ভাগ্যশ্রী বোর্সে। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
ভাগ্যশ্রী বোর্সে। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে

অভাব–অনটনে বড় হওয়া সেই ভাগ্যশ্রীই এখন ১০০ কোটি বাজেটের নায়িকা

এই সময়ের দক্ষিণ ভারতের অন্যতম আলোচিত অভিনেত্রী তিনি। সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া তাঁর অভিনীত ‘লেনিন’ ছবিটি বক্স অফিসে ভালো ব্যবসা করছে। অথচ ভাগ্যশ্রী বোর্সের শৈশবটা ছিল অন্য রকম। বড় হয়েছেন অর্থাভাবে। মিড ডে অবলম্বনে ছবিতে ছবিতে জেনে নেওয়া যাক অভিনেত্রী সম্পর্কে কিছু তথ্য—

ভাগ্যশ্রীর জন্ম ১৯৯৯ সালের ৬ মে ভারতের মহারাষ্ট্রে। শৈশবের একটি বড় অংশ কেটেছে নাইজেরিয়ার লাগোসে, যেখানে তিনি প্রায় সাত বছর পড়াশোনা করেন। পরে ভারতে ফিরে মুম্বাইয়ে ব্যবসায় প্রশাসন নিয়ে পড়াশোনা করেন। একই সময়ে শুরু করেন মডেলিং। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
অভিনয়ের আগে বিভিন্ন টেলিভিশন বিজ্ঞাপনে কাজ করেন ভাগ্যশ্রী। ক্যামেরার সামনে স্বচ্ছন্দ উপস্থিতিই পরে তাঁকে চলচ্চিত্রে সুযোগ এনে দেয়। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
‘ইয়ারিয়াঁ ২’ ও ‘চান্দু চ্যাম্পিয়ন’ ছবিতে সংক্ষিপ্ত উপস্থিতির পর ২০২৪ সালে রবি তেজার বিপরীতে ‘মিস্টার বচ্চন’ ছবিতে প্রথমবার নায়িকা হিসেবে নজর কেড়েছিলেন ভাগ্যশ্রী। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
এরপর বিজয় দেবরাকোন্ডার ‘কিংডম’, দুলকার সালমানের ‘কান্থা’ এবং রাম পোথিনেনির ‘আন্ধ্র কিং তালুকা’ ছবিতেও অভিনয় করেন তিনি। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
সবশেষ মুক্তি পাওয়া ‘লেনিন’ ছবিতে অখিল আক্কিনেনির বিপরীতে অভিনয় করে নতুন করে দর্শকের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। ১০০ কোটি রুপি বাজেটের সিনেমাটি এর মধ্যে বক্স অফিস থেকে ৫০ কোটি রুপির বেশি আয় করছে। সামনে শিবকার্তিকেয়নের বিপরীতে তামিল ছবি ‘সেয়ন’-এ দেখা যাবে তাঁকে। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
এখন বড় বাজেটের সিনেমায় অভিনয় করলেও তাঁর শৈশবটা সহজ ছিল না। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
একসময় পরিবারের আর্থিক সংকট এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে তাঁর বাবাকে কাজের জন্য মানুষের কাছে সাহায্য চাইতে হয়েছে। সেই দৃশ্য আজও ভুলতে পারেন না অভিনেত্রী। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
সম্প্রতি অনেস্ট টাউনহল অনুষ্ঠানে নিজের শৈশবের কঠিন দিনগুলোর কথা স্মরণ করেন ভাগ্যশ্রী। তিনি জানান, জন্মের পরপরই তাঁর বাবা চাকরি হারিয়েছিলেন। এর পর থেকেই পরিবারকে টিকে থাকার জন্য প্রতিনিয়ত লড়াই করতে হয়েছে। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
ভাগ্যশ্রী বলেন, ‘আমি জন্মানোর পর থেকেই জীবনের অন্য রকম একটি দিক দেখেছি। আমার পরিবার নিম্নমধ্যবিত্ত ছিল। স্থিতিশীল জীবন বলতে কিছু দেখিনি। সব সময় দেখেছি, মা–বাবা আমাদের জন্য ভালো কিছু করার চেষ্টা করছেন; কিন্তু নানা বাধার মুখে পড়ছেন। তবু তাঁরা কখনো হাল ছাড়েননি। আমরা সত্যিই শূন্য থেকে শুরু করেছি।’ অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
শৈশবে অর্থের গুরুত্ব বোঝেননি ভাগ্যশ্রী। কিন্তু বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উপলব্ধি করেছেন, সংসার চালাতে তাঁর মা–বাবাকে কতটা হিসাব করে চলতে হতো। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে