
প্রতিবছরই আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিযোগিতা থেকে পুরস্কার নিয়ে আসেন আমাদের শিক্ষার্থীরা। এবারও বছরের শুরু থেকেই শুরু হয়ে যাক জোর প্রস্তুতি। সামনে কী কী প্রতিযোগিতা আছে? কোন প্রতিযোগিতায় আমাদের অবস্থান কেমন? বিস্তারিত জানব কোথা থেকে? এসব নিয়েই বিশেষ আয়োজন।
বিভিন্ন সামাজিক সমস্যার ‘ব্যবসায়িক সমাধান’ খোঁজার এই প্রতিযোগিতাকে বলা হয় ‘ছাত্রদের নোবেল পুরস্কার’। শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে যেসব আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা হয়, তার মধ্যে সবচেয়ে বড় পুরস্কারগুলোর একটি হাল্ট প্রাইজ। প্রতিবছরই আমাদের শিক্ষার্থীরা এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন। এমনকি ২০১৯ সালে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) দল ‘সেফহুইল’ শীর্ষ ছয় দলের একটি হয়ে একদম চূড়ান্ত পর্বে জায়গা করে নিয়েছিল। বর্তমানে দেশের ১০০–এর বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে হাল্ট প্রাইজের অন-ক্যাম্পাস রাউন্ড অনুষ্ঠিত হয়। ক্যাম্পাস রাউন্ডে নির্বাচিত হয়েই ধাপে ধাপে এগোতে হয়। সাধারণত তিন-চারজনের দল গঠন করে প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে হয়।
বিজয়ী দলের জন্য ১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পুরস্কার।
লন্ডনে ‘ইনকিউবেশন প্রোগ্রামে’ অংশ নেওয়া ও আন্তর্জাতিক মেন্টরশিপের সুযোগ।
নিউইয়র্কের গ্লোবাল সামিটে আইডিয়া উপস্থাপনের সুযোগ।
বিস্তারিত দেখুন এখানে।
বিশ্বের সবচেয়ে বড় হ্যাকাথনগুলোর একটি নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ। এখানে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার দেওয়া উপাত্ত ব্যবহার করে পৃথিবী ও মহাকাশের বিভিন্ন জটিল সমস্যার সমাধান করতে হয়। এই প্রতিযোগিতায় ধারাবাহিকভাবেই ভালো করে আসছে বাংলাদেশের দল। ২০১৮ সালে নাসা ইন্টারন্যাশনাল স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ প্রতিযোগিতায় ‘বেস্ট ইউজ অব ডেটা’ বিভাগে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘টিম অলীক’। ২০২১ সালে ‘বেস্ট মিশন কনসেপ্ট’ বিভাগে চ্যাম্পিয়নের পুরস্কার নিয়ে আসে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) এবং বাংলাদেশ আর্মি ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজির শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে গড়া দল ‘টিম মহাকাশ’। ২০২২ সালে ‘মোস্ট ইন্সপাইরেশনাল’ বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ‘টিম ডায়মন্ডস’। ২০২৩ সালে ‘বেস্ট স্টোরিটেলিং’ বিভাগে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয় বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দল ‘টিম ভয়েজার্স’। অতএব এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের চর্চাটা দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়েই চলে সারা বছর।
নাসার রকেট উৎক্ষেপণ সরাসরি দেখার আমন্ত্রণ।
নাসার বিজ্ঞানীদের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ ও বৈশ্বিক স্বীকৃতি।
বিস্তারিত দেখুন এখানে।
শেষ বর্ষে থিসিস বা গবেষণাপত্র তৈরি করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন? অনুপ্রেরণা হতে পারে এই প্রতিযোগিতা। স্নাতক পর্যায়ের গবেষণাকেই পুরস্কৃত করে ‘গ্লোবাল আন্ডারগ্র্যাজুয়েট অ্যাওয়ার্ডস’। বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নিয়মিতই এতে ‘আঞ্চলিক বিজয়ী’ হয়ে আয়ারল্যান্ডে দেশের প্রতিনিধিত্ব করে। ২৫টি ভিন্ন ভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিশ্বের সেরা মেধাবীদের সঙ্গে এখানে মেধার লড়াই হয়। তবে সঠিক তথ্য ও নির্দেশনার অভাবেই সম্ভবত আন্তর্জাতিক এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সাফল্যের হার তুলনামূলক কম। ২০২৪ সালে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্যের শিক্ষার্থী জারীন তাসনীম শরীফ এই পুরস্কার জিতেছিলেন।
আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনে আয়োজিত গ্লোবাল সামিটে অংশগ্রহণের সুযোগ।
আন্তর্জাতিক মানের জার্নালে গবেষণাপত্র প্রকাশ।
বিস্তারিত দেখুন এখানে।
আইসিপিসিকে বলা হয় প্রোগ্রামিংয়ের বিশ্বকাপ। এটি কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আসর। বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা প্রতিবছর শুধু যে এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন, তা নয়; ২০২২ সালে বাংলাদেশই ছিল চূড়ান্ত আসরের (ওয়ার্ল্ড ফাইনালস) আয়োজক। ডেটা স্ট্রাকচার ও অ্যালগরিদমে দক্ষ শিক্ষার্থীদের জন্য এই প্রতিযোগিতাই হলো সবচেয়ে বড় ‘ব্যাটলগ্রাউন্ড’ (প্রতিযোগিতাক্ষেত্র)। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশসহ বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানই আইসিপিসিতে নিয়মিত ভালো ফল করে আসছে। তবে আরও ভালো করার সুযোগ আছে। সেই লক্ষ্যেই দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। আপনি যদি প্রোগ্রামিং বা কোডিংয়ে আগ্রহী হয়ে থাকেন, আপনার ক্যাম্পাসে যাঁরা প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় নিয়মিত অংশ নেন, তাঁদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যেতে পারেন।
বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে (যেমন গুগল, মেটা) কাজের সুযোগ।
আন্তর্জাতিক প্রোগ্রামিং কমিউনিটিতে শক্তিশালী অবস্থান ও স্বীকৃতি।
বিস্তারিত দেখুন এখানে।
বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের কাছে এই প্রতিযোগিতা বেশ জনপ্রিয়। সারা বিশ্বেও ইউনিভার্সিটি রোভার চ্যালেঞ্জ (ইউআরসি) অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ রোবোটিকস প্রতিযোগিতা হিসেবে খ্যাত। মঙ্গল গ্রহের উপযোগী রোভার (রোবট) তৈরি করতে হয় ইউআরসিতে। ঢাকার ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ইউআইইউ), ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি), গাজীপুরের ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি (আইইউটি)—এমন বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়মিত ইউআরসিতে অংশ নিচ্ছে, ভালো করছে। গত বছর ইউআইইউ মার্স রোভার টিম এশিয়ায় প্রথম ও বিশ্বব্যাপী ষষ্ঠ স্থান অর্জন করে। আরও ভালো ফল পেতে নিয়মিতই চর্চা চালিয়ে যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক দলগুলো। শিক্ষার্থীদের বিশ্বাস, পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এই প্রতিযোগিতা থেকে আরও সুখবর আসতে পারে বাংলাদেশে।
নাসার বিজ্ঞানী ও বিশ্বের শীর্ষ রোবোটিকস বিশেষজ্ঞদের সামনে নিজের উদ্ভাবন উপস্থাপন।
মহাকাশ গবেষণা ও রোবোটিকস প্রকৌশলের অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ।
আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কিং এবং মহাকাশ গবেষণা সংস্থায় ক্যারিয়ার গড়ার পথ সুগম হওয়া।
বিস্তারিত দেখুন এখানে।
১৯৮০ সালে টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হওয়া এই প্রতিযোগিতাটি বর্তমানে বিশ্বজুড়ে অটোমোটিভ ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সবচেয়ে বড় আসর। এখানে শিক্ষার্থীদের একটি ছোট আকারের ‘ফর্মুলা স্টাইল’ রেসিং কার নকশা ও নির্মাণ করতে হয়। ‘ফর্মুলা এসএই জাপান ২০২৫’ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে গত বছর সার্বিকভাবে র্যাঙ্কিংয়ে ১৮তম স্থান অর্জন করেছিল রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) শিক্ষার্থীদের দল ‘টিম ক্র্যাক প্লাটুন’। ‘পিআর অ্যাওয়ার্ড’ বিভাগে তাঁদের অবস্থান ছিল তৃতীয়। রেসিং কার নিয়ে কাজ করেন—এমন বেশ কিছু কমিউনিটি গড়ে উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয়। সারা বছরই তাঁরা রেসিং কারসংক্রান্ত নানা প্রতিযোগিতার খোঁজখবর রাখেন। তবে এসব গাড়ির সরঞ্জাম সংগ্রহ কিংবা বিদেশে বয়ে নিয়ে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ যেহেতু বেশ ব্যয়বহুল, তাই নানা প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে কাজ করতে হয় তাঁদের।
আন্তর্জাতিক অটোমোবাইল ইন্ডাস্ট্রির বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে সরাসরি কাজ করার অভিজ্ঞতা।
গাড়ির নকশা, উৎপাদন ও মার্কেটিং–সংক্রান্ত ব্যবসায়িক জ্ঞান অর্জন।
বিশ্বের বড় বড় গাড়ি নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানে (যেমন: টয়োটা, হোন্ডা) ক্যারিয়ারের সুযোগ।
বিস্তারিত দেখুন এখানে।
এই প্রতিযোগিতাকে বলা হয় বিতর্কের বিশ্বকাপ। ব্রিটিশ সংসদীয় ব্যবস্থার আদলে আয়োজিত এই আসরে বিশ্বের শতাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতার্কিকেরা অংশ নেন। ২০২২ সালে বাংলাদেশ থেকে এই প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী—সৌরদীপ পাল ও সাজিদ আসবাত খন্দকার। প্রতিযোগিতাটির ওয়েবসাইট বলছে, ২০২৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ৪ জানুয়ারি বুলগেরিয়ায় আয়োজিত বৈশ্বিক এই আসরে এবার বিচারক প্যানেলেও ছিলেন বাংলাদেশের একজন, তিনি সাজিদ আসবাত খন্দকার। বোঝাই যাচ্ছে, বিতর্কের এই বড় আসরে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের বেশ সম্ভাবনা আছে। তাই আগামী আসরে যাঁরা অংশ নিতে চান, এখন থেকেই প্রস্তুতি শুরু করুন।
বিশ্বের সেরা বিতার্কিক ও চিন্তাবিদদের সঙ্গে মেধা যাচাইয়ের সুযোগ।
জটিল বৈশ্বিক ইস্যু নিয়ে বিশ্লেষণাত্মক ও যৌক্তিক ভাবনায় দক্ষতা তৈরি।
আন্তর্জাতিক ডেলিগেট হিসেবে বিদেশের মাটিতে দেশের প্রতিনিধিত্ব করা।
বিস্তারিত দেখুন এখানে।
এটি বিশ্বের বৃহত্তম ও সবচেয়ে পুরোনো মুট কোর্ট প্রতিযোগিতা, যাকে বলা হয় আইন শিক্ষার্থীদের ‘বিশ্বকাপ’। কাল্পনিক আন্তর্জাতিক আদালতে একটি দেশের হয়ে লড়তে হয় শিক্ষার্থীদের। ১৯৬০ সালে শুরু হওয়া এই প্রতিযোগিতায় ২০১৭ সাল থেকে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়সহ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিবছরই মূল আসরে যাওয়ার জন্য লড়াইয়ে অংশ নেয়।
আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারক ও প্রখ্যাত আইনজীবীদের সামনে যুক্তি উপস্থাপনের সুযোগ।
আন্তর্জাতিক আইন ও গবেষণায় নিজেকে বিশ্বমানের করে গড়ে তোলা।
বিশ্বের নামী ল-ফার্ম এবং আইনি সংস্থাগুলোয় কাজের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার।
বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে।
১৮৮৩ সালে শুরু হওয়া এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর তরুণদের কণ্ঠস্বর বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরা হয়। এটি মূলত সাহিত্য ও সৃষ্টিশীল লেখার সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম। প্রতিবছর বাংলাদেশের স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। নিয়মিত গোল্ড ও সিলভার মেডেলও আসছে বাংলাদেশের ঘরে।
আন্তর্জাতিক পর্যায়ে লেখা প্রকাশের সুযোগ ও সনদ।
বিশ্বখ্যাত লেখক ও সাহিত্যিকদের সান্নিধ্য এবং মেন্টরশিপ।
বিজয়ী ও রানারআপ পেতে পারেন লন্ডন ভ্রমণ ও বাকিংহাম প্যালেসে রাজকীয় সংবর্ধনার সুযোগ।
বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে।
স্টার্টআপ ওয়ার্ল্ড কাপ বিশ্বজুড়ে মর্যাদাপূর্ণ স্টার্টআপ প্রতিযোগিতা হিসেবে পরিচিত, যা যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক পেগাসাস টেক ভেঞ্চার্সের উদ্যোগে ১০০টির বেশি দেশে অনুষ্ঠিত হয়। এ প্রতিযোগিতা উদ্ভাবনী স্টার্টআপগুলোকে বিনিয়োগকারী, করপোরেট ব্যক্তিত্ব এবং প্রযুক্তি খাতের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ার একটি অনন্য সুযোগ করে দেয়। বাংলাদেশে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইনোভেশন অ্যান্ড এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ বিভাগ। গত বছর এই প্রতিযোগিতার বাংলাদেশ পর্বে বিজয়ী হয়ে ৫০ হাজার টাকার বিনিয়োগ জিতে নিয়েছিল রোবোলাইফ।
গ্লোবাল উইনারের জন্য থাকে ১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সমমূল্যের বিনিয়োগ পুরস্কার।
সিলিকন ভ্যালিতে বিশ্বসেরা বিনিয়োগকারী ও মেন্টরদের সামনে নিজের স্টার্টআপ উপস্থাপনের সুযোগ।
আন্তর্জাতিক পর্যায়ের নেটওয়ার্কিং এবং ভেঞ্চার ক্যাপিটালিস্টদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ।
বিস্তারিত দেখুন এখানে।