শুধু ছুটির মৌসুমেই নয়, সাধারণ কর্মজীবনেও চাপ এখন সমানভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে শিফট ওয়ার্ক এতটা চাপের সৃষ্টি করে যে এটিকে ‘শিফট সুলকিং বা শিফটভিত্তিক কাজের কারণে হওয়া অবসাদ’ পর্যন্ত বলা হয়েছে।
সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৪১ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ মনে করছেন যে এই বছর ছুটির সময় তাদের চাপ গত বছরের তুলনায় আরও বাড়বে, যা ২০২৪ সালের তুলনায় ২৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, কর্মজীবীদের ৯০ শতাংশ কাজের চাপ অনুভব করছেন, ৫০ শতাংশ বলেন অতিরিক্ত কাজ তাদের উৎপাদনশীলতা কমাচ্ছে, এবং ৭৭ শতাংশ দাবি করেছেন যে চাপ তাদের শারীরিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলছে।
চাপের এই বৃদ্ধিকে সামনে রেখে ২০২৬ সালের দিকে সবচেয়ে চাপপূর্ণ ক্যারিয়ারগুলো জানা গুরুত্বপূর্ণ।
চাপ (স্ট্রেস) এবং এনার্জি ম্যানেজমেন্ট অ্যাপ ওয়েলটরি ২০২৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে চাপপূর্ণ শিল্পগুলো চিহ্নিত করার জন্য একটি বিশেষ বিশ্লেষণ করেছে। তারা সাতটি মূল ফ্যাক্টরের মাধ্যমে বিভিন্ন শিল্পের চাপের মাত্রা পরিমাপ করেছে—
সাপ্তাহিক কাজের সময়—বেশি সময় মানে উচ্চ চাপ।
চাকরির শূন্যপদের হার—খালি চাকরির বেশি হার মানে বিদ্যমান কর্মীদের ওপর চাপ।
কর্মস্থলের আঘাত ও অসুস্থতার হার—বেশি হার মানে শারীরিকভাবে কঠোর বা বিপজ্জনক কাজ।
সাপ্তাহিক আয়—কম আয় আর্থিক চাপ বৃদ্ধি করে।
ছাঁটাই ও বরখাস্তের হার—বেশি হার মানে চাকরির নিরাপত্তাহীনতা।
কর্মী ত্যাগের হার—বেশি হার মানে অসন্তুষ্টি ও বার্নআউট।
কর্মী ছাটাই হার—মানসিক ক্লান্তি ও অনুপ্রেরণাহীনতার সরাসরি সূচক।
গবেষকরা প্রতিটি ফ্যাক্টরকে মান–ম্যাক্স নরমালাইজেশন ফর্মুলার মাধ্যমে স্বাভাবিকীকরণ করে ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত স্কেলে র্যাঙ্ক করেছে।
১. বিনোদন ও আতিথেয়তা খাত—৬৬
২. পেশাদার ও ব্যবসায়িক সেবা—৫৬
৩. পরিবহন ও গোডাউন ব্যবস্থাপনা—৫৩
৪. খনি ও লগিং—৫০
৫. বেসরকারি শিক্ষা
৬. বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা—৪৬
৭. তথ্যপ্রযুক্তি—৪৩
৮. নির্মাণ—৪৩
৯. খুচরা বাণিজ্য—৪২
১০. ইউটিলিটি সেবা—৪২