জমে উঠেছে দরবারির আসর

দরবারির প্রথম আসরে মধ্য ত্রিতাল গীত পরিবেশন করেন শান্তনু। তাঁকে তবলায় সঙ্গ দেন মীর নাকিবুল ইসলাম।
দরবারির প্রথম আসরে মধ্য ত্রিতাল গীত পরিবেশন করেন শান্তনু। তাঁকে তবলায় সঙ্গ দেন মীর নাকিবুল ইসলাম।

রাজধানীতে ধানমন্ডির ছায়ানট ভবনের মিলনায়তনে শুরু হয়েছে শাস্ত্রীয় সংগীতের একটি নতুন ধারাবাহিক পরিবেশনা ‘দরবারি’। আভাঁ-গার্দ প্রডাকশনের উদ্যোগে শাস্ত্রীয় সংগীতের এই ধারাবাহিক আয়োজনটির উদ্বোধনী আসরটি বসেছিল গত শুক্রবার। সেদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলেছে এই আসর।

উদ্বোধনী দিনে ছিল তবলাবাদক ও লয়কার মীর নাকিবুল ইসলামের একক পরিবেশনা। বংশীবাদক ও ছায়ানটের বাঁশি বিভাগের শিক্ষক মুরতাজা কবির এবং তবলাবাদক রতন কুমার দাসের দ্বৈত পরিবেশনার পাশাপাশি বাংলাদেশের একমাত্র নিয়মিত শাস্ত্রীয় সংগীত পরিবেশক সন্তুর বাদক শান্তনু ও তবলাবাদক মীর নাকিবুল ইসলামের দ্বৈত পরিবেশনা।

এদিন, শুরুতে শান্তনুর আলাপের পর, নাকিবের বিলম্বিত ত্রিতাল মুগ্ধতার এক আবহ তৈরি করে। এই প্রথম নাকিব বরাণসী ঘরানা ও ফারুখাবাদ ঘরানার মিশ্রণে একটি নিরীক্ষণমূলক পরিবেশনা উপস্থাপন করেন। এরপর পণ্ডিত জ্ঞানপ্রকাশ ঘোষ ও পণ্ডিত অশোক পালের সৃষ্ট কায়দা ও রেলা পরিবেশন করেন।

এ আসরের পরবর্তী পরিবেশনা ছিল বাংলাদেশের প্রখ্যাত বাঁশিবাদক মুর্তজা কবির মুরাদের অতি প্রাচীন রাগ হংসধ্বনি রাগ যাতে তাল দিয়েছেন তবলাবাদক রতন কুমার দাশ।

তৃতীয় ও সর্বশেষ পরিবেশনা ছিল শান্তনুর সন্তুরের শান্ত রসের রাগ পুরিয়া ধানেশ্রী। তাকে তবলায় সংগত করেন মীর নাকিবুল ইসলাম। তান সারগামের পর এই যুগলের পরিবেশনায় মুগ্ধ হয়েছেন আসরে উপস্থিত শ্রোতা-দর্শকেরা।