উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানিসম্পদ আর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান পরিবেশসচেতনতা তৈরিতে চলচ্চিত্রের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানিসম্পদ আর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান পরিবেশসচেতনতা তৈরিতে চলচ্চিত্রের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন

ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব

বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের পর্দা উঠল। উদ্বোধনী আয়োজনে জাতীয় জাদুঘরে প্রদর্শন করা হয় চলচ্চিত্র। প্রধান মিলনায়তনে উদ্বোধনী চলচ্চিত্র হিসেবে প্রদর্শিত হয় চীনা নির্মাতা চেন শিয়াংয়ের দ্য জার্নি টু নো এন্ড। এ ছাড়া বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার সাংস্কৃতিক বিনিময়কে তুলে ধরতে জাতীয় জাদুঘরে চীনা চলচ্চিত্রবিষয়ক একটি বিশেষ প্রদর্শনী কর্নার উদ্বোধন করা হয়।

বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের পর্দা উঠল

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানিসম্পদ আর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান পরিবেশসচেতনতা তৈরিতে চলচ্চিত্রের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি উৎসবে পরিবেশভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শনের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে উৎসব পরিচালক আহমেদ মুজতবা জামাল উৎসবের মূল দর্শন তুলে ধরে বলেন, ‘বেটার ফিল্মস, বেটার অডিয়েন্স, বেটার সোসাইটি।’ বাংলাদেশে নিযুক্ত গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের কালচারাল কাউন্সিলর লিই শাওপেং চলচ্চিত্রের মাধ্যমে সাংস্কৃতিক সহযোগিতার গুরুত্বের কথা তুলে ধরেন।

উদ্বোধনী আয়োজনে জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে উদ্বোধনী চলচ্চিত্র হিসেবে প্রদর্শিত হয় চীনা নির্মাতা চেন শিয়াংয়ের ‘দ্য জার্নি টু নো এন্ড’

ক্রোয়েশিয়া-যুক্তরাজ্যভিত্তিক চলচ্চিত্র নির্মাতা আলেকজান্দ্রা মার্কোভিচ বলেন, ‘বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে গল্প বলার একটি সমৃদ্ধ ঐতিহ্য রয়েছে।’
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও ছিল জলতরঙ্গ থিয়েটার কোম্পানির একটি থিয়েট্রিক্যাল পরিবেশনা।
উৎসবে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত বিশ্বের ৯১টি দেশের ২৪৫টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। ঢাকা ও কক্সবাজারের একাধিক ভেন্যুতে ছবি দেখানো হবে, যার মধ্যে রয়েছে আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দো ঢাকা, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি, থ্রিডি আর্ট গ্যালারি, ভিন্টেজ কনভেনশন হল ও কক্সবাজারের লাবণী সৈকত।