জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৬। বিজ্ঞান: অধ্যায় ৬— হাইড্রোজেনের আছে ৩টি আইসোটোপ

বিজ্ঞান: সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন

∎ অধ্যায়–৬

প্রিয় জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থী, আজ বিজ্ঞান বিষয়ের ৬ নম্বর অধ্যায়ের ওপর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর দেওয়া হলো।

 

প্রশ্ন: Na ও Na+ এর মধ্যে পার্থক্য কী?

উত্তর: Na ও Na+ এর মধ্যে পার্থক্য:

Na

Na+

১. Na হলো সোডিয়ামের একটি পরমাণু।

১. Na+  হলো একটি ক্যাটায়ন।

২. Na দ্বারা বোঝায় সোডিয়াম পরমাণুতে ১১টি ইলেকট্রন আছে।

২. Na+  দ্বারা বোঝায় সোডিয়াম পরমাণুতে ১০টি ইলেকট্রন আছে।

প্রশ্ন: আইসোটোপ বলতে কী বোঝায়?

উত্তর: কোনো মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা বা প্রোটন সংখ্যা সমান, কিন্তু ভরসংখ্যা ভিন্ন, তাদের ওই মৌলের আইসোটোপ বলে। হাইড্রোজেনের তিনটি আইসোটোপ আছে। এরা হলো:

১. প্রোটিয়াম ২. ডিউটেরিয়াম ৩. ট্রিটিয়াম।

প্রশ্ন: O ও O2- এর মধ্যে দুটি পার্থক্য লেখো।

উত্তর: O ও O2- এর মধ্যে পার্থক্য:

O

O2-

১. O হলো অক্সিজেনের একটি পরমাণু।

১. O2-  হলো একটি অ্যানায়ন।

২. O এর ইলেকট্রন বিন্যাস ২, ৬।

২. O2- এর ইলেকট্রন বিন্যাস ২, ৮।

প্রশ্ন: কার্বনের আইসোটোপ তিনটি কেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: কোনো মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা বা প্রোটন সংখ্যা সমান, কিন্তু ভরসংখ্যা ভিন্ন, তাদের ওই মৌলের আইসোটোপ বলে। অধিকাংশ কার্বন পরমাণুতে ছয়টি প্রোটন ও ছয়টি নিউট্রন বিদ্যমান। কিন্তু কিছু পরমাণুতে সাতটি বা আটটি পরমাণু বিদ্যমান। অর্থাৎ প্রকৃতিতে ১২, ১৩ ও ১৪ ভরসংখ্যাবিশিষ্ট তিন ধরনের কার্বন পরমাণু বিদ্যমান। তাই কার্বনের তিনটি আইসোটোপ রয়েছে।

প্রশ্ন: ডিউটেরিয়ামকে আইসোটোপ বলা হয় কেন?

উত্তর: কোনো মৌলের ভিন্ন ধরনের পরমাণু, যাদের প্রোটন ও পারমাণবিক সংখ্যা সমান, কিন্তু ভরসংখ্যা ভিন্ন, তাদের ওই মৌলের আইসোটোপ বলে। হাইড্রোজেনের সব পরমাণুতে একটি করে প্রোটন ও ইলেকট্রন থাকে, ফলে ভরসংখ্যা ১। ডিউটেরিয়ামের ক্ষেত্রে দেখা যায়, এর পরমাণুতে একটি প্রোটন, একটি ইলেকট্রন ও একটি নিউট্রন রয়েছে অর্থাৎ ভরসংখ্যা ২। উভয় পরমাণুতে প্রোটন সংখ্যা সমান, কিন্তু ভরসংখ্যা ভিন্ন। তাই ডিউটেরিয়ামকে আইসোটোপ বলা হয়।

  • মো. ফারুক হোসেন, সিনিয়র শিক্ষক
    বাংলাদেশ ব্যাংক উচ্চবিদ্যালয়, মতিঝিল, ঢাকা