টাকা
টাকা

ভোটের টানা ছুটিতে হঠাৎ টাকার দরকার, যেভাবে সামাল দেবেন

১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট। এ জন্য আগামীকাল বুধ ও বৃহস্পতিবার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। এরপর শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। বলা যায়, লম্বা ছুটিতে পড়তে যাচ্ছে দেশ।

লম্বা ছুটিতে ব্যাংক বন্ধ, অফিসও বন্ধ। কিন্তু জরুরি খরচ থেমে থাকে না। এমন পরিস্থিতিতে আগে থেকে জানা কিছু উপায় কাজে লাগাতে পারেন। কারণ, যেকোনো সময় টাকার প্রয়োজন হতে পারে।

টানা ছুটিতে টাকার সংকট এড়াতে মূল কথা হলো—আগাম প্রস্তুতি আর ডিজিটাল সেবার সঠিক ব্যবহার।

এবার দেখা যাক, টানা ছুটিতে টাকার প্রয়োজন হলে কী করবেন।

১. মোবাইল ব্যাংকিংয়ে ভরসা রাখুন

বিকাশ, নগদ, রকেট—এই সেবাগুলো ছুটির দিনেও সচল থাকে। প্রয়োজনে টাকা লেনদেন, বিল পরিশোধ বা আত্মীয়ের কাছ থেকে টাকা নেওয়া-দেওয়া করা যায়।

তবে মনে রাখবেন, গত রোববার দিবাগত রাত ১২টার পর থেকে ভোটের দিন রাত ১২টা পর্যন্ত বিকাশ, রকেট, নগদসহ বিভিন্ন মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) সীমিত করা হয়েছে। একসঙ্গে এক হাজার টাকার বেশি পাঠানো যাবে না। দিনে ১০ হাজার টাকা পাঠাতে পারবেন। তবে পেমেন্ট সেবা চালু আছে। এতে কেনাকাটা করা যাবে।

২. এটিএম ব্যবহারের পরিকল্পনা করুন

ছুটির আগে কাছাকাছি একাধিক এটিএমের অবস্থান জেনে রাখুন। সরকারি ছুটিতেও এটিএম সেবা চালু থাকে। মনে রাখবেন, টানা ছুটিতে এটিএম বুথগুলোতে পর্যাপ্ত টাকা থাকে না। অতীতের ছুটিতে এমন অভিজ্ঞতা অনেকের হয়েছে। তাই একটি এটিএম বুথে টাকা না পেলে অন্য এটিএম বুথেও খোঁজ নেবেন।

৩. ক্রেডিট কার্ডের সুবিধা বুঝে নিন

অত্যন্ত জরুরি হলে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করা যায়। তবে বিল পরিশোধের সময়সীমা ও সুদের হার আগে জেনে নেওয়া জরুরি। ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে যেকোনো সেবা ও পণ্য কেনার বিল পরিশোধ করতে পারেন।

৪. ডিজিটাল বিল ও কেনাকাটায় অগ্রাধিকার দিন

বিদ্যুৎ, গ্যাস, ইন্টারনেটসহ অনেক বিল এখন অনলাইনে দেওয়া যায়। এতে নগদ টাকার চাপ কমে।

৫. আগে থেকেই জরুরি তহবিল গড়ে তুলুন

লম্বা ছুটিতে টাকার প্রয়োজন মেটাতে আগে থেকেই জরুরি তহবিল গড়ে তুলুন। বাসায় বাড়তি নগদ টাকা রাখতে পারেন। এতে টেনশনমুক্ত থাকা যায়। অবশ্য অনেকে এই লম্বা ছুটিতে বাসায় বাড়তি টাকা রেখে দেন, যা বিপদ–আপদে কাজে লাগে।

৬. অপ্রয়োজনীয় খরচ এড়িয়ে চলুন

ছুটিতে বেড়ানো বা কেনাকাটার আগে বাজেট ঠিক করুন। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ও বিবিএসের তথ্য বলছে, উৎসব ও ছুটিতে পারিবারিক খরচ স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বাড়ে।