
রাজধানীর কর্মব্যস্ত জীবনের ক্লান্তি শেষে প্রতিটি মানুষেরই স্বপ্ন থাকে একটি নিজস্ব ও প্রশান্তিময় ঠিকানার। ইট-কাঠের শহরে কেবল চার দেয়ালে ঘেরা গৃহ নয়, প্রয়োজন এমন এক পরিবেশ—যেখানে আধুনিক নাগরিক সুবিধা, স্বাচ্ছন্দ্য ও প্রকৃতির সংমিশ্রণ ঘটবে।
আবাসনপ্রত্যাশীদের সেই স্বপ্নের কথা মাথায় রেখেই দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় আবাসন প্রতিষ্ঠান ‘দ্য প্রিমিয়াম হোমস লিমিটেড’ ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় নিয়ে এসেছে আন্তর্জাতিক মানের দুটি কন্ডোমিনিয়াম প্রজেক্ট। গ্রাহকের ভবিষ্যৎ জীবনযাপন, নিরাপত্তা ও টেকসই পরিবেশকে অগ্রাধিকার দিয়ে তৈরি এই আবাসন প্রকল্পগুলো শহুরে জীবনযাপনের এক নতুন মাত্রার উন্মোচন করছে।
বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ‘কে’ ব্লকে ৩২ কাঠা জমির ওপর গড়ে উঠছে দ্য প্রিমিয়াম হোমস লিমিটেডের অন্যতম ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্প ‘দ্য প্রিমিয়াম ক্যানভাস অব হ্যাপিনেস’। প্রকল্পটির প্রধান সুবিধা এর কৌশলগত অবস্থান। এখান থেকে ৩০০ ফিট সড়ক দিয়ে সহজে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং ১০০ ফিট সড়ক ব্যবহার করে গুলশান, বারিধারা, মার্কিন দূতাবাসসহ গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক এলাকায় যাতায়াত করা যায়। পাশাপাশি আশপাশেই রয়েছে স্বনামধন্য স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল ও শপিং মল।
দ্য প্রিমিয়াম ক্যানভাস অব হ্যাপিনেস প্রকল্পের ভবনের ভেতরে বাসিন্দাদের জন্য থাকছে বিভিন্ন সুযোগ–সুবিধা। এর মধ্যে রয়েছে—সুইমিং পুল, চিলড্রেন প্লে গ্রাউন্ড, আধুনিক জিম, ইনডোর গেমস জোন, মিটিং রুম, টার্ফ, ওয়েটিং রুম, কো-ওয়ার্কিং স্পেস, কমিউনিটি লাউঞ্জ এবং নান্দনিক ছাদবাগান। ‘লিডারশিপ ইন এনার্জি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ডিজাইন (এলইইডি) সার্টিফিকেশন’–এর লক্ষ্য সামনে রেখে ভবনটি নির্মাণে পরিবেশবান্ধব সামগ্রী ও টেকসই কৌশল ব্যবহার করা হচ্ছে। এমনকি মোট ৩২ কাঠা জমির প্রায় ৬০ শতাংশই খোলা ও সবুজ স্পেস হিসেবে রাখা হয়েছে। থাকছে রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং ও সোলার এনার্জির ব্যবস্থা। সম্পূর্ণ আবাসিক এই ভবনে সর্বোচ্চ প্রাইভেসি নিশ্চিত করে গড়ে তোলা হচ্ছে ২ হাজার ৭০৫ এবং ২ হাজার ৮১০ বর্গফুটের সুপরিসর লাক্সারিয়াস ফ্ল্যাট।
অভিজাত জীবনযাপন ও প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যকে একসঙ্গে উপভোগ করার সুযোগ নিয়ে বসুন্ধরা ‘পি’ ব্লকে ৪৩ কাঠা জমির ওপর নির্মিত হচ্ছে ‘দ্য প্রিমিয়াম সিম্ফোনি অব লাইফ’। এই কন্ডোমিনিয়ামটি একটি স্পেশাল কর্নার প্লটে অবস্থিত, যার একদিকে ৪০ ফিট এভিনিউ রোড, অন্যদিকে ২৫ ফিট প্রশস্ত রাস্তা এবং দক্ষিণ পাশে বিস্তৃত লেক। ফলে প্রতিটি ফ্ল্যাটেই মিলবে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস ও মনোরম লেকভিউ। বাসিন্দাদের দৈনন্দিন বিনোদন ও সুস্থতার জন্য এখানে রয়েছে সুইমিং পুল, জিম, কিডস জোন, প্লে জোন, ওয়াকওয়ে, সাইকেলিং ট্র্যাক, ওপেন টেরেস, রুফটপ গার্ডেনিং এবং লেকের পাড়ে ফিশিং ডেক।
৪৩ কাঠার প্রজেক্টটিতেও পরিবেশের ভারসাম্যের কথা মাথায় রেখে ৬০ শতাংশ জমি উন্মুক্ত ও সবুজ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি এলইইডি সনদের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এতেও রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং এবং সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা সংযুক্ত করা হচ্ছে। প্রজেক্টটিতে থাকছে ২৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ, সিসি ক্যামেরা নিরাপত্তা, লিফট, পার্কিং এবং ওয়েটিং রুমের মতো জরুরি সেবা। ৩০০ ফিট ও ১০০ ফিট রাস্তার কল্যাণে এটিও শহরের যেকোনো প্রান্তে পৌঁছানোর সেরা সুযোগ অফার করে।
একটি প্রিমিয়াম আবাসন শুধু স্থাপত্যের সৌন্দর্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। এর প্রকৃত মূল্য নির্ভর করে এর সঠিক অবস্থান, যোগাযোগব্যবস্থা, নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রেখে যাওয়া একটি সুস্থ পরিবেশের মধ্যে। জমিসহ একক মালিকানার এই স্থায়ী ঠিকানা কেবল একটি বাড়ি নয়, বরং এটি জীবনের একটি মূল্যবান সম্পদ। দ্য প্রিমিয়াম হোমস লিমিটেডের এই বিশ্বস্ত উদ্যোগ ঢাকার বুকে একটি সুশৃঙ্খল ও নান্দনিক জীবনযাপনের নতুন দুয়ার খুলে দিচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।