শার্ট বললে একসময় সিল্ক, সাটিনের মতো কাপড়ের কথাই মনে পড়ত বেশি। তবে আবহাওয়া ও পছন্দ বদলানোর সঙ্গে সঙ্গে সেই চিত্রও বদলাচ্ছে।
এখন আরামদায়ক, নরম ও দৈনন্দিন ব্যবহারের উপযোগী কাপড়ের দিকে ঝুঁকছেন ক্রেতারা। সেই জায়গায় সুতির শার্টও পাচ্ছে বাড়তি গুরুত্ব।
পোশাকের ব্র্যান্ড অম্বরের স্বত্বাধিকারী শ্রাবণী রায় বলেন, ‘গরমের আবহাওয়ায় আরামের বিষয়টি এখন ক্রেতারা বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন, তাই সুতির শার্টের প্রতি আগ্রহও আগের তুলনায় বেড়েছে। আবহাওয়ার পাশাপাশি দামের বিষয়টিও আমরা গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করেছি। তাই সবার সাধ্যের মধ্যে রাখার লক্ষ্যেই শার্টের দাম ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে নির্ধারণ করা হয়েছে।’
পোশাকের ব্র্যান্ড ভার্গোর সিনিয়র ম্যানেজার (মার্কেটিং ও ই-কমার্স) বিদ্যুৎ চন্দ্র দাস বলেন, ‘আবহাওয়া ও তাপমাত্রার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ক্রেতারা তুলনামূলকভাবে বেশি আরামদায়ক, নরম ও মসৃণ কাপড়ের পোশাকের দিকে ঝুঁকছেন। আবহাওয়ার এই ধারা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে সুতির পোশাকের প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ আরও বাড়বে।’
গরমের দেশের পোশাকে স্বস্তির বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। তাই সুতির পাশাপাশি কাপড়ের রং ও নকশায়ও রাখা হচ্ছে কোমলতার ছোঁয়া। ফুলেল, অ্যাবস্ট্রাক্ট ও জ্যামিতিক নকশার সঙ্গে কোমল ও হালকা রঙের ব্যবহার পোশাকে তৈরি করছে স্বস্তিদায়ক আবহ।
চেক শার্ট ফরমাল পোশাকে, আর প্রিন্টের শার্ট ক্যাজুয়াল সাজে বেছে নেওয়ার সুযোগ থাকছে। চেকের প্যাটার্নও এমনভাবে নির্বাচন করা হচ্ছে, যাতে বিভিন্ন গড়নের মানুষ স্বচ্ছন্দে পরতে পারেন। সব মিলিয়ে শার্টের ফ্যাশনে সিল্ক-সাটিনের পাশাপাশি সুতির উপস্থিতি এখন আগের চেয়ে স্পষ্ট।