আলাউদ্দীন আলী। আলিফের ফেসবুক থেকে
আলাউদ্দীন আলী। আলিফের ফেসবুক থেকে

বাবার দুর্লভ ছবি শেয়ার করলেন আলিফ

আজ শনিবার সুরকার ও সংগীত পরিচালক আলাউদ্দীন আলীর মৃত্যুবার্ষিকী। এ উপলক্ষে তাঁর মেয়ে সংগীতশিল্পী আলিফ আলাউদ্দীন ফেসবুকে দীর্ঘ এক পোস্ট দিয়েছন। বাবাকে নিয়ে স্মৃতিচারণার পাশাপাশি শেয়ার করেছেন দুর্লভ ছবি।

দীর্ঘ পোস্টে আলিফ লিখেছেন, ‘আলাউদ্দীন আলী একজন কিংবদন্তি, একজন বাদ্যযন্ত্রের জাদুকর! অনেকেই বলে থাকেন, বাবা মানে শুধু বাবা, কোনো কোনো খেতাব নয়, কোনো পেশাও নয়। আমার জন্য বাবা ছিলেন তার নিজের পেশা। তিনি ছিলেন সঙ্গীত জগতের মায়াবী আলাউদ্দীন আলী এবং তিনি ছিলেন আমার বাবা।’ আলিফের ফেসবুক থেকে
আলিফের জীবনে সংগীতের প্রভাব নিয়ে লিখেছেন, ‘আমি বড় হয়েছি শুধু তার সঙ্গীতের ভক্ত হয়ে নয় বরং তার সুরগুলোকে ভালোবেসে। তার সুরগুলো আমার রক্তে–বমিতে বয়ে বেড়ায়। এমনও এক সময় ছিল, যখন তার গান শুনতে শুনতেই অশ্রু ঝরত আমার চোখ থেকে।’ আলিফের ফেসবুক থেকে
আলাউদ্দীন আলীর সংগীতের উত্তরাধিকার নিয়ে আলিফ আরও লিখেছেন, ‘তিনি যে সঙ্গীতের উত্তরাধিকার রেখে গেছেন, তা আমাদের আগামী প্রজন্মের হাতে নিয়ে যেতে হবে। আজকাল যত বেশি শুনি তার কাজ, তত বেশি মনে হয়, যেন তিনি এখনো এখানে থাকতেন, আমি তাকে জিজ্ঞেস করতে পারতাম প্রতিটি গানের কথা, প্রতিটি মন ছুঁয়ে যাওয়া সুরের রহস্য এবং তার পেছনের জাদুটা।’ আলিফের ফেসবুক থেকে
আলিফ আশা প্রকাশ করেছেন, তাঁর বাবার সুর তরুণদের অনুপ্রাণিত করবে। তাঁর ভাষ্যে, ‘তার কাজ প্রমাণ করে যে ঐতিহ্য আর নতুনত্ব একসাথে থাকতে পারে। আশা করি, আজকের তরুণ সঙ্গীতজ্ঞরা বাদ্যযন্ত্র হাতে নেবে, তার কর্ড বাজাবে, তার শিল্পের গভীরতা অনুভব করবে।’ পরিবারের সৌজন্যে
শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ২০২০ সালের ৮ আগস্ট ভোর পৌনে পাঁচটায় তাঁকে মহাখালীর একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থা বিবেচনা করে তাঁকে দেওয়া হয় লাইফ সাপোর্টে। কিন্তু সব চেষ্টা ব্যর্থ করে ৯ আগস্ট তিনি মারা যান। পরিবারের সৌজন্যে