প্রায় চার দশকের পথচলায় কেবল ভবন নয়, নগরজীবনের মান উন্নয়নে ভূমিকা রাখার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করা শেল্টেক্ সাড়ে চার হাজারের বেশি অ্যাপার্টমেন্ট ও বাণিজ্যিক স্পেস ক্রেতাদের বুঝিয়ে দিয়েছে। এর মধ্যে ৯৯ দশমিক ৩ শতাংশ প্রকল্প ‘সময়মতো’ হস্তান্তরকে প্রতিষ্ঠানটি ‘সবচেয়ে বড় অর্জন’ হিসেবে দেখছে।
১৯৮৮ সালে যাত্রা শুরুর করা প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য, প্রতিটি প্রকল্পে স্থায়ী মূল্য, দায়িত্বশীল উন্নয়ন এবং মানুষের প্রতি অঙ্গীকারের প্রতিফলন ঘটানোই তাদের চেষ্টা।
শেল্টেক্ ৩৮ বছরের এ পথচলায় এখন পর্যন্ত ৪ হাজার ৬৫০টির বেশি অ্যাপার্টমেন্ট ও বাণিজ্যিক স্পেস হস্তান্তর করেছে। পাশাপাশি সাশ্রয়ী আবাসনের উদ্যোগও রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির।
কর্মকর্তারা বলছেন, এত বছরে তাঁদের সবচেয়ে ‘বড় প্রাপ্তি’ গ্রাহক ও জনগোষ্ঠীর দীর্ঘস্থায়ী আস্থা। অঙ্গীকার ও পেশাদারত্বে ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি মান ব্যবস্থাপনায় আইএসও ৯০০১:২০১৫ সনদও অর্জন করেছে।
পরিবেশবান্ধব চর্চা ও গ্রিন ডিজাইনের নীতি অনুসরণ করে উন্নয়নকাজ করছে তারা। তাদের লক্ষ্য, এমন প্রকল্প গড়ে তোলা, যা উন্নততর শহর, শক্তিশালী কমিউনিটি ও টেকসই নগর ভবিষ্যতে ভূমিকা রাখবে। এ জন্য বড় আবাসন প্রকল্প গড়ছে প্রতিষ্ঠানটি।
ঢাকায় ধানমন্ডি, গুলশান, বনানী, বারিধারা ডিওএইচএস, বসুন্ধরা, উত্তরা, জোয়ার সাহারা, নিউ ইস্কাটন, আদাবর, মগবাজার, মালিবাগ, তেজগাঁও, কাকরাইল, মিরপুর রোড, বনশ্রী, জলসিঁড়িসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রকল্প রয়েছে। চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ ও দক্ষিণ খুলশীতে প্রকল্প রয়েছে এবং নতুন প্রকল্প সংযোজনের কাজ চলছে। প্রকল্পের অবস্থান, আয়তন, তলা, পার্কিং ও পরিশোধপদ্ধতি অনুযায়ী মূল্য পরিবর্তিত হয়।
আদাবরের বায়তুল আমান হাউজিংয়ে ৮১ কাঠার বেশি জমিতে গড়ে উঠছে ‘শেল্টেক্ উইন্ডফ্লাওয়ার’। ১৯২টি অ্যাপার্টমেন্টের এই কন্ডোমিনিয়াম প্রকল্প ২০২৮ সালের মার্চ মাসে হস্তান্তর করার কথা বলছে প্রতিষ্ঠানটি।
আবাসনের পাশাপাশি বাণিজ্যিক খাতেও নজর রয়েছে শেল্টেকের। ঢাকার বাণিজ্যিক এলাকা তেজগাঁওয়ের লাভ রোডের একটি প্লটে তৈরি হচ্ছে ১৪ তলা ‘ভিঞ্চিয়া শেল্টেক্ টাওয়ার’। বিভিন্ন আয়তনের অফিস স্পেস ও প্রযুক্তি সুবিধার সমন্বয়ে ভবনটিকে আধুনিক কর্মস্থল হিসেবে নির্মাণ করছে শেল্টেক্। ২০২৯ সালের ডিসেম্বরে হস্তান্তরের লক্ষ্য নিয়ে আগাচ্ছে প্রকল্পটি। এ ছাড়া বনশ্রী এলাকায় শেল্টেক্ লিগ্যাসি প্লাজা নামে ১৭ তলা আধুনিক শপিং কমপ্লেক্স নির্মাণ এবং জলসিঁড়ি আবাসন এলাকায় ২১টি আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ এগিয়ে চলছে প্রতিষ্ঠানটির।
প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য, ভবন নির্মাণের চেয়ে বড় বিষয় হলো আস্থা অর্জন ও দীর্ঘ সময় তা ধরে রাখা। আর সেই আস্থার ভিত্তিতেই সামনের পথ চলছে শেল্টেক্।