প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর করার দাবিতে মানববন্ধন

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছরে উন্নীতকরণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার সকাল ১০টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ‘চাকরিপ্রত্যাশী প্রতিবন্ধী গ্র্যাজুয়েট পরিষদ’–এর ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, পূর্বে সাধারণ প্রার্থীদের জন্য সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩০ বছর এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য ৩২ বছর ছিল। এখন সাধারণদের জন্য ৩২ বছর নির্ধারণ করা হলে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য কমপক্ষে ৩৫ বছর বয়সসীমা নির্ধারণ করা ন্যায়সংগত ও সময়োপযোগী দাবি।

চাকরিপ্রত্যাশী প্রতিবন্ধী গ্র্যাজুয়েট পরিষদের আহ্বায়ক মো. আলী হোসেন বলেন, একজন প্রতিবন্ধী শিশুর জন্মের পর পরিবারকে চিকিৎসা, পুনর্বাসন, চলাচল, শিক্ষা ও সামাজিক প্রতিবন্ধকতার বিরুদ্ধে দীর্ঘ সংগ্রাম করতে হয়। ফলে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের শিক্ষাজীবন সম্পন্ন করতে স্বাভাবিকভাবে অন্যদের তুলনায় বেশি সময় লাগে। কিন্তু পড়াশোনা শেষ করে যখন দেখা যায়, চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা শেষ হয়ে গেছে, তখন তাঁরা চরম হতাশায় নিমজ্জিত হন।

সংগঠনের সদস্যসচিব আলিফ হোসেন বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন–২০১৩-তেও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে প্রতিবন্ধী নাগরিকেরা এখনো বৈষম্য ও বঞ্চনার শিকার। তিনি বলেন, ‘আমরা দীর্ঘ আট বছর ধরে কর্মসংস্থানের দাবিতে আন্দোলন করছি, কিন্তু এখনো কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি নেই।’

এ ছাড়া শিক্ষিত প্রতিবন্ধী গ্র্যাজুয়েটদের জন্য টেকসই কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা এবং সরকারি ও বেসরকারি খাতে প্রতিবন্ধীবান্ধব নিয়োগনীতি প্রণয়নের দাবি জানান বক্তারা।