সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত বারভিডার নেতাদের একাংশ
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত বারভিডার নেতাদের একাংশ

পুরোনো বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানির সুযোগ চান ব্যবসায়ীরা

ব্যবহৃত বা রিকন্ডিশন্ড বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানির সুযোগ চান বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিকেলস ইমপোর্টার্স অ্যান্ড ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বারভিডা) নেতারা।

বারভিডার নেতারা বলছেন, ব্যবহৃত বা রিকন্ডিশন্ড বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানি নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত বৈষম্যমূলক। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানি করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের পুরোনো ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানির অনুমতি চান তাঁরা।

রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে আজ বুধবার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানান বারভিডার নেতারা। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বারভিডার সভাপতি আবদুল হক।

২০২৬-২০৩০ সালের জন্য প্রণীত আমদানি নীতিতে ব্যবহৃত বা রিকন্ডিশন্ড বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। গত ২৪ আগস্ট এই আমদানি নীতির প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার।

লিখিত বক্তব্যে বারভিডার সভাপতি বলেন, ‘আমরা সরকারের নীতির বিরোধিতা করছি না। এই শিল্পের জন্য আমাদের চাওয়া খুবই বাস্তবসম্মত, ভারসাম্যপূর্ণ ও ভবিষ্যৎমুখী।’

বারভিডার নেতারা বলেছেন, তাঁরা প্রাথমিকভাবে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর পুরোনো ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানির অনুমতি চান। তাঁদের সুপারিশ, ব্যাটারির ন্যূনতম কার্যক্ষমতা ৭০ শতাংশ নির্ধারণ করা হোক। এ ছাড়া আমদানির আগে অনুমোদিত সংস্থার মাধ্যমে পরিদর্শন ও প্রত্যয়ন বাধ্যতামূলক করার কথাও বলেছেন তাঁরা। সেই সঙ্গে দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানি নিষিদ্ধ করা ও ব্যাটারি পুনর্ব্যবহারের নীতিমালা প্রণয়নের সুপারিশ করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বারভিডার সাবেক সভাপতি আবদুল মান্নান চৌধুরী ও হাবিব উল্লাহ ডন, বর্তমান কমিটির মহাসচিব রিয়াজ রহমান প্রমুখ।

জ্বালানি তেল সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে সারা বিশ্বেই বৈদ্যুতিক গাড়ির চাহিদা বাড়ছে। এই পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ইভি আমদানিতে মোট করের বোঝা ৯৩ থেকে কমিয়ে ৬৪ শতাংশ করেছে।

এই বাস্তবতায় বারভিডা ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানির সুযোগ চেয়েছে।