রূপায়ণ সিটি উত্তরা

প্রিমিয়াম মেগা গেটেড কমিউনিটির অনন্য উদাহরণ

একটি নির্দিষ্ট এলাকা নিয়ে, তার মধ্যে অত্যাধুনিক সুবিধাসমৃদ্ধ আবাসন—এক সময় মানুষের কাছে স্বপ্নের মতো মনে হতো। কিন্তু সময়ের বিবর্তনে স্বপ্নটি এখন বাস্তবে রূপান্তরিত। এক জায়গায়ই নাগরিক সব আধুনিক সুবিধা পাবে—মানুষের এমন স্বপ্নকে বাস্তবে পরিণত করেছে রূপায়ণ সিটি। ‘গেটেড কমিউনিটি’ হলো এমন এক প্রকল্প, যেখানে সবুজের সমারোহে সুপ্রশস্ত খোলামেলা জায়গা, শপিং মল, কর্নার শপ, কমিউনিটি ক্লাব, মসজিদ, খেলার মাঠ, স্কুল, জগিং ট্র্যাক ও গাড়ি চলাচলের পৃথক রাস্তা—সবকিছুই একই পরিসীমার মধ্যে থাকবে।

কোভিড-১৯ বৈশ্বিক মহামারি মানুষের জীবনধারায় অনেক পরিবর্তন এনেছে। পরিবর্তন এসেছে মানুষের আবাসন খাতসংশ্লিষ্ট ধারণাতেও। যেমন কোভিড-১৯–পরবর্তী সময়ে মানুষের গেটেড কমিউনিটি ধারণায় আগ্রহ বেড়েছে। যেখানে তারা ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস’ পাবেন এবং একই সঙ্গে কমিউনিটির মধ্যেই জীপনযাপনের অত্যাধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত হবে।

মানুষের মধ্যে গেটেড কমিউনিটির ধারণাকে জনপ্রিয় করতে এবং একটি সুন্দর মনোরম আবাসন–ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে রাজধানীর উত্তরায় গড়ে উঠেছে দেশের প্রথম প্রিমিয়াম মেগা গেটেড কমিউনিটি ‘রূপায়ণ সিটি উত্তরা’। নগরায়ণের ফলে ধীরে ধীরে রাজধানী ঢাকার বিস্তৃতি ঘটছে। ঢাকা যেদিকে সম্প্রসারিত হচ্ছে, ঠিক সে অংশেই প্রিমিয়াম মেগা গেটেড কমিউনিটি ‘রূপায়ণ সিটি উত্তরা’র অবস্থান।

অত্যাধুনিক নাগরিক সুযোগ–সুবিধাসম্পন্ন এ আবাসন প্রকল্পটি মানুষের আবাসন ও বিনিয়োগের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। ১৫০ বিঘা জমির ওপর গড়ে ওঠা পরিকল্পিত এই আবাসন প্রকল্পটির ৬৩ শতাংশ জায়গাই খোলামেলা রাখা হয়েছে, যেন বুকভরে নিশ্বাস নেওয়ার সুযোগ মেলে এখানকার বাসিন্দাদের! বর্তমান সময়ে রাজধানী ঢাকায় যখন প্রচুর বিশুদ্ধ আলো–বাতাস প্রাপ্তির বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে, ঠিক তখনই রূপায়ণ সিটি উত্তরা মানুষকে বিশুদ্ধ অক্সিজেন পাওয়ার বিষয়টিকে নিশ্চিত করছে; যা বর্তমান বাস্তবতায় নিঃসন্দেহে একটি ইতিবাচক উদ্যোগ। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, মেট্রোরেল ও বাস র‍্যাপিড ট্রানজিটের (বিআরটি) মতো নানা যোগাযোগব্যবস্থা থাকায় রূপায়ণ সিটি উত্তরা হয়ে উঠেছে আবাসন ও বিনিয়োগকারীদের স্বর্গরাজ্য। তাই ভবিষ্যৎ ঢাকার প্রাণকেন্দ্রের ‘এল ডোরাডো’ বলা যায় এই প্রিমিয়াম মেগা গেটেড কমিউনিটিকে।

রূপায়ণ সিটি উত্তরার সঙ্গে যেন প্রকৃতির এক নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। সবুজ বনানী, রাস্তার সারি সারি হলুদ বাতি, রাস্তার পাশে সুন্দর করে সাজানো সারি সারি বেঞ্চ (বসার স্থান), নীলাকাশ—সব মিলিয়ে জায়গাটিকে প্রথম দেখাতেই একটি সুন্দর সাজানো–গোছানো পার্কের মতো মনে হবে। এ আবাসন প্রকল্পে রয়েছে শিশুদের বাইসাইকেল চালানোর জন্য লেন এবং পথচারীদের জন্য হাঁটার জায়গা। অন্যদিকে প্রাকৃতিক সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিতকরণে ‘গেটেড কমিউনিটি’ ধারণার এ আবাসন প্রকল্পে বৃষ্টির পানি সংগ্রহ ও পুনর্ব্যবহারযোগ্য করে তুলতে প্ল্যান্টের ব্যবস্থাও রয়েছে। পাশাপাশি এ আবাসন প্রকল্পে বর্জ্য–ব্যবস্থাপনার জন্যও রয়েছে আলাদা প্ল্যান্ট।

বিনিয়োগ ও বসবাসের জন্য রূপায়ণ সিটি উত্তরাকে বেছে নেওয়ার অনেক কারণ রয়েছে। অধিক নিরাপত্তাবেষ্টিত হওয়ায় নিরাপদ জীবনযাপনের সর্বোচ্চ নিশ্চয়তা দিচ্ছে। বিশেষ করে, শিশুদের জন্য রূপায়ণ সিটি উত্তরা আদর্শ এক জায়গা। খোলামেলা জায়গা থাকায় এখানে শিশুরা খেলাধুলা করে সুঠাম দেহ নিয়ে বেড়ে ওঠাসহ তাদের মানসিক বিকাশ এবং সৃজনশীলতাও বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠরাও তাদের একাকিত্ব ঘুচিয়ে আনন্দ–উচ্ছ্বাসের মধ্য দিয়ে জীবন যাপন করার সুযোগ পাবেন।

প্রকল্পটি সম্পর্কে রূপায়ণ গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান মাহির আলী খান রাতুল বলেন, ‘মেগা গেটেড কমিউনিটি রূপায়ণ সিটি উত্তরা মানুষের উন্নত আবাসনসুবিধা নিশ্চিত করবে। পাশাপাশি বিনিয়োগকারীরা এখানে বিনিয়োগকৃত অর্থের সুফলও ভোগ করতে পারবেন। তাঁরা রূপায়ণ সিটি উত্তরায় রিটেইল, অফিস, ডে-কেয়ার সেন্টার, রেস্তোরাঁ, অ্যাপার্টমেন্ট, স্কাই ভিলা, স্টোর, শো-রুম, সিনেপ্লেক্স, ফুড-কোর্ট, সার্ভিস অ্যাপার্টমেন্ট ও বিলাসবহুল হোটেল থেকে শুরু করে বহুমুখী পোর্টফোলিওতে স্বতন্ত্র বা অংশীদারিত্বের মাধ্যমেও বিনিয়োগ করতে পারেন।’

জীবনযাপনের প্রায় সব সমস্যার সমাধান ও বিনিয়োগ অফার সঙ্গে নিয়ে রূপায়ণ সিটি উত্তরা এখন দেশের একমাত্র সর্ববৃহৎ প্রিমিয়াম মেগা গেটেড কমিউনিটি। বর্তমান আবাসন খাতের পরিস্থিতি বিবেচনায় অধিকাংশ মানুষই সামনের দিনগুলোতে গেটেড কমিউনিটি তৈরির চিন্তা করছে। সুরক্ষা ও নিরাপত্তা বিবেচনায় ওপেন কমিউনিটির চেয়ে গেটেড কমিউনিটি ধারণাটি উন্নত—এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। তাই, সার্বিক বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় বলা যায়, মেগা গেটেড কমিউনিটি ‘রূপায়ণ সিটি উত্তরা’ এক আদর্শ আবাসন প্রকল্প। বিস্তারিত জানতে ভিজিট করতে পারেন www.rupayancity.com অথবা ফোন করতে পারেন ১৬৫০৪ নম্বরে।