
সুলতান তুঘলক
দিল্লির পতি
খামখেয়ালিতে ছিল
পরিচিত অতি।
একবার কথা নেই—
ইচ্ছের জোরে
সরাল সে রাজধানী
আরেক শহরে।
দেবগিরি হলো তার
নব রাজধানী
সাথে গেল সভাসদ,
লোক যত মানী।
শুরু হলো নানাবিধ
বাদ, জটিলতা
এলোমেলো প্রশাসন
সব যথাতথা।
ফের তাই দিল্লিকে
রাজধানী করে
সব নিয়ে চলে এল
কিছুদিন পরে।
লোকে করে হাসাহাসি,
কুঁচকানো ভুরু
‘তুঘলকি কারবার’
বচনটা শুরু।
ডুমুরের ফুল হয় ডুমুরের মাঝে
ফুল তার রেণু দিয়ে ভেতরেই সাজে।
দেয় না সে দেখা সব পুষ্পের মতো
একদিন ফুল হয় ফলে পরিণত।
এ সমাজে কিছু লোক এ রকম হয়
আড়ালে লুকিয়ে থেকে হঠাৎ উদয়।
হামেশাই লোকালয়ে দেয় না সে ধুল
তাকে তাই ডাকা হয় ডুমুরের ফুল।
মেলা আর পার্বণে
বেজে যায় ঢাক
দুটো কাঠি দিয়ে বেশ
তাক ধুম তাক।
ঢাক যায় যেই দিকে
কাঠি যায় সাথে
ফুরফুরে ভোরবেলা
দুপুরে বা রাতে।
মানুষের মাঝখানে
আছে কিছু জন
তোষামুদে হয়ে তারা,
ঘোরে ভনভন।
এদের ঢাকের কাঠি
বলা হয় তাই
আমি জানি তুমি জানো
বচনেও পাই।
গৌরীসেনের গল্প এটা, হুগলি ছিল বাড়ি
ছিল বড় ব্যবসায়ী, টাকা কঁাড়ি কঁাড়ি।
গরিব লোকের দুঃখে তাহার মনটা হতো ভার
দয়া, সেবা, দান–খয়রাতে জুড়ি মেলা ভার।
অভাবীদের সাথে ছিল খুবই সখ্য, ভাব
দিয়ে দিত, ব্যবসায়ে যেটাই হতো লাভ
বচন–পদে লোকেরা তাই এটা বলেছেন
কারো যদি লাগে টাকা দেবে গৌরীসেন।