তাং ওয়েই
তাং ওয়েই

৪৭ বছর বয়সে মা হওয়ার খবরে আলোচনায়, কে এই অভিনেত্রী

৪৭ বছর বয়সে দ্বিতীয়বার মা হলেন অভিনেত্রী তাং ওয়েই। পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছেন তিনি। বুধবার এই সুখবর জানানো হয় তাঁর পক্ষ থেকে। খবরটি প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তদের শুভেচ্ছা আর অভিনন্দনে ভাসছেন চীনের জনপ্রিয় এ অভিনেত্রী। অনেকেই নতুন সদস্যকে স্বাগত জানিয়ে তাং ওয়েই ও তাঁর পরিবারের জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন।

তাং ওয়েইয়ের প্রতিনিধি জানিয়েছেন, দক্ষিণ কোরিয়ার চলচ্চিত্র পরিচালক কিম তে-ইয়ং ও তাং ওয়েই দম্পতির এটি দ্বিতীয় সন্তান। বুধবার তাং ওয়েই চীনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম উইচ্যাট মোমেন্টসে একটি ছবি পোস্ট করেন। সেখানে দেখা যায়, পরিবারের চার সদস্য হাত ধরে আছেন। ছবির সঙ্গে ছিল নবজাতককে উৎসর্গ করে কিম তে-ইয়ংয়ের আঁকা একটি ঘোড়াশাবকের ছবিও। প্রথম সন্তান সামারের কথা উল্লেখ করে তাং ওয়েই লেখেন, ‘এখন আমাদের চার সদস্যের পরিবারের যাত্রা শুরু হলো।’

এই ঘোষণার আগে কয়েক মাস ধরেই তাঁর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর নিয়ে জোর গুঞ্জন চলছিল। চলতি বছরের এপ্রিলে সাংহাইয়ে একটি বিলাসবহুল ব্র্যান্ডের অনুষ্ঠানে বেবি বাম্পসহ দেখা যাওয়ার পর সেই জল্পনা আরও জোরালো হয়। পরে স্বামী কিম তে-ইয়ং ও মেয়ে সামারের সঙ্গে একটি পারিবারিক ছবি প্রকাশ করে গর্ভধারণের খবর নিশ্চিত করেন তিনি। তখন তাং লিখেছিলেন, ‘আমরা খুবই খুশি। আমাদের পরিবারে নতুন একজন সদস্য যোগ দিচ্ছে। সবাই শিশুটির সঙ্গে দেখা করার অপেক্ষায় আছে।’ গত মাসে হংকংয়ে এই দম্পতিকে একসঙ্গে দেখা যাওয়ার পর অনলাইনে আবারও সন্তান জন্মের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে।

কে এই তাং ওয়েই

১৯৭৯ সালে চীনে জন্ম নেওয়া তাং ওয়েই অভিনয়ে অভিষেক হয় ২০০৪ সালে। তবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পরিচিতি পান ২০১০ সালের চলচ্চিত্র ‘লেট অটাম’-এর মাধ্যমে। এই ছবির শুটিংয়েই দক্ষিণ কোরিয়ার পরিচালক কিম তে-ইয়ংয়ের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। সেই পরিচয় প্রেমে গড়ায়, পরে ২০১৪ সালে বিয়ে করেন তাঁরা।

২০১৬ সালে জন্ম নেয় তাঁদের প্রথম কন্যাসন্তান সামার। প্রায় এক দশক পর এবার পরিবারে এল দ্বিতীয় সন্তান। পরিচালক কিম তে-ইয়ং ‘লেট অটাম’সহ একাধিক প্রশংসিত চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য পরিচিত। আর অভিনয়জীবনে তাং ওয়েই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন চীনের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনের অন্যতম আলোচিত অভিনেত্রী হিসেবে।
৪৭ বছর বয়সে দ্বিতীয়বার মা হওয়ার খবরটি প্রকাশের পর থেকেই চীন, দক্ষিণ কোরিয়াসহ বিভিন্ন দেশের ভক্তরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন। অনেকেই লিখেছেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর তাঁদের পরিবারে নতুন সদস্যের আগমন আনন্দের সংবাদ।