শাহরিয়ার নাজিম জয় ও দীপা খন্দকার
শাহরিয়ার নাজিম জয় ও দীপা খন্দকার

‘এখনো নায়ক–নায়িকা, তবে গল্পের’—দীপার সঙ্গে পর্দায় ফিরে যা বললেন জয়

নব্বই দশকের শেষ দিকে কাছাকাছি সময়েই দীপা খন্দকার ও শাহরিয়ার নাজিম জয়ের বিনোদন অঙ্গনে পথচলা শুরু হয়েছিল। পেশাগত জীবনের ব্যবধান এক বছরের হলেও দুজনের মধ্যে চমৎকার সম্পর্ক। বহু নাটক ও টেলিছবিতে একসঙ্গে অভিনয় করেছেন তাঁরা। তবে পর্দায় তাঁদের একসঙ্গে দেখা যায়নি এক যুগ। দীর্ঘ সেই বিরতি কাটিয়ে আবারও একসঙ্গে অভিনয়ে ফিরছেন জয় ও দীপা। নতুন এই নাটকের নাম ‘মায়ার বাঁধন’। পরিচালক যুবরাজ খান।

দীপা খন্দকার

দীপা খন্দকার এখন ঢাকার বিনোদন–দুনিয়ার ‘জাতীয় ফুফু’। জনপ্রিয় নাটক এটা আমাদেরই গল্পতে ফুফু চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মনে এ নামে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। শুটিং স্পট, আড্ডা কিংবা কোথাও ঘুরতে গেলেও অনেকেই তাঁকে ‘ফুফু’ বলে সম্বোধন করেন। ব্যাপারটি বেশ উপভোগই করেন দীপা। অন্যদিকে অভিনয়, উপস্থাপনা ও পরিচালনা—সব মিলিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন শাহরিয়ার নাজিম জয়।

শাহরিয়ার নাজিম জয়

জানা গেছে, ১৬, ১৭ ও ১৮ মে টানা তিন দিন ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ‘মায়ার বাঁধন’ নাটকটির শুটিং হবে। দীর্ঘ বিরতির পর আবার একসঙ্গে কাজ করতে যাচ্ছেন, এমন খবরে আনন্দিত তাঁরা। শাহরিয়ার নাজিম মজা করে বলেন, ‘আমরা যখন সর্বশেষ অভিনয় করেছিলাম, তখন নায়ক–নায়িকা ছিলাম। এখনো নায়ক–নায়িকা, তবে গল্পের। দুজনের চরিত্রও বেশ পরিণত।’

দীপা খন্দকার

নাটকে জয় ও দীপা খন্দকারকে  স্বামী–স্ত্রীর চরিত্রে দেখা যাবে। তাঁদের দুই সন্তানের চরিত্রে অভিনয় করবেন নবাগত দুই তরুণ–তরুণী। দীপা খন্দকার বললেন, ‘গল্পটা খুবই চমৎকার। পরিবারের গল্প। শোনার পর ভীষণ ভালো লেগেছে, তাই কাজটা করার ব্যাপারে আগ্রহী হয়েছি।’

শাহরিয়ার নাজিম জয়

নাটকটির গল্প প্রসঙ্গে পরিচালক যুবরাজ খান জানান, এটি মূলত মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের গল্প। পরিবারের বাবার চাকরি একসময় চলে যায়। শুরু হয় টানাপোড়েনের জীবন। কিন্তু সংকটের মধ্যেও সন্তানদের প্রতি মা–বাবার ভালোবাসা ও যত্ন কমে না। তবে পরিবারের সবার বাড়তি নজর থাকে ছেলের দিকে। অন্যদিকে মেয়েটি নীরবে পরিবারের জন্য কাজ করে যায়, দায়িত্ব পালন করে। গল্পের এক পর্যায়ে এমন একটি ঘটনা ঘটে, যা সবাইকে হতবাক করে। ঈদুল আজহায় ‘মায়ার বাঁধন’ নাটকটি প্রচার হবে।