
পায়ুপথের ক্যানসারের নানাবিধ কারণ আছে। এর মধ্যে একটি হলো সংক্রমণ। হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) নামক ভাইরাস সংক্রমণের ফলে পায়ুপথের ক্যানসার হওয়ার আশঙ্কা থাকে। অনেকাংশেই এই ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধ করে রোগটি প্রতিরোধ করা সম্ভব।
কারা এই রোগে আক্রান্ত হন
হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাসে সংক্রমিত ব্যক্তি
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যাঁদের কম
যাঁদের পরিবারে যোনিদ্বার, যোনিপথ ও সারভাইক্যাল ক্যানসারের ইতিহাস আছে
একাধিক যৌনসঙ্গী বা সঙ্গিনী
সমকামী বা পায়ুসঙ্গম যাঁরা করেন
ধূমপান
কেন হয়
হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস বা এইচপিভি সংক্রমণ একটি সাধারণ যৌনবাহিত রোগ। এটি মূলত ত্বকের সঙ্গে ত্বকের সংস্পর্শের কারণে হয়। সাধারণত যৌনসঙ্গীর মাধ্যমে এটি বেশি ছড়ায়। বেশির ভাগ মানুষ এই ভাইরাস সংক্রমণের তীব্র ঝুঁকিতে থাকে। নারীদের জরায়ুমুখ ক্যানসারের একটি অন্যতম কারণ হলো এই ভাইরাস। তবে নারী-পুরুষের পায়ুপথের ক্যানসারও হতে পারে এই সংক্রমণের কারণে।
রোগের লক্ষণ
মলদ্বার দিয়ে টাটকা রক্তক্ষরণ ও রস ঝরা।
মলদ্বারের আশপাশে ফুলে যাওয়া।
মলদ্বারে ব্যথা, চুলকানি।
মলত্যাগের অভ্যাস পরিবর্তন।
কী করবেন
যাঁদের পায়ুপথের ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণগুলো আছে এবং মলদ্বারের আশপাশে লক্ষণগুলো পরিলক্ষিত হয়, তাঁরা অবশ্যই দেরি না করে একজন কলোরেক্টাল সার্জারি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
চিকিৎসক মলদ্বার পরীক্ষা করে রোগ ও রোগের পর্যায় বা স্টেজ নির্ণয় করে চিকিৎসা পদ্ধতি ঠিক করবেন।
চিকিৎসা পদ্ধতি
সার্জারি বা অপারেশন
রেডিওথেরাপি
কেমোথেরাপি
চিকিৎসা পদ্ধতি কী হবে, তা রোগের পর্যায় ও ধরনের ওপর নির্ভর করে।
ডা. মোহা. মেজবাহুল বাহার, সহকারী অধ্যাপক, কলোরেক্টাল সার্জারি বিভাগ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ, ঢাকা