কী করি আমি

স্মার্ট হবেন কীভাবে?

সারা দিনের কাজের মধ্য দিয়ে আরও বেশি সামাজিক সংযোগ তৈরি করুন। ছবি: প্রথম আলো
সারা দিনের কাজের মধ্য দিয়ে আরও বেশি সামাজিক সংযোগ তৈরি করুন। ছবি: প্রথম আলো

স্মার্ট আবার কীভাবে হওয়া যায়, তাই না? মস্তিষ্কের ব্যায়াম করেই এটা সম্ভব। যেমন আপনি চোখ বন্ধ করে এক পায়ে দাঁড়িয়ে, আরেক পা হাঁটু ভাঁজ করে মেঝের সমান্তরালে ওপরে উঠিয়ে রেখে, দুই হাতে শক্ত করে ধরে রাখুন পাঁচ সেকেন্ড। এটা মস্তিষ্কের একটা চমত্কার ব্যায়াম। এই ব্যায়াম আপনার চিন্তার সংযোগসূত্রগুলো সতেজ করবে, আপনি হবেন আরও একটু প্রাণবন্ত। এ রকম আরও কিছু ব্যায়াম আপনার আইকিউ বাড়াতে সাহায্য করবে, আপনি হবেন আরও স্মার্ট।
১. যাঁদের ডান হাত প্রধান, তাঁরা বাঁ হাতে দাঁত ব্রাশ করুন। গবেষণায় দেখা গেছে, হাত থেকে পাওয়া স্পর্শানুভূতির তথ্য বিশ্লেষণ ও প্রয়োগের মাধ্যমে মস্তিষ্কের যে অংশ কাজ করে, তার বিপরীত অংশ ব্যবহারের মাধ্যমে সেই সক্রিয় এলাকার দ্রুত প্রসারণ ঘটে। এতে মন সজীব হয়।
২. গোসলের সময় চোখ বন্ধ করে ঝরনার নিচে দাঁড়িয়ে শুধু হাতের স্পর্শ দিয়ে অবস্থান বুঝে নিয়ে পানির কল ঘুরিয়ে পানি ছাড়ুন। যদি ঠান্ডা-গরম পানি মেশানোর ব্যবস্থা থাকে, তাহলে দুই হাতে দুই কল সাবধানে ঘুরিয়ে প্রয়োজনীয় উষ্ণতার পানি প্রবাহ নিশ্চিত করুন। এরপর চোখ বন্ধ রেখেই সাবান দিন, শ্যাম্পু করুন।
৩. দেয়াল থেকে ফ্রেমে বাঁধানো ছবি নামিয়ে চোখের সামনে উল্টো করে ধরুন। যখন ছবি সোজাভাবে থাকে, আপনার মস্তিষ্কের বাঁ পাশ দেখে সব ঠিক আছে। তখন মনোযোগ অন্যদিকে সরিয়ে নেয়। কিন্তু যখন দেখে ছবিটা উল্টো হয়ে ঝুলছে, তখন মস্তিষ্কের ডান অংশ কাজ শুরু করে। ছবির রং, আকার ও গোলমেলে অবস্থানের সঙ্গে চারপাশের সম্পর্কসূত্র বিশ্লেষণের চেষ্টা করে।
৪. অপরিজ্ঞাত বা খেয়ে অভ্যস্ত নন এমন খাবার গ্রহণ করুন। আমাদের ঘ্রাণেন্দ্রীয় নাকের মধ্যে রিসেপ্টরগুলোর প্রয়োজনীয় সম্মিলন ঘটিয়ে হাজার হাজার গন্ধের মধ্যে পার্থক্য করতে পারে। এর সঙ্গে মস্তিষ্কের আবেগ-অনুভূতি কেন্দ্রের সরাসরি যোগ রয়েছে। তাই নতুন গন্ধ অভাবনীয় অনুভূতি ও সম্পর্কসূত্র গড়তে পারে।
৫. সারা দিনের কাজের মধ্য দিয়ে আরও বেশি সামাজিক সংযোগ তৈরি করুন। গবেষণায় দেখা গেছে, সামাজিক বিচ্ছিন্নতা আরও জানা-বোঝার পথে বাধা সৃষ্টি করে। তাই যত বেশি সম্ভব মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করুন।
সূত্র: রিডার্স ডাইজেস্ট, এশিয়া, এপ্রিল ২০১৫