জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৬। (বিজ্ঞান অধ্যায় ৫): নিয়ন একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস

বিজ্ঞান: সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন

অধ্যায়–৫

প্রশ্ন: উদ্ভিদের কাণ্ড আলোর উৎসের দিকে

বাঁকা হয় কেন?

উত্তর: উদ্ভিদ অনুভূতি ক্ষমতাসম্পন্ন জীব। অভ্যন্তরীণ বা বহিঃউদ্দীপকের উদ্দীপনার প্রভাবে এদের চলন ও বৃদ্ধি সংঘটিত হয়, যা ট্রপিক চলন নামে পরিচিত। আলো একটি বহিঃউদ্দীপক, যা থেকে সৃষ্ট উদ্দীপনার কারণে উদ্ভিদের কাণ্ড এর উৎসের দিকে বেঁকে যায়।

প্রশ্ন: ফল অকালে ঝরে পড়ে কেন?

উত্তর: ইথিলিন একটি গ্যাসীয় পদার্থ। এটি ফল পাকতে সাহায্য করে। ইথিলিন বীজ ও মুকুলের সুপ্তাবস্থা ভঙ্গ করে ফুল ও ফল সৃষ্টির সূচনা করে। ইথিলিন পাতা, ফুল ও ফলের ঝরে পড়া ত্বরান্বিত করে। ইথিলিনের কারণেই ফল অকালে ঝরে পড়ে।

প্রশ্ন: মেডুলা বলতে কী বোঝায়?

উত্তর: মস্তিষ্কের নিচের অংশ, যা পনসের নিম্ন ভাগ থেকে মেরুরজ্জুর উপরিভাগ পর্যন্ত বিস্তৃত, তাকে মেডুলা বলে। অর্থাৎ এটা মস্তিষ্ককে মেরুরজ্জুর সঙ্গে সংযোজিত করে। এ জন্য সুষুম্না শীর্ষককে মস্তিষ্কের বোঁটা বলা হয়। মস্তিষ্কের এ অংশ হৃৎস্পন্দন, খাদ্য গ্রহণ, শ্বসন ইত্যাদি কাজ

নিয়ন্ত্রণ করে।

প্রশ্ন: ডেনড্রন বলতে কী বোঝায়?

উত্তর: কোষদেহের চারদিক থেকে উত্পন্ন শাখা–প্রশাখাগুলোকে ডেনড্রন বলে। এগুলো বেশি লম্বা হয় না। ডেনড্রন থেকে সৃষ্ট শাখা–প্রশাখাগুলোকে ডেনড্রাইট বলে। এদের দ্বারা স্নায়ুতাড়না নিউরনের দেহের দিকে পরিবাহিত হয়।

প্রশ্ন: রেচন বলতে কী বোঝায়?

উত্তর: রেচন বলতে দেহের বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশনব্যবস্থাকে বোঝায়। বিপাকের ফলে পানি, কার্বন ডাই–অক্সাইড, ইউরিয়া প্রভৃতি দূষিত পদার্থ দেহে প্রস্তুত ফুসফুস, চর্ম ও বৃক্ক—এই তিন অঙ্গের মাধ্যমে ক্ষতিকর ও অপ্রয়োজনীয় পদার্থ রেচন প্রক্রিয়ায় দেহের বাইরে পরিত্যক্ত হয়।

অধ্যায়–৬

প্রশ্ন: নিয়ন একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস কেন?

উত্তর: নিয়ন গ্যাসের পারমাণবিক সংখ্যা ১০। এর ইলেকট্রন বিন্যাস ২, ৮। পরমাণুটির সর্বশেষ শক্তিস্তরে আটটি ইলেকট্রন দ্বারা পূর্ণ থাকায় এটি কোনো ইলেকট্রন গ্রহণ বা বর্জন করতে পারে না। অর্থাৎ এটি স্থিতিশীল অবস্থায় থাকে। এ জন্যই নিয়ন একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস।

প্রশ্ন: চিকিত্সা ক্ষেত্রে কেন আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়?

উত্তর: বিভিন্ন রোগনির্ণয়ে ও নিরাময়ে আইসোটোপের ব্যবহার করা হয়। কোনো ক্ষুদ্র রক্তনালি ক্ষতিগ্রস্ত হলে রক্তের মাধ্যমে আইসোটোপ পাঠিয়ে তা শনাক্ত করা যায়। একইভাবে ক্যানসার আক্রান্ত রোগীর কোন কোষ ক্যানসারে আক্রান্ত, তা আইসোটোপ দিয়ে নির্ণয় করা যায়। আবার ক্যানসার আক্রান্ত কোষ ধ্বংস করা যায় আইসোটোপের তেজষ্ক্রিয় বিকিরণ ব্যবহার করে। এ ছাড়া তেজষ্ক্রিয় রশ্মি ব্যবহার করে ডাক্তারি যন্ত্রপাতি জীবাণুমুক্ত করা হয়। এসব কারণেই চিকিত্সা ক্ষেত্রে আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।

  • মোহাম্মদ আক্তার উজ জামান, প্রভাষক
    সরকারি রূপনগর মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা