
প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদের ৬৫তম জন্মদিন ১৩ নভেম্বর। নানা আয়োজনে তাঁর জন্মদিন উদযাপন করতে যাচ্ছে ফেসবুক ভিত্তিক হুমায়ূন ভক্ত তরুণদের দল হিমু পরিবহন।
এ উপলক্ষে আজ সকাল সাড়ে ১১টায় শাহবাগের পাবলিক লাইব্রেরির সেমিনার কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে হিমু পরিবহন।
দলটির সদস্য রুহুল আমিন রনি জানিয়েছেন, ‘চলতি বছরের ১৯ জুলাই আমাদের পথচলা শুরু হয়। সেদিন আমাদের ৪০ জনের একটি দল নুহাশ পল্লিতে হুমায়ূন আহমেদের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছিলাম।’
দলের আরেক সদস্য জুবায়ের কবির তুষার বলেন, ‘আমাদের এ পথ চলা থামবে না। এখন থেকে হিমু পরিবহন হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ও মৃত্যু দিবস পালন ছাড়াও হুমায়ূন আহমেদ বিষয়ক নানা কার্যক্রম পরিচালনা করবে।’
হুমায়ূন আহমেদের জন্মদিন উদযাপন করতে ১২ নভেম্বর ৫০ জনের একটি দল যাচ্ছে নুহাশ পল্লিতে। দলটির সঙ্গে থাকছেন লেখকের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন। জন্মদিনকে ঘিরে নানা আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছে নুহাশ পল্লিতে। ১৩ নভেম্বর প্রথম প্রহরে কেক কেটে শুরু হবে জন্মদিন পালনের আনুষ্ঠানিকতা। ফানুস উড়ানোসহ, হুমায়ূন আহমেদ স্মরণে রাতভর থাকছে নানা অনুষ্ঠান।
একই সময়ে সাতটি বিভাগীয় শহরসহ দেশের বিভিন্ন শহরে অনুষ্ঠান আয়োজন করবে হিমু পরিবহন। এ ছাড়া বিশ্বের ১০টি দেশ থেকে হিমু পরিবহনের বন্ধুরা জন্মদিন পালনের আয়োজন করেছেন। এরমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, যুক্তরাজ্য, কানাডা, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ফিনল্যান্ড, কাতার থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হিমু পরিবহনের বন্ধুরা।
চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা বিবেচনায় নিয়ে ১৩ নভেম্বরের দিনব্যাপী অনুষ্ঠানটি পালন করা হবে ১৫ নভেম্বর শুক্রবার। ওই দিন তিনটি বাসে সারাদেশ থেকে আসা ১২০ জন সদস্য যাবেন লেখকের জন্মস্থান নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে। হুমায়ূন আহমেদের প্রতিষ্ঠিত স্কুল শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠে কাটাবেন সারাদিন। জন্মদিনে একটি স্মরণিকাও প্রকাশ করবে হিমু পরিবহন।
হিমু পরিবহন কিছু দাবির কথাও জানিয়েছে। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে রাষ্ট্রীয়ভাবে হুমায়ূন আহমেদের জন্মদিন ও মৃত্যুদিন পালন, হুমায়ূন আহমেদের নামে দেশের জাতীয় কোনো স্থাপনার নামকরণ এবং হুমায়ূন আহমেদের প্রতিষ্ঠিত স্কুল শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠকে সরকারিকরণ।