
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মূল ফটকের সামনে অবস্থান নিয়ে দ্রুত নিয়োগের দাবিতে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকেরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন। সুনির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা না করলে তাঁরা অবস্থান ত্যাগ করবেন না জানিয়েছেন। এ সময় আন্দোলনকারীরা ‘দাবি মোদের একটাই, নিয়োগপত্র হাতে চাই’, ‘আজকের মধ্যে প্রজ্ঞাপন, দিতে হবে দিতে হবে’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।
এর আগে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ–২০২৫–এ চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীরা দ্রুত নিয়োগের দাবিতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে স্মারকলিপি প্রদান করেন। অধিদপ্তরের মহাপরিচালক স্মারকলিপি গ্রহণ করেছেন। সোমবার বেলা ১১টায় আন্দোলনকারী সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের ৯ সদস্যের প্রতিনিধিদল স্মারকলিপি প্রদান করে। স্মারকলিপি প্রদান শেষে সংবাদ সম্মেলনে প্রতিনিধিরা জানান, মহাপরিচালক বলেছেন, স্মারকলিপি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হবে। দ্রুত নিয়োগের ব্যাপারে সরকার ইতিবাচক বলে জানিয়েছেন তিনি।
এ দিকে অবস্থান কর্মসূচি স্থলের চারপাশে পুলিশের ব্যাপক উপস্থিতি রয়েছে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মূল ফটকের সামনে অবস্থান নিয়েছেন দুই শতাধিক সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষক। প্রজ্ঞাপন বা নিয়োগের সুনির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা না করলে তাঁরা অবস্থান ত্যাগ করবেন না বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।
গত ৯ জানুয়ারি পার্বত্য তিন জেলা ছাড়া দেশের ৬১ জেলায় একযোগে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়। গত ৮ ফেব্রুয়ারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। এতে ১৪ হাজার ৩৮৪ প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয়। তাতে জেলাভিত্তিক উত্তীর্ণ প্রার্থীদের তালিকাও প্রকাশ করে অধিদপ্তর। ফল প্রকাশের আড়াই মাস পেরিয়ে গেলেও চাকরিতে যোগ দেওয়া হয়নি প্রার্থীদের। দীর্ঘদিন নিয়োগপ্রক্রিয়া ঝুলে থাকায় ১৪ হাজার সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থী ও তাঁদের পরিবার বর্তমানে চরম অনিশ্চয়তা ও মানসিক উদ্বেগের মধ্যে দিনাতিপাত করছে।