
যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা স্টেট ইউনিভার্সিটিতে সারা বিশ্বের প্রায় ৩০টি দেশের প্রতিনিধিদের সামনে বাংলাদেশের দেশীয় সংস্কৃতি তুলে ধরেছেন বিশ্ববিদ্যালয়টিতে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় গতকাল শনিবার বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীরা ‘হোম কামিং’ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে। বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা দেশের বিভিন্ন স্থাপনা ও দেশীয় সংস্কৃতির নানা দিক তুলে ধরেন সেখানে। জাতীয় স্মৃতিসৌধের ইতিহাস তুলে ধরার পাশাপাশি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন রক্ষার গুরুত্ব পৃথিবীর সামনে তুলে ধরেন শিক্ষার্থীরা।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, জাপান, শ্রীলংকা, চীন, কিরগিজস্তান, উজবেকিস্তান, আইভরি কোস্ট, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ঘানাসহ ৩০টি দেশের শিক্ষার্থীরা এখানে অংশগ্রহণ করেন।
মিনেসোটা স্টেট ইউনিভার্সিটির বাংলাদেশি স্টুডেন্ট অর্গানাইজেশনের সাবেক সভাপতি মো. মেহেদী হাসান প্রথম আলোকে বলেন, প্রতিবছর আমরা এই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বিভিন্ন দিক তুলে ধরি বিশ্বের সামনে। এ বছর আমরা সুন্দরবন রক্ষার দাবি জানিয়েছি বিশ্বের সামনে। এ ছাড়া স্বাধীনতা, স্মৃতিসৌধ ও আমাদের সংস্কৃতির নানা দিক তুলে ধরেছি।
অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা বলেন, মিনেসোটার ম্যানকাটোতে আমরা শতাধিক বাংলাদেশি রয়েছি। প্রতিবছর এই অনুষ্ঠানের জন্য আমরা উন্মুখ হয়ে থাকি। এটি আমাদের বাংলাদেশি কমিউনিটির বিকাশ এবং মিনেসোটায় সংস্কৃতির বৈচিত্র্যের অংশ হিসেবে আমাদের অবদান রাখার সুযোগ করে দেয়। আমাদের কাছে এটি আত্মবিশ্বাস ও সহমর্মিতার প্রতীক। এটি শুধু বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য নয়; বরং সব আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য সমান গুরুত্বপূণ; কারণ এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের মাধ্যমে আমরা আমাদের শিকড় খুঁজে পাই।