বাঁশের গোড়ার কচি অংশকে বলে কোঁড়ল। ত্রিপুরারা একে বলে ‘মুইয়া’ । এটিকে সবজি হিসেবে খায় তারা। এটি দিয়ে তৈরি করে নানা পদ। মুরগি বা সবজির সঙ্গে মিলিয়ে দিলেই স্বাদে আসে ভিন্নতা। তাদের হেঁশেল থেকে এমনই ২টি রেসিপি দেওয়া হলো। প্রণালি জানিয়েছেন রাঙামাটির ডজী ত্রিপুরা

উপকরণ: খাবার সোডা ১ চা-চামচের ৩ ভাগের ১ ভাগ, ঠান্ডা পানি ৩ গ্লাস (প্রয়োজনে আরও বেশি), বাঁশকোঁড়ল ১ কেজি, শিমের বিচি ৫০ গ্রাম, বরবটি ৩-৪টি, মটরশুঁটি ৫০ গ্রাম, বুটের ডাল ৫০ গ্রাম, লবণ স্বাদমতো, লেবুপাতা ৩-৪টি, মরিচবাটা বা আস্ত ১৫/২০টি, চালের গুঁড়া ৫০ গ্রাম (চাল ভিজিয়ে গুঁড়া করে রাখুন), ধনেপাতা পরিমাণমতো।
প্রণালি: খাবারের সোডা পানিতে মিশিয়ে চুলায় দিন। তারপর বাঁশকোঁড়ল, শিমের বিচি, মটরশুঁটি, বুটের ডাল, বরবটি, লবণ, লেবুপাতা, মরিচ (বাটা বা আস্ত) একসঙ্গে মিশিয়ে সেদ্ধ করে নিন। নরম হয়ে এলে চালের গুঁড়া পানিতে মিশিয়ে দিতে হবে। নামানোর আগে ধনেপাতা দিন।
উপকরণ: দেশি মুরগি ১ কেজি, ছোট মরিচ স্বাদমতো, বাঁশকোঁড়ল ১ কেজি, বড় পেঁয়াজ ২টি, বড় রসুন ১টি, লবণ স্বাদমতো, তেল ২ টেবিল চামচ, হলুদ ১ চিমটি, জুমের খুমচানি অথবা ধনেপাতা পরিমাণমতো।
প্রণালি: বাঁশকোঁড়ল আগেই সেদ্ধ করে নিতে হবে। মসলাগুলো কেটে নিতে হবে। অন্য কোনো মসলা দিতে চাইলেও দিতে পারেন। সবকিছু মিশিয়ে চুলায় দিতে হবে। সেদ্ধ হয়ে এলে জুমের খুমচানি (পাহাড়ে জুমের মসলা পাতা) অথবা ধনেপাতা দিয়ে দিন। এবার ভর্তা করতে হবে।