নিরীক্ষা কমাতে মার্কিন ক্রেতাদের প্রতি আহ্বান বিজিএমইএ সভাপতির

বিজিএমইএ
বিজিএমইএ

পোশাকমালিকদের খরচ কমাতে কারখানার একাধিক নিরীক্ষা কমানোর জন্য মার্কিন ক্রেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি ফারুক হাসান।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তৈরি পোশাকশিল্পের বাজার সম্প্রসারণে ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক গোলটেবিল বৈঠকে গত শুক্রবার এই আহ্বান জানান বিজিএমইএর সভাপতি ফারুক হাসান। এতে স্বাগত বক্তব্য দেন যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম শহীদুল ইসলাম। দূতাবাসের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

শ্রমিকের নিম্নতম মজুরির উৎপাদন খরচ বাড়ায় পোশাকের ন্যায্যমূল্য দিতে মার্কিন ক্রেতাদের অনুরোধ করেন বিজিএমইএর সভাপতি। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে শুল্ক কমানোর বিষয়টি মার্কিন সরকারের বিবেচনা করা প্রয়োজন।

দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ক্রিস্টোফার উইলসন বলেন, আমদানি শুল্ক হ্রাস বা বৃদ্ধির ইস্যুটি মার্কিন কংগ্রেসের বিশেষ ক্ষমতা। শুল্ক হ্রাসের জন্য দুই দেশের সরকারের মধ্যে আলোচনা চালিয়ে যাওয়া প্রয়োজন।

গোলটেবিল বৈঠকে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার পরিচালক জেনিফার লারসন, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ডেমোক্রেসি, হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড লেবারের পরিচালক মরিন হ্যাগার্ড, ম্যাকলার্টি অ্যাসোসিয়েটসের প্রতিনিধি টেরেসিতা শ্যাফার, বিজিএমইএর সহসভাপতি মিরান আলী ছাড়াও ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল, আমেরিকান অ্যাপারেল অ্যান্ড ফুটওয়্যার অ্যাসোসিয়েশন (এএএফএ) এবং বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ড ওয়ালমার্ট ও টার্গেটের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশি তৈরি পোশাকের একক শীর্ষ বাজার। বিদায়ী ২০২০-২১ অর্থবছরের এই বাজারে ৫৯৪ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা। করোনার প্রথম ধাক্কায় বাজারটি বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ফলে ২০১৯-২০ অর্থবছরে রপ্তানি কমে ৫১৪ কোটি ডলার হয়েছিল। যদিও তার আগের বছর রপ্তানি ছিল ৬১৩ কোটি ডলারের পোশাক। তিন বছর ধরেই বাংলাদেশের মোট পোশাক রপ্তানির ১৮-১৯ শতাংশ যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে যাচ্ছে।