চেনা ৭টি পাখির অন্য রকম ছবি দেখুন

ঢাকার নটর ডেম কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী পৃথু ইম্মানুয়েল গমেজ। কলেজের ফটোগ্রাফি ক্লাবে সদস্য পৃথু ভালোবাসেন পাখির ছবি তুলতে। দেশের বিভিন্ন স্থান ঘুরে তাঁর তোলা সাতটি চেনা পাখির অন্য রকম ছবি রইল এখানে—

উল্টো হয়ে ঝুলে থাকা পাখিটি নীলগলা বসন্তবাউরি। উজ্জ্বল সবুজ রঙের শরীর, টুকটুকে লাল মাথা এবং গলার গাঢ় নীল রঙের মিশ্রণের কারণে এরা সহজে নজর কাড়ে। ঘন সবুজ পাতার আড়ালে এরা এমনভাবে লুকিয়ে থাকে যে সহজে চোখে পড়ে না
ছবি: পৃথু ইম্মানুয়েল গমেজ
চোখজুড়ানো হালকা নীল রঙের পাখিটি নীলকান্তমণি বা নীল চুটকি। বাংলাদেশে মূলত শীতকালীন পরিযায়ী পাখি হিসেবে বনাঞ্চলে দেখা যায়। এরা উড়ন্ত অবস্থায় পোকামাকড় শিকার করতে পারে
উজ্জ্বল হলুদ রঙের মিষ্টি পাখিটি ফটিকজল। বাংলাদেশের অন্যতম সুরেলা গানের পাখি। প্রজনন ঋতুতে পুরুষ পাখিটি স্ত্রী পাখিকে আকৃষ্ট করতে শূন্যে প্রায় অ্যাক্রোবেটিক কায়দায় ডিগবাজি খায় এবং নিজের পালক ফুলিয়ে বলের মতো গোল হয়ে গান গাইতে থাকে
গা ঝাড়া দিতে থাকা পাখিটির নাম ঝুঁটি শালিক বা জংলি শালিক। পাখিটি সাহসী ও চটপটে। মানুষের গলার স্বর বা অন্য পাখির ডাক হুবহু নকল করার অসাধারণ ক্ষমতাও আছে এদের। এরা সামাজিক, দলবদ্ধভাবে থাকতে পছন্দ করে
ডানা মেলে উড়ে চলা পাখিটির নাম সবুজ সুইচোরা। কেউ কেউ ডাকেন বাঁশপাতি বলে। এই পাখিরা তিরের মতো দ্রুতগতিতে ছুটে গিয়ে নিখুঁত শিকার করতে পারে। এদের খাবারের তালিকায় প্রধানত মৌমাছি, বোলতা ও ফড়িং থাকে। এদের লেজের মাঝখানে সুতার মতো দুটি লম্বা পালক বা সুই থাকে, যা আকাশে ওড়ার সময় দিক পরিবর্তনে সাহায্য করে
বাংলাদেশের জাতীয় পাখি দোয়েল। গ্রামগঞ্জ ও শহরের প্রকৃতিতে বহুল পরিচিত এই চঞ্চল পাখি। ছবিটির মতোই এরা বসার সময় নিজেদের লম্বা ও চমৎকার লেজটি ওপরের দিকে খাড়া করে রাখতে পছন্দ করে
মেছো ইগল বা কুড়া পাখিটি তীক্ষ্ণ নখর দিয়ে শিকার করা মাছটি নিয়ে সুনীল আকাশে উড়ে চলেছে। মেছো ইগলের এই মাছ শিকার দেখার সৌভাগ্য হয়েছিল ঢাকার কাছেই পুবাইলে