বিজিএমইএর নির্বাচনে ভোট দিতে চাইলে সদস্যদের ইউডিসহ সব সেবা নিতে হবে

তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনে ভোট দিতে হলে সদস্য প্রতিষ্ঠানকে নিয়মিতভাবে সংগঠনের সব সেবা নিতে হবে। সংগঠনটি আজ বুধবার এক নোটিশে বিষয়টি জানিয়েছে।

সংগঠনের সভাপতি মাহমুদ হাসান খানের স্বাক্ষরিত নোটিশে বলা হয়, বিজিএমইএর স্বচ্ছতা, সুশাসন ও সব সদস্যের সমঅধিকার নিশ্চিত করতে গত ২৬ সেপ্টেম্বর জরুরি সাধারণ সভায় (ইজিএম) সংগঠনের সংঘবিধিতে নতুন একটি ধারা যুক্ত করা হয়েছে।

নতুন ধারা অনুযায়ী, বিজিএমইএর নতুন ভোটার তালিকায় স্থান পাওয়া এবং নির্বাচনে ভোট দেওয়ার জন্য নিয়মিতভাবে সংগঠনের সব সেবা, বিশেষ করে কাঁচামাল আমদানির প্রাপ্যতা সনদ ইউডি নেওয়া বাধ্যতামূলক। এই বিধান মূলত যেসব প্রতিষ্ঠান বিজিএমইএর পাশাপাশি নিট পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএ বা অন্য কোনো বাণিজ্য সংগঠনের সদস্যপদ রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

নোটিশে বলা হয়েছে, দ্বৈত সদস্যপদধারী প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তাকে বিজিএমইএর নির্বাচনে ভোট দিতে হলে আগামী ১ নভেম্বর থেকে সংগঠনটি থেকে ইউডিসহ সব সেবা নিতে হবে। অন্যথায় ইজিএমের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তারা বিজিএমইএর ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারবে না এবং ভোট দিতে পারবে না।

বর্তমানে বিজিএমইএর সক্রিয় সদস্য প্রায় ২ হাজার ২০০। আর বিকেএমইএর সদস্য প্রায় ৮০০। দুই সংগঠনেই সদস্যপদ রয়েছে এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা প্রায় ১৫০। এর মধ্যে প্রায় ১৩৫টি প্রতিষ্ঠান ইউডি সেবা নেয় বিকেএমইএ থেকে। বিজিএমইএর নতুন সিদ্ধান্তে এসব প্রতিষ্ঠান বিপাকে পড়তে পারে।