সোনাক্ষী ও শুত্রুঘ্ন সিনহা। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
সোনাক্ষী ও শুত্রুঘ্ন সিনহা। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে

পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের পরাজয়ের পর রাজনীতি ছাড়বেন শত্রুঘ্ন? মুখ খুললেন সোনাক্ষী

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে হেরে গেছে তৃণমূল কংগ্রেস, নতুন সকার গঠন করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। নির্বাচনে হারার পর অনেকেই তৃণমূল ছাড়ছেন। সেখানে প্রশ্ন উঠেছে শত্রুঘ্নও কি দল ছাড়বেন। তিনি এখনো কথা বলেননি, তবে বাবার হয়ে মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী সোনাক্ষী সিনহা।

সোনাক্ষী তাঁর বাবার অবস্থান স্পষ্ট করে বলেন, ‘এখন তিনি রাজনীতি নিয়ে এতটাই ব্যস্ত যে খুব সুন্দরভাবেই সেই জগতে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছেন। তিনি যেখানে আছেন এবং যা করছেন, তাতেই খুশি।’ বাবা-মেয়ের সম্পর্কের সমীকরণ কেমন, তা নিয়েও অকপট অভিনেত্রী। তিনি জানান, ‘বাবারা সাধারণত সন্তানদের প্রতি একটু কঠোর হন। কিন্তু আমার বাবা সব সময়ই আমার প্রতি খুব নরম ছিলেন। আমাকে সব সময় বলতেন, নিজের যোগ্যতায় নিজেকে প্রমাণ করতে হবে। বাবা স্রোতের বিপরীতে হাঁটলেও আমার মতে, এ রকম মানসিকতাই একটি মেয়েকে মনের দিক থেকে শক্তিশালী হতে সাহায্য করে।’

সোনাক্ষী সিনহা। ছবি: অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে

মধ্যে গুঞ্জন রটেছিল, শত্রুঘ্ন মেয়ে সোনাক্ষীকে নিয়ে সিনেমা প্রযোজনা করবেন। তবে সে গুঞ্জনও উড়িয়ে দেন সোনাক্ষী। তিনি বলেন, ‘বাবা দু-একটি ছবির প্রযোজনা করেছেন। কিন্তু আমাকে কখনো বলেননি যে তিনি আমার জন্য কোনো ছবি প্রযোজনা করতে চান; বরং এই মুহূর্তে সিনেমায় ফেরার কোনো পরিকল্পনাই নেই।’

২০১০ সালে ‘দাবাং’-এ অভিনয়ের পর আলোচনায় আসেন সোনাক্ষী। তবু বলিউডের একজন সফল অভিনেত্রীর চেয়ে বেশি ‘শত্রুঘ্ন সিনহার মেয়ে’ বলেই পরিচয় করানো হতো। তবে সময়ের সঙ্গে পরিস্থিতি অনেকটাই বদলেছে। এখন শত্রুঘ্ন সিনহাকে ‘সোনাক্ষী সিনহার বাবা’ বলেও সম্বোধন করা হয়। এই মর্মে সোনাক্ষীর সংযোজন, ‘বাবা যখন বিমানে ভ্রমণ করেন, তখন বিমানবালারা এসে বলেন, “আপনি কি সোনাক্ষী সিনহার বাবা?” এতে বাবা খুব গর্ববোধ করেন।’

নিউজ ১৮ অবলম্বনে

সোনাক্ষী ও শত্রুঘ্ন। ইনস্টাগ্রাম থেকে