গুচ্ছভুক্ত (জিএসটি) ২০টি সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের চূড়ান্ত ভর্তির তারিখ ঘোষণা করেছে ভর্তি পরীক্ষার কোর কমিটি। ‘ওয়ান স্টেপ’ পদ্ধতিতে চূড়ান্ত ভর্তি নেওয়া হবে। আগামীকাল বুধবার (৮ জুলাই) চূড়ান্ত ভর্তি শুরু হবে। ‘ওয়ান স্টেপ’ পদ্ধতিতে ভর্তি কার্যক্রম ১৩ জুলাই (শুক্রবার ব্যাতীত) পর্যন্ত চলবে।
গতকাল সোমবার (৬ জুলাই) বেলা ১১টায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত বিশেষ এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
চূড়ান্ত ভর্তির কাজ সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত সভায় সহ–উপাচার্য অধ্যাপক এম এয়াকুব আলী, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো. মনজুরুল হক ছাড়াও ডিন, সভাপতি, প্রভোস্ট, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, ছাত্র উপদেষ্টা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
ভর্তি পরীক্ষা কমিটির একাধিক সদস্যের বরাতে জানা গেছে, যাঁরা প্রাথমিক ভর্তি হয়েছেন এবং অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে চূড়ান্ত ভর্তি হবেন, তাঁদের কাগজপত্র (ডকুমেন্টস) উত্তোলন করে নতুন করে চূড়ান্ত ভর্তির সময় জমা দিতে হবে। ১৫ জুলাই প্রথম ওরিয়েন্টেশন ক্লাস হবে। নিজ নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত ফি–সংবলিত নোটিশ প্রদানপূর্বক চূড়ান্ত ভর্তি গ্রহণ করবেন।
শিক্ষার্থীকে অবশ্যই ভর্তি পরীক্ষার সময় হল পরিদর্শক কর্তৃক স্বাক্ষর করা মূল প্রবেশপত্রসহ সশরীর উপস্থিত হতে হবে।
প্রাথমিক ভর্তি নিশ্চায়নের সময় মূল নম্বরপত্রগুলো (এসএসসি/সমমান ও এইচএসসি/সমমান) যে বিশ্ববিদ্যালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে, ওই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উত্তোলন করে সব শিক্ষাগত যোগ্যতার মূল সনদ, মূল নম্বরপত্র ও সর্বশেষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে পাওয়া মূল প্রশংসাপত্র জমা দিতে হবে।
শিক্ষাগত যোগ্যতার কাগজপত্রের ১ (এক) সেট ফটোকপি জমা দিতে হবে।
মুক্তিযোদ্ধা কোটার ক্ষেত্রে মূল সনদ এবং উপজাতি কোটার ক্ষেত্রে প্রার্থীদের নিজ নিজ সার্কেল চিফ/জেলা প্রশাসক থেকে পাওয়া সনদের ফটোকপি জমা দিতে হবে।
প্রথমবারের মতো গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ওয়ান স্টেপ পদ্ধতিতে ভর্তিপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশনা দিয়েছেন কোর কমিটির আহ্বায়ক ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ কে এম মতিনুর রহমান। শিক্ষার্থীরা এক জায়গায় কাগজপত্র জমা দেবেন, যেখানে সংশ্লিষ্ট ডিন, প্রভোস্ট, বিভাগের সভাপতির সমন্বয়ে একসঙ্গে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন। নির্ধারিত ফি একসঙ্গে জমা দেবেন। মূলত শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি এড়াতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।