
ব্যাংক, রাজস্ব খাতসহ বিভিন্ন সংস্কারের বিষয়ে বিশ্বব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) মতো বহুপক্ষীয় সংস্থার সঙ্গে সরকারের একধরনের সমঝোতা আছে। এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
আজ সোমবার সকালে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের বৈঠক হয়।
বৈঠক শেষে রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর সাংবাদিকের সঙ্গে কথা বলেন। সেখানে তিনি এ কথা বলেন। তাঁর কথোপকথনের রেকর্ড প্রথম আলো সংগ্রহ করেছে।
বৈঠক শেষে রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে বড় সংস্কারের কথা আছে। এরপর জনগণের রায়ও পাওয়া গেছে।
রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, ‘আমাদের পঞ্চবার্ষিক অর্থনৈতিক কৌশলে সংস্কারের রূপরেখা দেওয়া আছে। প্রথমে পুনরুদ্ধার, পরে পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং শেষে সমৃদ্ধির যাত্রা—এই লক্ষ্য সামনে রেখে সংস্কার পরিকল্পনা হয়েছে। অন্যদিকে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকও বাংলাদেশে কিছু সংস্কার চায়।’
রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, জনগণ চায় আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা, কর–জিডিপি অনুপাত বাড়ুক এবং শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান। আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকও তা চায়। সংস্কার ইস্যুতে রাজনৈতিক সরকারের সঙ্গে বহুপক্ষীয় সংস্থার নীতি, লক্ষ্য ও অভীষ্টের সমঝোতা আছে। তাই সংস্কারের মালিকানা রাজনৈতিক সরকার নেবে।
এসব সংস্কারের বিষয়ে আজ সকালের বৈঠকে বিশ্বব্যাংকও একমত হয়েছে বলে জানান রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। তারাও বলেছে, সংস্কার করতে হবে। অর্থনীতির পুনর্গঠন দরকার। এতে কর্মসংস্থান হবে। তিনি আরও বলেন, জ্বালানি তেলের পেছনে সরকারকে যে অতিরিক্ত খরচ করতে হচ্ছে, এর দায় নেই সরকারের। মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে। তিনি বলেন, পতিত সরকারের আমলে দারিদ্র্য বেড়েছে, দরিদ্র মানুষের সংখ্যাও বেড়েছে।