
কোথাও যাচ্ছেন। আলমারি থেকে প্রিয় হাতাকাটা পোশাকটি বের করলেন। দেখা গেল, কোনো পোশাকেই আপনাকে মানাচ্ছে না। হাতের বাহু অস্বাভাবিক মোটা লাগছে। মনটা খারাপ হয়ে গেল! মন খারাপ হওয়ার আগে ভাবুন, হাতের মাংসপেশি বাড়তে দেওয়া যাবে না। অনেকের দৈহিক গড়নটাই এমন। কিন্তু নিয়মিত ব্যায়াম করলে হাতের গঠন সুন্দর হতে পারে।
পরামর্শ দিলেন ঢাকার অ্যাডোনাইজ ফিটনেস সেন্টারের প্রশিক্ষক অন্তরা হোসেন। তিনি বললেন, নিয়মিত তিন ধরনের ব্যায়ামে বাহুর গঠন সুঠাম হয়। এর জন্য প্রয়োজন এক জোড়া ডাম্বেলের। প্রথম দিকে কম ওজনের ডাম্বেল দিয়ে ব্যায়াম করতে পারেন। এরপর আস্তে আস্তে ওজন বাড়িয়ে নেওয়া যাবে।
এক কেজি ওজনের ডাম্বেল দিয়ে ব্যায়াম শুরু করা যেতে পারে। ডাম্বেল ছাড়া হালকা ওজনের অন্য কোনো কিছু দিয়ে ব্যায়াম করলে হাতের চামড়া ঢিলে হয়ে যেতে পারে। পেশি ও চামড়া টান টান রাখার জন্য ডাম্বেল ব্যবহার করা ভালো বলে জানালেন অন্তরা।
হাতের বাহুর তিনটি অংশ। অন্তরা বললেন তিনটি অংশের জন্য তিন ধরনের ব্যায়াম করতে হয়। বাহুর সামনের অংশকে বলা হয় বাইসেপ। তার ঠিক পেছনের অংশকে বলা হয় ট্রাইসেপ। আর এ দুটোর মাঝখানের অংশকে বলা হয় ডেল্টয়েড। ধাপে ধাপে তিনটি ব্যায়াম দেখিয়ে দিলেন অন্তরা।
১. বাইসেপের জন্য বাইসেপ কার্লস
ডাম্বেল নিয়ে এভাবে হাত ভাঁজ করে নির্দিষ্ট উচ্চতায় ওঠাতে হবে। এরপর নামিয়ে নিতে হবে। এভাবে ওঠানামা করাতে হবে।
২. ট্রাইসেপের জন্য ট্রাইসেপ কিকব্যাক
শরীরকে এভাবে কিছুটা বাঁকিয়ে ডাম্বেল নিয়ে হাতকে ভাঁজ করে সামনে এবং ভাঁজ খুলে পেছনে আনা-নেওয়া করতে হবে।
৩. ডেল্টয়েডের জন্য সাইড ডাম্বেল লেটারাল রেইজেস
সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে ডাম্বেল হাতে নিয়ে এভাবে কাঁধের উচ্চতা বরাবর তুলতে হবে। আবার নামিয়ে নিতে হবে। এভাবে ওঠানামা করাতে হবে।
অন্তরা পরামর্শ দিলেন—একটি ব্যায়ামও যেন তাড়াহুড়া করে না করা হয়। ধীরে ধীরে করতে হবে। না হলে মাংসপেশি ছিঁড়ে যেতে পারে।