
প্রিয়জন বা বন্ধুর সঙ্গে কথা বলার সময়, ইন্টারভিউ বোর্ডে বা অপরিচিত কারও সঙ্গে পরিচিত হওয়ার মুহূর্তে মুখের দুর্গন্ধ আপনাকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলে দিতে পারে। এ জন্য কমে যেতে পারে সমাজে আপনার মেলামেশা, গ্রহণযোগ্যতা। আপনি আক্রান্ত হতে পারেন হীনম্মন্যতা বা বিষণ্নতায়।
গবেষণায় দেখা গেছে, প্রধানত মুখের খাদ্যকণা থেকে বিপাকীয় পদ্ধতিতে নির্গত জীবাণুসমূহ থেকে অ্যামাইনো অ্যাসিড তৈরি হয়, যা এই দুর্গন্ধের জন্য দায়ী।
এ সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের তিন ভাগে ভাগ করা যায়। সত্যিকারের মুখের দুর্গন্ধযুক্ত রোগী, কৃত্রিম মুখের দুর্গন্ধযুক্ত রোগী ও মুখের দুর্গন্ধ সম্পর্কে আতঙ্কিত/ভীত রোগী। সত্যিকারের মুখের দুর্গন্ধযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে
পরামর্শ:
দুর্গন্ধের কারণ হিসেবে সুনির্দিষ্টভাবে কয়েকটি কারণকে চিহ্নিত করা যায়:
তা ছাড়া দেহের অন্যান্য রোগের কারণেও মুখে দুর্গন্ধ হতে পারে, যেমন পেপটিক আলসার বা পরিপাকতন্ত্রের রোগ, লিভারের রোগ, গর্ভাবস্থা, কিডনি রোগ, রিউমেটিক বা বাতজনিত রোগ, ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র, হাইপার টেনশন বা উচ্চ রক্তচাপ, গলা বা পাকস্থলীর ক্যানসার, এইডস রোগ, হৃদ্রোগ, মানসিক রোগ, নাক, কান ও গলার রোগ ইত্যাদি।
মুখের ও দাঁতের সমস্যাগুলো দূর করার পরও যদি দুর্গন্ধ থেকে যায়, তবে দেহের অন্যান্য সাধারণ রোগের উপস্থিতির পরীক্ষাগুলো করিয়ে নেওয়া ভালো। এ ছাড়া জীবনযাপনের পদ্ধতিতে আনতে হবে কিছু পরিবর্তন।
হরেক ব্র্যান্ডের মাউথওয়াশ/ স্প্রে ইত্যাদি ব্যবহারের ফল কত দূর পাওয়া যায়, তা বলা মুশকিল। তবে মুখে দুর্গন্ধ হলে ঘরে বসে আপনি যা করবেন:
সাম্মানিক উপদেষ্টা, দন্ত বিভাগ, বারডেম হাসপাতাল