আজকের পুষ্টি কথা

ওজন কমায়, সুস্থ রাখে যে খাবার

বাড়তি ওজন নিয়ে মহা সমস্যায় পড়েছেন? খাওয়াদাওয়া প্রায় ছেড়ে দিয়েও কোনো লাভ হচ্ছে না? হাল ছাড়বেন না। দিনে আধা ঘণ্টা হাঁটাহাঁটি, হালকা ব্যায়াম করুন। এ ছাড়া সকাল, বিকেল ও রাতে এই খাবারগুলো খান—ওজন কমবে, সুস্থও থাকবেন।
তরমুজ: গবেষণায় দেখা গেছে, সেই খাবারই ওজন কমাতে সাহায্য করে, যাতে রয়েছে প্রচুর পানি। তরমুজে রয়েছে প্রায় ৯০ ভাগ পানি। জাপানের টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা জানান, যাঁরা নিয়ম করে তরমুজ খান, তাঁরা কোমরের মেদ ঝরাতে সক্ষম হন। তরমুজে আছে প্রচুর ভিটামিন, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও খনিজ পদার্থ। ফলে তরমুজ খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতাও বাড়ে।
ব্রকোলি: ব্রকোলিতে রয়েছে প্রচুর খাদ্য আঁশ। সালাদের সঙ্গে ব্রকোলি ও বাদাম মিশিয়ে খেলে দ্রুত ওজন করে। এ ছাড়া ব্রকোলির নানা ধরনের ভিটামিন ও খনিজ উপাদান ক্যানসার প্রতিরোধেও বড় ভূমিকা রাখে।
বাঁধাকপি: বাঁধাকপিতে প্রচুর ভিটামিন সি রয়েছে। এটি ওজন কমানোর পাশাপাশি শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। হালকা সেদ্ধ অথবা কাঁচা বাঁধাকপি সামান্য ভিনেগার দিয়ে সালাদের সঙ্গে খেয়ে নিতে পারেন।
ফুলকপি: ফুলকপিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ফলেট ও পটাশিয়াম রয়েছে। ক্যানসার প্রতিরোধে ব্রকোলির মতোই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে এর।
বাতাবিলেবু: গুণাগুণ বিচার করে গবেষকেরা বাতাবিলেবুকে বলছেন সুপার ফুড। এতে প্রচুর ভিটামিন সি, ফলিক অ্যাসিড, পটাশিয়াম, পেকটিন ও খাদ্য আঁশ আছে। যাঁরা হৃদ্রোগে ভুগছেন, বিশেষ করে যাঁদের রক্তনালি সরু হওয়ার প্রবণতা রয়েছে, তাঁদের জন্য বাতাবিলেবু খুব উপকারী।
লেটুস: ওজন কমাতে লেটুস খুব কার্যকর ভূমিকা রাখে। এতে রয়েছে ভিটামিন বি, ফলিক অ্যাসিড ও ম্যাঙ্গানিজ। লেটুস রক্তের শর্করা কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে বলে গবেষণায় দেখা গেছে।
পালংশাক: পালংশাকে রয়েছে লোহা, ফলিক অ্যাসিড, ভিটামিন কে, বিটা ক্যারোটিন ও ভিটামিন সি। এ ছাড়া এতে রয়েছে লুটিন নামের রাসায়নিক যৌগ, যা চোখের সুরক্ষা দেয়। প্রচুর আঁশ থাকায় পালংশাক ওজন কমায়, শরীরও সুস্থ রাখে।
তথ্যসূত্র: হেলথ ডটকম