এক নজরে

পরীমনি
পরীমনি

ক্যামেরার সামনেই ঘুম!
লাইট, ক্যামেরা, পরিচালক, নায়ক; আছে বিভিন্ন কাজের সঙ্গে জড়িত মানুষজন। সব মিলিয়ে শ খানেক চোখ ছবির নায়িকা পরীমনির দিকে। অথচ দিব্যি ঘুমিয়ে আছেন পরীমনি। পরিচালকও রসিক। ছবির শুটিংয়ে কোনো বিরতি দেননি তিনি। শুটিং অব্যাহত রেখেছেন। হ্যাঁ, ঘটনা এমনই। পুড়ে যায় মন ছবির শুটিংয়ে ঘটেছে এমন ঘটনা। নায়িকার ঘুমের ব্যাপারটি শুরুতে নাকি কেউ বুঝতেই পারেনি। যখন সবাই বুঝতে পারলেন, তখন হাসির ধুম পড়ে যায়। ঘুম ভেঙে যায় পরীমনির।
পরীমনি বললেন, ‘আসলে দৃশ্যটি ছিল, বিষপান করে আমি অচেতন হয়ে পড়ে আছি। নায়ক সাইমন আমার পাশে বসে কাঁদছেন। কিন্তু এই একটি দৃশ্য ধারণ করতে অনেক সময় চলে যায়। আমি নিজেও ক্লান্ত হয়ে পড়ি। কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছি, টেরই পাইনি। পরে সবার হাসির আওয়াজে ঘুম ভেঙে যায়। পরে জেনেছি, আমি ঘুমানোর কারণে দৃশ্যটা নাকি অনেক বাস্তব হয়েছে!’

শেহতাজ

মানসিক চাপে ‘কাঠ’
একটি মিউজিক ভিডিওর শুটিং হবে। প্রথম অভিনয়। অন্য রকম এক মানসিক চাপে যেন ‘কাঠ’ হয়ে যান শেহতাজ। আর মিউজিক ভিডিওর দৃশ্যটিও নাকি ছিল তেমনই, অত্যধিক মানসিক চাপে স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছেন শেহতাজ। কিন্তু কাজটা হলো না। সেই স্থির দৃষ্টি আর সহজে ধরা যায়নি। এই একটি দৃশ্য শেষ করতে লেগেছে পুরো একটি দিন! সেটি ছিল ধ্রুব গুহর গাওয়া ‘শুধু তোমার জন্য’ গানের মিউজিক ভিডিওর কাজ। এই গানে শেহতাজের সঙ্গে আরও অভিনয় করেন সিয়াম।
তবে শেহতাজকে খুব একটা দুর্বল ভাববার কোনো কারণ নেই। কারণ উল্টো ঘটনাও আছে। সম্প্রতি আলোচিত হওয়া তাঁর অভিনীত গাজী টিভির বিজ্ঞাপনচিত্র ‘আমি যা দেখি, তুমি কি তা দেখ’-এর কাজ শেষ করেছিলেন কতক্ষণে জানেন? প্রকৃতির দৃশ্যধারণ থেকে শুরু করে অভিনয়, সংলাপ—সবকিছু শেষ হয়েছিল মাত্র তিন ঘণ্টায়!