এর মধ্যেই ১৯৯৫ সালে প্রেমে পড়েন। পরবর্তী সময়ে বিয়েও করে ফেলেন এজেন্সিতে চাকরি করা একটি মেয়েকে। সেই বিয়ে এক বছর টিকে ছিল। পরে তিনি তিনটি বিয়ে করলেও সবার সঙ্গেই অল্প সময়ের ব্যবধানে ভেঙে যায়।
এর মধ্যেই ১৯৯৫ সালে প্রেমে পড়েন। পরবর্তী সময়ে বিয়েও করে ফেলেন এজেন্সিতে চাকরি করা একটি মেয়েকে। সেই বিয়ে এক বছর টিকে ছিল। পরে তিনি তিনটি বিয়ে করলেও সবার সঙ্গেই অল্প সময়ের ব্যবধানে ভেঙে যায়।

বিয়ে ভেঙে পর্নো তারকাদের সঙ্গে বারবার ডেটে যেতেন এই তারকা

অভিনেতার বাইরে ব্যক্তিজীবনে তাঁকে ঘিরে রয়েছে বহু বিতর্ক। কারণ, ক্যারিয়ারের শুরু থেকে তিনি প্রেম, বিচ্ছেদসহ নানা ঘটনার জন্ম দিয়েছিলেন। এ ছাড়া একসময় তাঁর কাছের বন্ধু ছিলের নীল সিনেমার  একাধিক জনপ্রিয় তারকা। তাঁদের সঙ্গে বহু ঘটনা ও সম্পর্ক প্রকাশ্যে এলে রীতিমতো অভিনেতা চার্লি শিনকে নিয়ে সমালোচনা তৈরি হয়। পর্নো তারকাদের সঙ্গে ডেটে গিয়ে নিজেই সে খবর প্রচার করতেন; যার কারণে বারবার সমালোচনায় পড়েন একই অভিনেতা। এই অভিনেতার জন্মদিন ধরে জেনে নিতে পারেন জানা–অজানা কথাগুলো।
দীর্ঘদিন প্রেমের পর কেলি প্রেস্টনের সঙ্গে সংসারের প্রস্তুতি নিতে থাকেন চার্লি শিন। সবকিছুই ঠিকমতো ছিল। এর মধ্যে ঘটনাক্রমে একদিন তাঁর এই বাগ্‌দত্তার হাতে হঠাৎ একটি গুলি এসে লাগে। মারাত্মকভাবে আহত হন প্রেস্টন। সবাইকে চমকে দিয়ে এমন ঘটনায় অল্প সময়ের ব্যবধানে বাগ্‌দত্তার সঙ্গে বিয়ে ভেঙে দেন এই অভিনেতা।
প্রিস্টনের পাশে না দাঁড়িয়ে বিয়ে ভাঙার ঘটনাটি রীতিমতো আলোচনায় আসে ১৯৯০ সালে। সেই সময়ে আরও বেশি আলোচনার জন্ম দেন অভিনেতা। বিয়ে ভেঙে তিনি নীল সিনেমার একাধিক তারকার সঙ্গে ডেটে যেতে থাকেন। ৯০ দশকের শুরুটা এই অভিনেতা একের পর এক বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন।
এই অভিনেতা পাঁচ বছর আর কারও সঙ্গে বিয়ের সম্পর্কে যাননি। পর্নো তারকাদের সঙ্গেই এই সময় তাঁর ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে, যা বহুবার খবরের শিরোনাম হয়।
প্রতিবারই প্রেম ও বিয়ে ভেঙে যাওয়ার পরে তিনি পর্নো তারকাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তুলতেন। সেগুলো তিনি সরাসরি গণমাধ্যমেও প্রকাশ করতেন। এসব নিয়ে আলোচনাও হতো, যা তাঁর ক্যারিয়ারে একসময় প্রভাব ফেলে।
এর মধ্যেই ১৯৯৫ সালে প্রেমে পড়েন। পরবর্তী সময়ে বিয়েও করে ফেলেন এজেন্সিতে চাকরি করা একটি মেয়েকে। সেই বিয়ে এক বছর টিকে ছিল। পরে তিনি তিনটি বিয়ে করলেও সবার সঙ্গেই অল্প সময়ের ব্যবধানে ভেঙে যায়।
তিনি ব্যক্তিগত নানা বিতর্কের কারণে ৯০ দশকের আগের কাজগুলো দিয়েই এখনো সবচেয়ে বেশি পরিচিতি। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘ওয়াল স্ট্রিট’, ‘ইয়াং গানস’, ‘দ্য থ্রি মাস্কেটিয়ার্স’।
এই অভিনেতা চারবার প্রাইমটাইম এমি পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন পান। ‘স্পিন সিটি’ সিনেমার জন্য তিনি গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার জয় করেছিলেন। এই অভিনেতার জন্ম ১৯৬৫ সালের ৩ সেপ্টেম্বর।