
বহুতল বাণিজ্যিক ও রিটেইল ভবন ‘অ্যাভিনিউ ২৭’-এর সাফল্যের পথ ধরে ঢাকার ধানমন্ডিতে নতুন আরেকটি বাণিজ্যিক ঠিকানা নিয়ে আসছে র্যাংগস প্রপার্টিজ লিমিটেড। ধানমন্ডির ২ নম্বর সড়কে ২০ কাঠা জমিতে নির্মিত হচ্ছে তিনতলা বেজমেন্টসহ ১২ তলাবিশিষ্ট ভবন ‘এ কে স্কয়ার’। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের জন্য দৃষ্টিনন্দন পরিবেশ এবং দীর্ঘমেয়াদি নির্ভরযোগ্য বাণিজ্যিক বিনিয়োগ—এই দুটি মূল ভাবনার সমন্বয়ে গড়ে উঠছে ‘র্যানকন এ কে স্কয়ার’।
ব্যবসার বহুমুখী প্রয়োজনের কথা বিবেচনায় রেখে এ কে স্কয়ারে রাখা হচ্ছে বিভিন্ন আয়তনের জায়গা। এতে রয়েছে অফিস স্পেস, বিজনেস স্যুট, রিটেইল গ্যালারি, ব্র্যান্ড শোরুম এবং প্রিমিয়াম ডাইনিং ব্যবস্থা। এখানে প্রতিটি ইউনিটের আয়তন প্রায় ১ হাজার ৬৪৫ থেকে ৮ হাজার ৬৮৪ বর্গফুট পর্যন্ত। ভবনে চলাচলের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে থাকছে এস্কেলেটর এবং উচ্চগতির আধুনিক লিফট। ভবনের সর্বোচ্চ তলায় থাকছে ডাইনিং টেরেস, যেখান থেকে পুরো ধানমন্ডির মনোরম দৃশ্য উপভোগ করা যাবে। ফলে দৈনন্দিন দাপ্তরিক কাজ থেকে শুরু করে সন্ধ্যার নৈশভোজ বা আপ্যায়ন—সবই সম্ভব এক ঠিকানায়। এ ছাড়া ধানমন্ডির মতো ব্যস্ত এলাকায় এক শতাধিক যানবাহন পার্কিংয়ের সুবিধা রয়েছে, যা বাণিজ্যিক ভবনের ক্ষেত্রে একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য।
ভবনটির স্থাপত্য নকশা করেছে ইনস্পেস আর্কিটেক্টস লিমিটেড। কাচঘেরা সুদৃশ্য সম্মুখভাগ, ছাদে সবুজায়ন এবং ডাইনিং এলাকার চমৎকার ভার্টিক্যাল গ্রিন দেয়াল ভবনটিকে দিয়েছে এক দৃষ্টিনন্দন রূপ। নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় এখানে কোনো আপস করা হয়নি। বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোডের (বিএনবিসি) মানদণ্ড অনুযায়ী আধুনিক অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা, প্রতিটি ফ্লোরে স্মোক ও হিট ডিটেক্টর, ফায়ার অ্যালার্ম এবং স্বয়ংক্রিয় স্প্রিংকলার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে রয়েছে পৃথক ফায়ার এক্সিট, পূর্ণমাত্রার ব্যাকআপ জেনারেটর এবং কেন্দ্রীয় ভিআরএফ শীতাতপনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, যা দৈনন্দিন ব্যবসায়িক পরিবেশকে করবে নিরাপদ ও আরামদায়ক।
ধানমন্ডিতে সফল বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে র্যাংগস প্রপার্টিজের। ২৭ নম্বর সড়কে (নতুন ১৬), মাইডাস টাওয়ারের পাশে নির্মিত ‘অ্যাভিনিউ ২৭’ বর্তমানে ধানমন্ডির একটি অত্যন্ত সফল বাণিজ্যিক বিনিয়োগের দৃষ্টান্ত। ভবনটিতে দিনভর ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের সমাগম থাকে। এখানে যেমন রয়েছে দাপ্তরিক কর্মব্যস্ততা, তেমনি রয়েছে সকালে কফির আমেজ, দুপুরে লাঞ্চ মিটিং, বিকেলে ফ্যাশন শোরুমে কেনাকাটা এবং সন্ধ্যায় ১৩ তলার ফুড লফটে আড্ডার সুযোগ।
অফিস, ক্যাফে, রেস্তোরাঁ এবং শীর্ষস্থানীয় ফ্যাশন ব্র্যান্ড একই ছাদের নিচে থাকায় ভবনটি দিনভর প্রাণবন্ত থাকে। কর্মী, ক্লায়েন্ট এবং কেনাকাটা বা আড্ডায় আসা সর্বস্তরের মানুষের এই পদচারণই একটি বাণিজ্যিক ভবনের মূল প্রাণশক্তি। আধুনিক অফিসের সঙ্গে রিটেইল ও ডাইনিং সুবিধার এই সফল সমন্বয়কেই এবার ‘এ কে স্কয়ার’ প্রকল্পে আরও বৃহৎ পরিসরে ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে। তবে কোনো ভবনের মূল সাফল্য কেবল হস্তান্তরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং হস্তান্তরের পর থেকেই শুরু হয় এর প্রকৃত পরিচালনা। ‘অ্যাভিনিউ ২৭’-এর সার্বিক রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে রয়েছে র্যানকন প্রপার্টিজ ম্যানেজমেন্ট।
প্রফেশনাল ও বিশ্বমানের এই রুটিন রক্ষণাবেক্ষণের কারণেই র্যাংগস প্রপার্টিজের প্রকল্পগুলোর মূল্যায়িত বাজারমূল্য অটুট থাকে, যা বিনিয়োগকারীদের পূর্ণ সুফল নিশ্চিত করে। নতুন ‘এ কে স্কয়ার’ প্রকল্পের বিনিয়োগকারীদের জন্যও এটি এক বড় প্রতিশ্রুতি ও সুনিশ্চিত আশ্বাস। বিস্তারিত জানা যাবে প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইট থেকে, যোগাযোগ করা যাবে ১৬৬৭৭ নম্বরে।