশমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ টাকা। প্রবেশ কুপনের বিপরীতে র‍্যাফল ড্রতে বিজয়ী দর্শনার্থীদের জন্য থাকবে সৌজন্য এয়ার টিকিট, দেশ-বিদেশে ভ্রমণের আকর্ষণীয় প্যাকেজ ও গিফট ভাউচার।

বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. সামীমুজ্জামান সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত অংশগ্রহণে এই মেলা বাংলাদেশের পর্যটন সম্ভাবনা ও বিনিয়োগের সুযোগ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরতে সহায়ক হবে।’

মেলার চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন হেলাল বলেন, এই মেলায় হাওর, সুন্দরবন, নৌ ও অ্যাডভেঞ্চার পর্যটনের পাশাপাশি ইকো ও কমিউনিটি ট্যুরিজমকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এটি দেশি-বিদেশি পর্যটন অংশীজনদের ব্যবসায়িক সংযোগ বৃদ্ধি ও বিনিয়োগের নতুন ক্ষেত্র তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ১৭ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী মেলা উদ্বোধন করবেন। মেলার বিশেষ আকর্ষণের মধ্যে রয়েছে ‘ডেস্টিনেশন বাংলাদেশ শোকেস’, ‘ইন্টারন্যাশনাল ট্যুরিজম শোকেস’ এবং ‘বাংলাদেশ ট্যুরিজম ইনভেস্টমেন্ট শোকেস’। এ ছাড়া প্রতিদিন ব্যবসায়ীদের জন্য বিটুবি সেশন, সেমিনার, গন্তব্য পরিচিতি পর্ব ও প্যানেল আলোচনা হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ, নেপাল ও ফিলিপাইনের শিল্পীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা থাকবে।

বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ও বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের সহযোগিতায় এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে।

এবারের মেলার টাইটেল স্পনসর হিসেবে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। সংবাদ সম্মেলনে থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, মালদ্বীপ ও মালয়েশিয়ার প্রতিনিধি, এভিয়েশন অ্যান্ড ট্রাভেল জার্নালিস্টস ফোরাম অব বাংলাদেশের (এটিজেএফবি) সভাপতি তানজিম আনোয়ারসহ পর্যটন খাতের বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি ও স্পনসর প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলন সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের মহাব্যবস্থাপক মো. জিয়াউল হক হাওলাদার।