রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় অবস্থিত শহীদ মনু মিঞা সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ে এখন নতুন ছয়তলা ভবন নির্মাণের কাজ চলছে। ভবনটি হচ্ছে বিদ্যালয়ের একমাত্র খেলার মাঠের জায়গায়। শ্রেণিকক্ষের সংকট মেটাতে নতুন ভবন নির্মাণ করা হলেও আরেকটি মৌলিক সংকট রয়ে গেছে আগের মতোই—পর্যাপ্ত শিক্ষক নেই।
শহীদ মনু মিঞা সরকারি উচ্চবিদ্যালয় ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত। ২০১৩ সালে এটি সরকারি হয়। বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে ৪২০ শিক্ষার্থীর জন্য এখন শিক্ষক রয়েছেন প্রধান শিক্ষকসহ মাত্র ৯ জন। অর্থাৎ গড়ে একজন শিক্ষকের বিপরীতে প্রায় ৪৭ জন শিক্ষার্থী। অথচ মাধ্যমিকে গড়ে ৩০ জন শিক্ষার্থীর জন্য একজন শিক্ষক থাকার কথা।
বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক হালিমা খাতুন প্রথম আলোকে বলেন, পর্যাপ্ত শিক্ষক না থাকায় প্রতিদিন একজন শিক্ষককে পাঁচ থেকে ছয়টি পর্যন্ত ক্লাস নিতে হয়। প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষককেও নিয়মিত ক্লাস নিতে হয়। তিনি বলেন, বহুদিন ধরেই শিক্ষক চেয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) চাহিদাপত্র পাঠানো হচ্ছে। এক পালায় (শিফট) চলা সরকারি বিদ্যালয় হিসেবে এখানে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক ছাড়া আরও ২৫ জন শিক্ষক থাকার কথা।
শুধু শহীদ মনু মিঞা সরকারি উচ্চবিদ্যালয় নয়, দেশের অধিকাংশ সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় শিক্ষকের সংকটের কারণে ধুঁকছে। পাশাপাশি অনেক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ ফাঁকা। সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের ৩৮৩টি পদ শূন্য, যা মোট পদের প্রায় ৫৫ শতাংশ। কিছু বিদ্যালয়ে এখনো প্রধান শিক্ষকের পদই সৃষ্টি হয়নি।
একই সঙ্গে প্রশাসনিক গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোও দীর্ঘদিন শূন্য থাকায় বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা ও তদারকিও দুর্বল হয়ে পড়েছে। শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, এই পরিস্থিতিতে মানসম্মত মাধ্যমিক শিক্ষা নিশ্চিত করা কঠিন।
জানতে চাইলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ প্রথম আলোকে বলেন, সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকসংকট কমাতে সরকার কাজ করছে। এ বিষয়ে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী, সচিবসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আলোচনা করছেন, যাতে দ্রুত শূন্য পদে নিয়োগ দেওয়া যায়। পাশাপাশি শূন্য প্রশাসনিক পদ পূরণ এবং পদোন্নতি-সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনেও কাজ চলছে।
অবশ্য সমস্যাটি নতুন নয়। শিক্ষা খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বিগত দেড় দশকে তিন শতাধিক বিদ্যালয় সরকারীকরণ হয়েছে। এ ছাড়া বেশির ভাগ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নতুন ভবন হয়েছে। অবকাঠামো উন্নয়নে যতটা জোর দেওয়া হয়েছে, শিক্ষকসংকট দূর করা, প্রধান শিক্ষক নিয়োগ এবং শিক্ষার মানোন্নয়ন কার্যক্রমে জোর কম দেওয়া হয়েছে। অবকাঠামো উন্নয়নে কেনাকাটা ও দরপত্রে কমিশন–বাণিজ্যের সুযোগ থাকে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আরও বলছেন, প্রধান শিক্ষকদের পদটি খালি থাকছে অবহেলার কারণে। উদ্যোগ নিলেই তা পূরণ করা সম্ভব।
বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে ২০ হাজারের বেশি বিদ্যালয়ে মাধ্যমিক স্তরে পাঠদান হয়। দেশে বর্তমানে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে ৭০২টি। এসব বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক-শিক্ষিকার অনুমোদিত পদ ১৫ হাজার ২৯৩টি। এর মধ্যে ২ হাজার ৮৪২টি পদ শূন্য, অর্থাৎ ১৮ শতাংশের বেশি পদে শিক্ষক নেই।
বর্তমান জনবলকাঠামো পর্যাপ্ত কি না, সেই প্রশ্নও রয়েছে। তার ওপর দীর্ঘদিন ধরে বিপুলসংখ্যক পদ শূন্য। সম্প্রতি সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) মাধ্যমে ৭২৮ জন সহকারী শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে। তবে এই নিয়োগ সম্পন্ন হলেও উল্লেখযোগ্যসংখ্যক পদ শূন্যই থেকে যাবে।
২০১০ সালের শিক্ষানীতিতে ২০১৮ সালের মধ্যে বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত ১: ৩০-এ নামিয়ে আনার লক্ষ্য ছিল। কিন্তু সরকারি বিদ্যালয়ে এখনো গড়ে প্রতি ৩৭ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে ১ জন শিক্ষক রয়েছেন। যদিও বিদ্যালয় অনুযায়ী কোথাও কোথাও আরও বেশি।
সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকসংকট কমাতে সরকার কাজ করছে। এ বিষয়ে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী, সচিবসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আলোচনা করছেন, যাতে দ্রুত শূন্য পদে নিয়োগ দেওয়া যায়। পাশাপাশি শূন্য প্রশাসনিক পদ পূরণ এবং পদোন্নতি-সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনেও কাজ চলছে।প্রধান শিক্ষক হালিমা খাতুন
শিক্ষকসংকটের পাশাপাশি মাধ্যমিক শিক্ষা প্রশাসনে নেতৃত্বের সংকটও প্রকট। ৭০২টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের ৩৮৩টি পদ শূন্য। এ ছাড়া সহকারী প্রধান শিক্ষকের ২৪৯টি পদও খালি রয়েছে।
শুধু বিদ্যালয় পর্যায়ে নয়, মাধ্যমিক শিক্ষার প্রশাসনিক কাঠামোতেও দীর্ঘদিন ধরে শূন্য পদ রয়েছে। মাউশির ৯টি আঞ্চলিক কার্যালয় ও প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালকের ১০টি পদই বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। এ ছাড়া ৬৪টি জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার পদের মধ্যে ২৩টি শূন্য। বিদ্যালয় পরিদর্শকের ১৬টি পদের সব কটিই খালি। পদোন্নতি দীর্ঘদিন আটকে থাকায় প্রশাসনিক কাঠামোয় একধরনের স্থবিরতা তৈরি হয়েছে।
নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ পাইলট সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের চিত্রটি উদ্বেগজনক। প্রভাতি ও দিবা শাখা মিলিয়ে বিদ্যালয়টিতে ১ হাজার ১৩৪ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। শিক্ষকের অনুমোদিত ৫৩টি পদের মধ্যে ১৫টিই শূন্য।
প্রধান শিক্ষকের পদ দীর্ঘদিন খালি থাকায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সহকারী প্রধান শিক্ষক সৈয়দ আবদুল ওয়াদুদ। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, প্রধান শিক্ষক ছাড়াও সহকারী প্রধান শিক্ষকের একটি, ইংরেজির দুটি, গণিতের দুটি, সামাজিক বিজ্ঞানের একটি, জীববিজ্ঞানের তিনটি, ধর্ম বিষয়ে তিনটি এবং চারু ও কারুকলার দুটি পদ শূন্য রয়েছে। ফলে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পর্যাপ্ত শিক্ষক না থাকায় শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। শূন্য পদ পূরণের জন্য প্রায় প্রতি মাসেই মাউশিতে আবেদন পাঠানো হচ্ছে।
দেশের অন্যতম সেরা সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় রাজধানীর গবর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাইস্কুলে প্রায় তিন হাজার শিক্ষার্থী পড়লেও দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী প্রধান শিক্ষক নেই।
আবদুল্লাহ আল নাহিয়ান আরও বলেন, শিক্ষার মানের জন্য শুধু শিক্ষকের পাঠদানকে দায়ী করলে হবে না, পাঠদানের পরিবেশ কতটা অনুকূল, সেটিও বিবেচনায় নিতে হবে।
ঢাকা কলেজিয়েট স্কুল ঢাকার সদরঘাট এলাকায় অবস্থিত। এটি অবিভক্ত বাংলার প্রথম সরকারি উচ্চবিদ্যালয় হিসেবে পরিচিত। এখানে প্রভাতি ও দিবা—এই দুই পালায় শিক্ষার্থী পড়ানো হয়। শিক্ষার্থী ১ হাজার ৯৮০ জন। মোট সেকশন ৩৪টি। কর্মরত শিক্ষক আছেন ৩২ জন। তবে শিক্ষকের পদসংখ্যা ৫৩। প্রধান শিক্ষকের নিয়মিত পদও খালি। একজন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন।
জানতে চাইলে ঢাকা কলেজিয়েট স্কুলের সহকারী শিক্ষক আবদুল্লাহ আল নাহিয়ান প্রথম আলোকে বলেন, পর্যাপ্ত শিক্ষক না থাকায় অনেক সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শ্রেণি কার্যক্রম কোনো রকমে চলছে। সব সময় বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক দিয়ে পাঠদান সম্ভব হচ্ছে না। এর প্রভাব পড়ছে শ্রেণির রুটিন প্রণয়ন, বিষয়ভিত্তিক পাঠদান এবং পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নেও। তিনি বলেন, দুই পালার একটি বিদ্যালয়ে ৫০ জন শিক্ষক থাকলে একজন শিক্ষকের সপ্তাহে ১৫ থেকে ১৬টি ক্লাস নেওয়ার কথা। কিন্তু শিক্ষকসংকটের কারণে অনেককে সপ্তাহে ২৫ থেকে ৩০টি পর্যন্ত ক্লাস নিতে হচ্ছে। অথচ কার্যকর পাঠদানের জন্য একজন শিক্ষকের দৈনিক ৩ থেকে ৪টির বেশি ক্লাস নেওয়া উচিত নয়।
আবদুল্লাহ আল নাহিয়ান আরও বলেন, শিক্ষার মানের জন্য শুধু শিক্ষকের পাঠদানকে দায়ী করলে হবে না, পাঠদানের পরিবেশ কতটা অনুকূল, সেটিও বিবেচনায় নিতে হবে।
বর্তমানে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শুরুর পদ সহকারী শিক্ষক। সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষকদের বেশির ভাগই ৩০ থেকে ৩৫ বছর ধরে এই পদে চাকরি করে পদোন্নতি ছাড়াই অবসরে যেতেন। তবে ২০১৮ সালে ‘সিনিয়র শিক্ষক’ নামে নবম গ্রেডের পদ সৃষ্টি করা হয়। এই পদে ২০২১ সালের জুনে পদোন্নতি দেওয়া হয়। কিন্তু নানা জটিলতায় এই পদে পদোন্নতিও এখন আটকে আছে। সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদগুলোতেও মূলত চলতি দায়িত্ব পালন করছেন শিক্ষকেরা। নিয়োগবিধি–সংক্রান্ত জটিলতায় উপপরিচালকের পদেও নিয়মিত কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেওয়া যাচ্ছে না।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, শিক্ষকদের অভিযোগ, এমনিতেই তাঁদের বেতন-ভাতা কম। তার মধ্যে ঠিক সময়ে পদোন্নতি দেওয়া হয় না। শিক্ষকদের এভাবে হতাশার মধ্যে রেখে তাঁদের কাছ থেকে ভালো মানের শিক্ষাও আশা করা কঠিন।
বিএনপি সরকার নির্বাচনী ইশতেহারে শিক্ষা খাতের ওপর জোর দেওয়ার কথা বলেছে। ইশতেহারে বলা হয়েছে, দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক, কর্মমুখী, উৎপাদনমুখী এবং সময়োপযোগী করে গড়ে তুলবে তারা। শিক্ষার সব স্তরে জোর দেওয়া হবে। তবে প্রাথমিক শিক্ষা বেশি জোর পাবে। শিক্ষা খাতের বাজেট বরাদ্দ ধাপে ধাপে জিডিপির (মোট দেশজ উৎপাদন) ৫ শতাংশে উন্নীত করা হবে।
এদিকে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ জিডিপির ২ শতাংশে উন্নীত করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। মোট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৬ কোটি টাকা। বরাদ্দ আগের বছরের চেয়ে বেড়েছে ৪৯ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।
বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘এবারের বাজেটে শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নকে আমরা জাতীয় অগ্রযাত্রার “নিউক্লিয়াস” (মূল কেন্দ্র) হিসেবে বিবেচনা করেছি।’
শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, শিক্ষা খাতে অবকাঠামো উন্নয়ন অনেক হয়েছে। এখন দরকার গুণমান বৃদ্ধিতে নজর দেওয়া। সে জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত ভালো শিক্ষক।
শিক্ষকসংকটের বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক এস এম হাফিজুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তখনই কার্যকরভাবে পরিচালিত হতে পারে, যখন অনুমোদিত জনবলকাঠামো অনুযায়ী প্রয়োজনীয়সংখ্যক শিক্ষক থাকে। মাধ্যমিক শিক্ষা মূলত বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকের ওপর নির্ভরশীল। সেখানে সরকারি বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষকসংকট থাকা অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি বলেন, শিক্ষকস্বল্পতার কারণে অনেক ক্ষেত্রে এক বিষয়ের শিক্ষককে অন্য বিষয় পড়িয়ে কোনোভাবে পাঠদান চালিয়ে নিতে হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীদের শিখন অর্জন দুর্বল হয়ে পড়ছে এবং শিক্ষার গুণগত মান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ ধরনের ঘাটতি কোনোভাবেই কাম্য নয়।
হাফিজুর রহমান বলেন, গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করতে দ্রুত শিক্ষকসংকট দূর করার কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকার এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
[প্রতিবেদনে তথ্য দিয়ে সহায়তা করছেন প্রতিনিধি, নেত্রকোনা]