
চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধে শক্ত পদক্ষেপ নিতে সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকিন আহমেদ।
তাসকিন আহমেদ বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার পতনের আগে যে হারে চাঁদা দিতে হতো, ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট থেকে একই হারে চাঁদা দিতে হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ বেশি হারে চাঁদা দিতে হয়েছে। এমনকি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সরকারি দপ্তরে এক দিনের জন্যও দুর্নীতি কমেনি।
বর্তমান সরকারের কাছে তাসকিন আহমেদের অনুরোধ, চাঁদাবাজির পাশাপাশি সরকারি দপ্তরের দুর্নীতি শক্ত হাতে দমন করা হোক। তা না হলে সরকার এক কোটি নতুন কর্মসংস্থানের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বিদ্যমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় নবগঠিত সরকারের কাছে ঢাকা চেম্বারের প্রত্যাশাবিষয়ক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন চেম্বারের সভাপতি তাসকিন আহমেদ। আজ সোমবার রাজধানীর মতিঝিলে ডিসিসিআই মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
বক্তব্যের এক পর্যায়ে ঢাকা চেম্বার সভাপতি বলেন, অর্থনীতিতে পুনর্জাগরণ ঘটাতে হলে বেসরকারি খাত সচল করতে হবে। তার জন্য চারটি কাজ করতে হবে।
সেই কাজ চারটি হলো—প্রথমত, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি করতে হবে, যাতে চাঁদাবাজি বন্ধ হয়। দ্বিতীয়ত, সরকারি দপ্তর দুর্নীতিমুক্ত করতে হবে। সেটা হলে নিয়োগকারীরা আস্থা পাবেন। তৃতীয়ত, ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানকে ব্যবসায় ফেরার সুযোগ দিতে হবে। প্রয়োজনে তাদের মূলধন জোগান দিতে হবে। চার. ব্যাংকঋণের সুদহার যৌক্তিক পর্যায়ে নামিয়ে আনতে হবে।