কান চলচ্চিত্র উৎসবে ‘কান ডক্স’-এ অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশের চার তরুণ নির্মাতা এস এম কামরুল আহসান, কাজী আরেফিন আহমেদ, সুমাইয়া বিনতে সেলিম ও সুমন দেলোয়ার
কান চলচ্চিত্র উৎসবে ‘কান ডক্স’-এ অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশের চার তরুণ নির্মাতা এস এম কামরুল আহসান, কাজী আরেফিন আহমেদ, সুমাইয়া বিনতে সেলিম ও সুমন দেলোয়ার

কানে নিজেদের গল্প নিয়ে চার বাংলাদেশি নির্মাতা

এবারের কান চলচ্চিত্র উৎসবে আছেন বাংলাদেশের চার নির্মাতা কাজী আরেফিন আহমেদ, চিত্ত আনন্দী, এস এম কামরুল আহসান ও সুমন দেলোয়ার। আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দ্য চিটাগংয়ের উদ্যোগে তাঁরা এবার অংশ নিয়েছেন কান ডক্সে। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান ব্রুনো লাক্রাম্প। মার্চে দ্যু ফিল্মের বিভিন্ন সভা, পিচিং সেশন ও নেটওয়ার্কিং আয়োজনে তাঁরা নিজেদের ডকুমেন্টারি চলচ্চিত্রের জন্য আন্তর্জাতিক সহপ্রযোজক, পরিবেশক ও অর্থায়নের সহযোগিতা খুঁজছেন।

বাংলাদেশি নির্মাতাদের চলচ্চিত্রগুলোয় উঠে এসেছে ব্যক্তি ও সমাজের নানা সংকট, স্মৃতি, পরিচয় ও টিকে থাকার গল্প। কাজী আরেফিন আহমেদের ‘অপেক্ষা’ নির্মিত হয়েছে ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত তাঁর দাদিকে ঘিরে। স্মৃতিভ্রংশের ভেতর একজন মানুষের ধীরে ধীরে হারিয়ে যাওয়ার বেদনাকে তিনি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে তুলে ধরছেন। একই ভাবনার একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের জন্য তিনি এর আগে আন্তর্জাতিক সমালোচক সংগঠন ফিপরেস্কি পুরস্কার পেয়েছিলেন।

আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দ্য চিটাগংয়ের উদ্যোগে তাঁরা এবার অংশ নিয়েছেন কান ডক্সে

সুমন দেলোয়ারের ‘মাই কাজিন’-এ দেখা যায়, এইচআইভি পজিটিভ হয়ে দেশে ফিরে আসা এক প্রবাসী শ্রমিকের জীবনসংগ্রাম ও সামাজিক বিচ্ছিন্নতার গল্প।
এস এম কামরুল আহসানের ‘ইন সার্চ অব হার’ অনুসরণ করেছে দুই ডাচ দত্তক সন্তানের বাংলাদেশে ফিরে নিজেদের শিকড় খোঁজার যাত্রা। চিত্ত আনন্দীর ‘ব্লু-কলারস ফ্রম দ্য ফ্রন্টলাইন’ চলচ্চিত্রে উঠে এসেছে তিন প্রজন্মের নারীর শ্রম, বেঁচে থাকা ও সংগ্রামের গল্প।

কাজী আরেফিন আহমেদে বলেন, কানের মতো আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে অংশ নেওয়ার মাধ্যমে তাঁদের চলচ্চিত্র বিশ্বব্যাপী দর্শক, প্রযোজক ও চলচ্চিত্র-সংশ্লিষ্টদের সামনে পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হচ্ছে।
আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দ্য চিটাগংয়ের পাশাপাশি এই উদ্যোগে সহয়তা করেছে বিসুবো আর্ট অর্গানাইজেশন এবং ফরাসি সাংস্কৃতিক ও সৃজনশীল শিল্প কর্মসূচি (পিআইসিসি)।