কিমা-ক্যাপসিকামে পুরভরা পিঠা
কিমা-ক্যাপসিকামে পুরভরা পিঠা

কিমা-ক্যাপসিকামে পুরভরা পিঠার রেসিপি

রেসিপি দিয়েছেন আফরোজা নাজনীন

উপকরণ

খামির জন্য: ময়দা ১ কাপ, পানি পরিমাণমতো, ঘি ১ চা–চামচ ও লবণ স্বাদমতো।

পুরের জন্য: মাঝারি আকারের পেঁয়াজ ১টি, কাঁচা মরিচকুচি ৪টি, গরুর সেদ্ধ কিমা ১ কাপ, হলুদগুঁড়া আধা চা–চামচ, শুকনা মরিচগুঁড়া ১ চা–চামচ, আদাবাটা ১ চা–চামচ, রসুনবাটা আধা চা–চামচ, সবুজ ক্যাপসিকামকুচি আধা কাপ, ধনেপাতাকুচি পরিমাণমতো, লবণ স্বাদমতো, তেল পরিমাণমতো ও লবঙ্গ ৪টি।

প্রণালি

প্রথমে এক কাপ ময়দার মধ্যে পরিমাণমতো লবণ দিয়ে, তার সঙ্গে এক চা–চামচ ঘি দিয়ে মেখে নিতে হবে। এরপর একটু একটু পানি দিয়ে একটা ময়ান দিয়ে ডো তৈরি করে নিতে হবে।

কড়াইয়ে পরিমাণমতো তেল দিয়ে, তেলটা একটু গরম হলে এতে পেঁয়াজকুচি দিয়ে নেড়ে পেঁয়াজকুচিটা একটু নরম হলে; হাফ চামচ হলুদের গুঁড়া আর এক চামচ মরিচের গুঁড়া, আদা-রসুনবাটা, লবণ দিয়ে কিছুক্ষণ মসলা কষিয়ে নিতে হবে। কিছুক্ষণ পর যখন তেল উঠে আসবে, তখন এর মধ্যে দিতে হবে সেদ্ধ করা কিমা। কিমা দিয়ে বেশ কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করে ক্যাপসিকামকুচি দিয়ে নেড়ে দিতে হবে। নামানোর আগে কিছুটা ধনেপাতা দিয়ে দিতে হবে। তৈরি হয়ে গেল পিঠার পুর।

কিমা-ক্যাপসিকামে পুরভরা পিঠা বানানো হয়ে গেলে গরম ডুবো তেলে ভেজে নিতে হবে

এবার পিঠা বানানোর পালা। পছন্দমতো শেপে পুর ভরে পিঠা বানানো যায়। ময়দার ডো থেকে কিছুটা করে লেচি কেটে নিয়ে লম্বা করে একটা রুটি বেলে নিতে হবে। মাঝখানে পুর রেখে দুই সাইড থেকে চাকু দিয়ে ফিতার মতো ফালি করে কেটে নিতে হবে। এবার এই ফিতাগুলো দিয়ে পুরটা ঢেকে মাছের শেপে তৈরি করে নিতে হবে মাছ পিঠা। লবঙ্গ দিয়ে মাছের চোখ বানিয়ে নিতে হবে। পিঠা বানানো হয়ে গেলে গরম ডুবো তেলে ভেজে নিতে হবে।