
জুনিয়র কনসালট্যান্ট (অ্যানেসথেশিওলজি) পদে নিয়োগপ্রাপ্ত ৪০৯ চিকিৎসকের তালিকা প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়। গত রোববার (৫ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এসব কথা জানানো হয়।
নিয়োগপ্রাপ্তদের ১২ সেপ্টেম্বর রোববার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে যোগদানের জন্য উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত তারিখে চাকরিতে যোগদান না করলে তিনি চাকরিতে যোগদান করতে সম্মত নন বলে ধরে নেওয়া হবে এবং নিয়োগপত্র বাতিল হিসেবে গণ্য হবে বলে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষা ২০২১–এর ফলাফলের ভিত্তিতে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সুপারিশক্রমে এ প্রজ্ঞাপনের ৩ নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত ৪০৯ জন প্রার্থীকে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের জুনিয়র কনসালট্যান্ট (অ্যানেসথেশিওলজি) পদে জাতীয় বেতন স্কেল–২০১৫ অনুসারে ৩৫,৫০০-৬৭,০১০/- বেতনক্রমে নিম্নবর্ণিত শর্তে রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে সাময়িকভাবে নিয়োগ প্রদান করা হলো। ১.
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস নিয়োগ বিধিমালা অনুযায়ী নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক না হলে অথবা বাংলাদেশের স্থায়ী বাসিন্দা না হলে অথবা বাংলাদেশে ডমিসাইলড না হলে তাঁর এ সাময়িক নিয়োগ বাতিল হবে। ২.
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস নিয়োগ বিধিমালা অনুযায়ী যদি তিনি বাংলাদেশের নাগরিক নন, এমন কোনো ব্যক্তিকে বিবাহ করে থাকেন বা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বা অঙ্গীকারবদ্ধ হয়ে থাকেন, তাহলে তাঁর এ সাময়িক নিয়োগ বাতিল হবে। ৩.
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস নিয়োগ বিধিমালা অনুযায়ী পরবর্তী সময়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষায় তিনি অনুপযুক্ত হলে অথবা স্বাস্থ্য পরীক্ষায় অনুপস্থিত থাকলে তাঁর এ সাময়িক নিয়োগ বাতিল হবে। তবে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের আওতাধীন বিসিএস স্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্য সার্ভিস এবং পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের আওতাধীন কর্মরত প্রার্থীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রয়োজন নেই। ৪.
বিএমডিসি কর্তৃক সনদ যাচাই-বাছাইঅন্তে অসত্য বা জাল প্রমাণিত হলে তাঁর নিয়োগ বাতিল হবে এবং তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ‘অনুচ্ছেদ ১–এ উল্লিখিত শর্তাবলি তাঁর নিকট গ্রহণযোগ বিবেচিত হলে ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১ রোববার পূর্বাহ্ণে ঢাকার নবাব আবদুল গনি রোডে অবস্থিত ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে যোগদানের জন্য উপস্থিত থাকার অনুরোধ করা হলো। নির্ধারিত তারিখে চাকরিতে যোগদান না করলে তিনি চাকরিতে যোগদান করতে সম্মত নন বলে ধরে নেওয়া হবে এবং নিয়োগপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে।