পূর্বাচল রিজেন্ট টাউন: আজকের প্লট, আগামী দিনের ঠিকানা

ঢাকার কাছাকাছি রূপগঞ্জের নলপাথরে ১৮০ ফুট এশিয়ান হাইওয়ে–সংলগ্ন প্রায় ৬৫০ একর জায়গাজুড়ে গড়ে উঠছে পরিকল্পিত টাউনশিপ প্রকল্প ‘পূর্বাচল রিজেন্ট টাউন’
ছবি: রিজেন্ট টাউনের সৌজন্যে

শহর বদলায়, সময় এগিয়ে যায়। কিন্তু পরিবারের জন্য একটি সঠিক ঠিকানা বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রভাব থেকে যায় বহু বছর। কখনো কখনো প্রজন্মের পর প্রজন্ম। আর সেই ঠিকানা যদি হয় পরিকল্পিত, সবুজ ও সম্ভাবনাময় একটি টাউনশিপ (আবাসিক এলাকা); তাহলে একটি প্লট কেনার সিদ্ধান্তই হয়ে উঠতে পারে ভবিষ্যৎ জীবনযাপনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।

ঢাকার কাছাকাছি রূপগঞ্জের নলপাথরে ১৮০ ফুট এশিয়ান হাইওয়ে সংলগ্ন প্রায় ৬৫০ একর জায়গাজুড়ে গড়ে উঠছে পরিকল্পিত টাউনশিপ প্রকল্প ‘পূর্বাচল রিজেন্ট টাউন’। এয়ারপোর্ট থেকে মাত্র ২০ মিনিটের দূরত্বে অবস্থিত এই প্রকল্প। এর পরিকল্পনায় আবাসিক প্লটের পাশাপাশি রয়েছে আধুনিক ভিলা, কন্ডোমিনিয়াম, সেন্ট্রাল বিজনেস ডিস্ট্রিক্টসহ প্রয়োজনীয় নাগরিক ও সামাজিক সুবিধা।

একটি পরিকল্পিত আবাসিক এলাকার মূল্য শুধু প্লটের আয়তন বা অবস্থানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। সেখানে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, ধর্মীয় ও বিনোদন সুবিধা, পর্যাপ্ত খোলা জায়গা এবং যোগাযোগব্যবস্থাও গুরুত্বপূর্ণ। সেই ভাবনা থেকেই পূর্বাচল রিজেন্ট টাউনের মূল পরিকল্পনায় রাখা হয়েছে স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল, মসজিদ, খেলার মাঠ, পার্ক ও লেকের মতো বিভিন্ন সুবিধাদি। সঙ্গে রয়েছে ৮০ ফুট প্রশস্ত প্রধান সড়ক এবং ২৫ থেকে ৬০ ফুট প্রশস্ত অভ্যন্তরীণ সড়ক নেটওয়ার্কের পরিকল্পনা।

এ, বি, সি ও ডি—এই চারটি ব্লকে প্রকল্প এলাকাটিকে ভাগ করা হয়েছে। এখানে ৩, ৪, ৫, ১০ ও ২০ কাঠার প্লটের ব্যবস্থা রয়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন অংশে মাটি ভরাট, সীমানা নির্ধারণ বা ডিমার্কেশনসহ অন্যান্য উন্নয়নকাজ এগিয়ে চলছে। এরই মধ্যে ‘এ’ ব্লকে প্লট হস্তান্তর প্রক্রিয়াও চলমান। এককালীন মূল্য পরিশোধকারী গ্রাহকদের প্লট হস্তান্তর, দখলনামা এবং সাফকবলা রেজিস্ট্রেশনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে।

এ, বি, সি ও ডি—এই চারটি ব্লকে পূর্বাচল রিজেন্ট টাউন প্রকল্প এলাকাটিকে ভাগ করা হয়েছে। এখানে ৩, ৪, ৫, ১০ ও ২০ কাঠার প্লটের ব্যবস্থা রয়েছে

একটি প্রকল্পে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অবস্থান, অনুমোদন, স্বচ্ছতা ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিশ্বাসযোগ্যতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পূর্বাচল রিজেন্ট টাউনের ক্ষেত্রে রাজউক ও জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের তালিকাভুক্তির পাশাপাশি রিহ্যাব ও বিএলডিএর সদস্যপদ যেকোনো আবাসন প্রকল্পে গ্রাহকের জন্য আস্থার জায়গা তৈরি করে। পূর্বাচল রিজেন্ট টাউন সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়েই নিশ্চিত করেছে সেই আস্থার পরিবেশ।

উন্নত পরিকাঠামো ও পরিকল্পিত নগরায়ণ প্রক্রিয়ার কারণে আশপাশের জমির চাহিদায় ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। ভবিষ্যতের আবাসন চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ‘পূর্বাচল রিজেন্ট টাউন’ প্লট ক্রয়ের সুযোগ দিচ্ছে। বর্তমানে পূর্বাচল রিজেন্ট টাউনে চলছে এককালীন বুকিংয়ে বিশেষ সুবিধা এবং সহজে দীর্ঘমেয়াদি কিস্তির সুযোগ।