রক্ত ও রোদনভরা এ বরষায়
জলভেজা কফিশপে বসে আছি;
হাওয়ায় উড়ে আসছে ছেঁড়া চিরকুট
আর ভবঘুরে মেঘ—
ফেনা আর ক্যাফেইন ছড়ানো এ রেস্তোরাঁয়
যশরাজ সুরে সুরে বেজে উঠছে বৃষ্টির এসরাজ!
তোমার পায়ের ছাপ ধরে হেঁটে গিয়ে
সন্ধ্যার কিছুটা আগে এ বরষায়
হারিয়ে গিয়েছি জেগে ওঠা এক রক্তজবাবনে—
বনের গহন থেকে এ বরষায় শুধুই শুনেছি
কিয়েভের সৈনিকের ভাঙা ভায়োলিন—
গাজার ত্রাণশিবিরের কাছে ভেঙে পড়তে দেখেছি
খান ইউনিস শহরের ছিটকে পড়া মেহরাব!
তবু তোমার শাড়িতে বৃষ্টির ছাট,
যার মানে তুমি ভিজে যাচ্ছ,
যার মানে তুমি আজ মধুবালা—
হাওয়ায় উড়ছে তোমার কেয়াপাতা শাড়ির মাস্তুল!
গোধূলির কফিশপে বসে আছি;
মারি, মড়ক ও যুদ্ধদিনের এ বরষায়—
কফির ওপরে আঁকা প্রজাপতি মুছে যাচ্ছে,
তুমি আসছ না!