বিতর্কের সূত্রপাত ফেসবুকে প্রকাশিত ওমর সানীর একটি ভিডিও বক্তব্য থেকে
বিতর্কের সূত্রপাত ফেসবুকে প্রকাশিত ওমর সানীর একটি ভিডিও বক্তব্য থেকে

‘মৌসুমী কেন ওমর সানীকে চাবুক মারতেন, এখন বুঝেছি!’ কেন বললেন জয়

চিত্রনায়ক ওমর সানীকে নিয়ে অভিনেতা ও উপস্থাপক শাহরিয়ার নাজিম জয়ের একটি ফেসবুক পোস্ট সামাজিকমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছে। ফুটবল তারকা লিওনেল মেসিকে নিয়ে ওমর সানীর মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় জয় ফেসবুকে সেই পোস্ট করেন।

ওমর সানী ও মৌসুমী

ফেসবুকে জয় লেখেন, ‘ওমর সানী ভাই মেসিকে প্রতিবন্ধী বলেছেন। নব্বই দশকে দেখতাম সিনেমাতে ওমর সানীকে চাবুক মারত মৌসুমী। কেন মারত, এখন বুঝেছি।’ পোস্টটি প্রকাশের পর দ্রুতই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। মন্তব্যের ঘরে শুরু হয় তর্কবিতর্ক। কেউ জয়ের রসিকতাপূর্ণ মন্তব্যের সমর্থন করেন, আবার কেউ মনে করেন, একজন শিল্পীকে নিয়ে এমন মন্তব্য করা সমীচীন হয়নি।

নব্বই দশকে চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করা ওমর সানী তাঁর দীর্ঘ অভিনয়জীবনে তিন ছবিতে একাধিকবার চাবুকের মার খাওয়ার দৃশ্যে অভিনয় করেছেন

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিতর্কের সূত্রপাত ফেসবুকে প্রকাশিত ওমর সানীর একটি ভিডিও বক্তব্য থেকে। সেখানে তিনি মেসিকে নিয়ে মন্তব্য করেন, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়। পরে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের নিয়েও তাঁর আরেকটি বক্তব্য আলোচনায় আসে। এই দুই মন্তব্য ঘিরেই ফুটবল সমর্থকদের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

শাহরিয়ার নাজিম জয়

এদিকে নিজের পোস্ট নিয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন শাহরিয়ার নাজিম জয়। কথা প্রসঙ্গে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘খেলা বিনোদনের অন্যতম একটি মাধ্যম। কিন্তু খেলার কারণে মানুষে মানুষে বিভক্তি বা ভুল–বোঝাবুঝি তৈরি হওয়া উচিত নয়। বিশ্বকাপ ফুটবল এলেই ব্রাজিল–আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মধ্যে যে বিভাজন দেখা যায়, সেটি অনেক সময় অপ্রয়োজনীয় মাত্রা পেয়ে যায়। ওমর সানী ভাই এমনিতে খুবই সরল-সোজা মানুষ। তিনি আমার প্রিয় খেলোয়াড় মেসিকে নিয়ে কথা বলেছেন, তাই আমি মজা করেই ওই পোস্ট দিয়েছি। এটা পুরোপুরি ফান, ভুল করেও অন্যভাবে দেখার কিছু নেই।’

তারকা দম্পতি মৌসুমী - ওমর সানি।

ওমর সানীর মন্তব্য এবং জয়ের পাল্টা রসিকতা—দুই মিলিয়ে বিষয়টি এখন সামাজিক যোগযোগমাধ্যমে আলোচনার অন্যতম প্রসঙ্গ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে এ নিয়ে চলছে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া ও বিতর্ক। জয়ের সেই ফেসবুক পোস্টে এক ঘণ্টায় হাজারের বেশি মন্তব্য এসেছে আর শেয়ার হয়েছে তিন শতাধিক।