অলংকরণ: প্রথম আলো
অলংকরণ: প্রথম আলো

উৎসব

বাংলা কবিতা ও কথাসাহিত্যে ঈদ

হিজরি দ্বিতীয় সালে শুরু হওয়া মুসলিম সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদ এখন আমাদের অন্যতম প্রধান উৎসব হয়ে উঠেছে। মূলত মদিনাবাসীর শরতের পূর্ণিমায় উদ্‌যাপিত ‘নওরোজ’ ও বসন্তের পূর্ণিমায় উদ্‌যাপিত ‘মেহেরজান’ উৎসবের বদলে মুসলমানদের জন্য বছরে দুটি উৎসব ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উদ্‌যাপিত হয়ে আসছে। ধর্মীয় উৎসব হলেও ঈদ আমাদের সমাজ ও সংস্কৃতির অন্যতম অনুষঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশের সব সম্প্রদায়ের মানুষই এখন ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়, একে অপরের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করে এবং নতুন জামাকাপড় কেনার উৎসবে মেতে ওঠে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও ঈদের গুরুত্ব অপরিসীম। এ ছাড়া ঈদের আরও একটি বড় দিক হলো ভ্রাতৃত্ববোধ। ঈদের আনন্দ মানুষকে শ্রেণিগত সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করে পরস্পরের কাছাকাছি আসতে উৎসাহিত করে। ঈদ উদ্‌যাপনের ইতিহাস বেশ দীর্ঘ হলেও বাংলা ঈদসাহিত্যের সূচনা বিশ শতকের শুরুতেই। ঈদকেন্দ্রিক সাহিত্যে মূলত ভ্রাতৃত্ববোধ, সাম্যচেতনা ও আনন্দের বহুমাত্রিক প্রকাশ লক্ষযোগ্য। বাংলা সাহিত্যে ঈদ নিয়ে প্রথম কে কবিতা লিখেছেন, তা নিয়ে কিছুটা বিতর্ক আছে।

ঈদ উদ্‌যাপনের ইতিহাস বেশ দীর্ঘ হলেও বাংলা ঈদসাহিত্যের সূচনা বিশ শতকের শুরুতেই। ঈদকেন্দ্রিক সাহিত্যে মূলত ভ্রাতৃত্ববোধ, সাম্যচেতনা ও আনন্দের বহুমাত্রিক প্রকাশ লক্ষযোগ্য।

ড. আনিসুজ্জামান সম্পাদিত মুসলিম বাংলার সাময়িক পত্র থেকে জানা যায়, ঈদ নিয়ে প্রথম কবিতা লিখেছেন মুন্সী মোহাম্মদ আসাদ আলী। তাঁর রচিত ‘ঈদুল-আজহা’ কবিতাটি ১৯০২ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতার মাসিক প্রচারক পত্রিকার চতুর্থ বর্ষ ৯-১০ সংখ্যায় প্রকাশিত হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়। অন্যদিকে ঈদ নিয়ে প্রথম কবিতার কবি হিসেবে সৈয়দ এমদাদ আলীর নামটিই সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হয়। ব্রিটিশ সরকার যাঁকে ‘খানসাহেব’ উপাধিতে ভূষিত করেছিল। মাসিক নবনূর পত্রিকায় ১৯০৩ সালে প্রকাশিত তাঁর ‘ঈদ’ কবিতাটিকে বাংলা সাহিত্যের ঈদকেন্দ্রিক প্রথম কবিতা হিসেবে ধরা হয়। প্রাসঙ্গিকভাবে উল্লেখ্য যে পত্রিকার প্রথম ঈদসংখ্যা প্রকাশের কৃতিত্বও তাঁর। মুসলিম সমাজের একতার দিকটি তাঁর ‘ঈদ’কবিতায় উঠে এসেছে—

‘আজি প্রভাতের মৃদুল বায়
রঙে নাচিয়ে যেন কয়ে যায়
মুসলিম জাহান আজি একতায়
দেখ কত বল ধরে।’

উর্দু সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি আল্লামা ইকবালের ঈদ নিয়ে লেখা কবিতায়ও মুসলমানদের ঐক্য ও ইসলামের হারানো অতীত ঐতিহ্যের জন্য হাহাকার লক্ষ করা যায়। ‘বাঙ-ই-দ্রা:১২৭’ কবিতায় তিনি বলেন, ‘অতীতের সরাইখানারা ধ্বংস হয়ে গেছে/ আর আমি তো পান করে চলেছি অতীতের স্মৃতির দ্রাক্ষা/ ঈদ আমাদের জন্য বয়ে এনেছে সুখ ও আনন্দবার্তা/ ঈদের বঙ্কিম চাঁদ যেন মশকরা করছে আমাদের নিয়ে।’ মুসলিম জাহানের একতাহীন নিষ্প্রাণ মুসলমানদের ঈদের খুশিও এখানে কেবল আনুষ্ঠানিকতা হয়ে উঠেছে।

সৈয়দ এমদাদ আলী সম্পাদিত মাসিক নবনূর পত্রিকার ঈদসংখ্যায় ঈদবিষয়ক কবিতা লিখেছেন কবি কায়কোবাদ ও রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন। ‘ঈদ আবাহন’ কবিতায় কায়কোবাদ লেখেন—

‘আজি এ ঈদের দিনে হয়ে সব এক মন প্রাণ
জাগায় মোসলেম সবে গাহ আজি মিলনের গান।
ডুবিবে না তবে আর ঈদের এ জ্যোতিষ্মাণ রবি
জীবন সার্থক হবে, ধন্য হবে দরিদ্র কবি।’

ঈদ নিয়ে প্রথম কবিতার কবি হিসেবে সৈয়দ এমদাদ আলীর নামটিই সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হয়।মাসিক নবনূর পত্রিকায় ১৯০৩ সালে প্রকাশিত তাঁর ‘ঈদ’ কবিতাটিকে বাংলা সাহিত্যের ঈদকেন্দ্রিক প্রথম কবিতা হিসেবে ধরা হয়।

কায়কোবাদের ঈদবিষয়ক কবিতায়ও মুসলমানদের ঐক্যের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। কবিতাটি তাঁর ‘অশ্রুমালা’ কাব্যগ্রন্থে স্থান পেয়েছে। শান্তিপুরের কবি মোজাম্মেল হক ‘ঈদ’ কবিতায় ঈদের দিনকে ‘আমির ফকিরহীন মিলনের দিন’ বলে অভিহিত করেছেন। শেখ ফজলল করিম ‘ঈদ’ কবিতায় বলেন, ‘জীবনপ্রভাত আজি বিস্ময়ে দেখিতে চাহি মহাজাগরণ/ সাহসে বাঁধিয়া বাকি পথে হয়ে অগ্রসর নতুবা মরণ।’ এ কবিতায় তিনি ইসলামি জাগরণের প্রসঙ্গ তুলে ধরেছেন।

কবি গোলাম মোস্তফার কবিতায় ঈদের চাঁদের কথা উঠে এসেছে। ঈদের চাঁদ দেখে তাঁর নবীর হাসিমুখের কথা মনে পড়ে। ‘আহা কতই মধুর খুবসুরাৎ ঐ ঈদের চাঁদের মুখ/ ও ভাই, তারও চেয়ে মধুর যে ওর স্নিগ্ধ হাসিটুকু/ যেন নবীর মুখের হাসি দেখি ওই হাসির আভায়।’ সংযুক্ত আরব আমিরাতের কবি খালিদ আলবাদুর ‘সবকিছু’ কবিতায় আমরা দেখি ঈদের দিন তাঁর প্রিয় মানুষের কথা মনে পড়ছে, যাকে ছাড়া ঈদই যেন আনন্দহীন। কবির ভাষায়, ‘বালিশে তোমার গন্ধ/ আমাদের শেষ চুমুর দাগ/ সবকিছু ঠিকঠাক আছে/ এমনকি সূর্যটাও/ যাকে আমরা দেখেছিলাম ডুবে যেতে বারান্দার পেছনে/ সবকিছু আছে; শুধু তুমি ছাড়া।’

বাংলা সাহিত্যে ঈদ নিয়ে সবচেয়ে বেশি সফল ও জনপ্রিয় কবিতা লিখেছেন কবি কাজী নজরুল ইসলাম। ‘ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ’—তাঁর এই গান ছাড়া ঈদের আনন্দই যেন পূর্ণতা পায় না। আরব বিশ্বের জনপ্রিয় ঈদের গান ‘ইয়া লাইলাতেল ঈদ’ গানের মতোই নজরুলের গানটিও আমাদের মুগ্ধ করে রেখেছে বহুকাল। কোরানের তারতিলের সঙ্গে সমন্বয় করে সৃষ্ট মিসরীয় শিল্পী উম্মে কুলসুমের গানটিতে প্রাধান্য পেয়েছে স্বদেশ, নিজস্ব সংস্কৃতি ও ধর্মীয় মাহাত্ম্য। অন্যদিকে নজরুলের গানটির কেন্দ্রে আছে সাম্যের বার্তা ও ইসলামি ঐতিহ্যের আবাহন। তাঁর ‘কৃষকের ঈদ’ কবিতায়ও প্রান্তিক মানুষের জন্য সহানুভূতির দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। এ কবিতায় তিনি বলেন—

‘জীবনে যাদের হররোজ রোজা ক্ষুধায় আসে না নিদ
মুমূর্ষু সেই কৃষকের ঘরে এসেছে কি আজ ঈদ?’

এই কবিতায় তিনি ভ্রাতৃত্ববোধ ও অসহায় মানুষদের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়ার ঈদের শিক্ষার দিকে আমাদের মনোযোগ আকর্ষণ করেন। ইরানের বিখ্যাত কবি হাসান নাজাফির ঈদুল ফিতর নিয়ে লেখা একটি কবিতায়ও ভ্রাতৃত্ববোধের দিকটি উঠে এসেছো–‘দেখো ঈদুল ফিতর জেগে উঠেছে নতুন ভোরে/ রোজার উপবাসের দিন গেছে ফুরিয়ে.../ প্রকৃত আনন্দ লুকিয়ে থাকে ঐক্যের ভেতর/ সৌহার্দ্যই আমাদের সেরা যুদ্ধাস্ত্র।’

ঈদ নিয়ে সবচেয়ে বেশি সফল কবিতা লিখেছেন কবি কাজী নজরুল ইসলাম। ‘ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ’—তাঁর এই গান ছাড়া ঈদের আনন্দই যেন পূর্ণতা পায় না।

ঈদ নিয়ে আরও যাঁরা কবিতা লিখেছেন, তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ফররুখ আহমদ, সিকান্দার আবু জাফর, আবুল হোসেন, আহসান হাবীব, সৈয়দ আলী আহসান, আল মাহমুদ প্রমুখ। ফররুখ আহমদ ‘ঈদের স্বপ্ন’ কবিতায় বলেন, ‘আজ এ স্বপ্নের মাঠে রাঙা হলো ঘন বন/ নিবিড় সন্ধ্যার পথে সাহজাদি উতলা উন্মন।’ রূপকথার এক কল্পনার রাজ্যে তিনি আমাদের নিয়ে যান এ কবিতায়। আল মাহমুদের ‘গৃহলতা’ কবিতায় শৈশবের ঈদের স্মৃতি ফিরে আসে নিবিড় মমতায়—‘শৈশবের ঈদের কথা স্মরণ করে/ ঈদের দিনে জিদ ধরি না আর/ কানে আমার বাজে না সেই/ মায়ের অলঙ্কার।’ এ ছাড়া তিনি শুভ শুক্রবারে মৃত্যুর ফেরেস্তা এসে হাজির হলে মৃত্যুদিনকেও ঈদের দিন বলে মেনে নেওয়ার ঘোষণা দেন।

বাংলা কথাসাহিত্যে ঈদ

কবিতার মতো বাংলা কথাসাহিত্যেও ঈদের প্রসঙ্গ এসেছে নানাভাবে। ইবরাহীম খাঁ, সাজেদুল করিম, মূর্তজা বশীর, সৈয়দ শামসুল হক, আখতারুজ্জামান ইলিয়াস প্রমুখের গল্পে ঈদের প্রসঙ্গ উঠে এসেছে বিচিত্র আবহে। ইবরাহীম খাঁর ঈদ–বিষয়ক গল্প ‘পুটু’ একটি বকরির বাচ্চাকে কেন্দ্র করে আবর্তিত। ঈদ উপলক্ষে পুটুকে জবাই করা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। শেষ পর্যন্ত অবলা প্রাণীর প্রতি ভালোবাসার দিকটির জয় হয়। গৃহপালিত প্রাণীরাও যে আমাদের পরিবারের সদস্যের মতো হয়ে ওঠে, তা এ গল্পে টের পাওয়া যায়। চিত্রশিল্পী হিসেবে পরিচিত হলেও মূর্তজা বশীর বেশ কিছু গল্প–উপন্যাসও লিখেছেন। তাঁর ‘লাল লুঙ্গি’ গল্পে একজন রিকশাচালক বাবার ঈদের দিন সন্তানের আবদার পূরণ করতে না পারার বেদনা ফুটে উঠেছে। রিকশাচালক রমজানের ছেলে লালু ঈদের দিন বাবার কাছে একটি লাল লুঙ্গি কিনে দেওয়ার আবদার করেছে। কিন্তু সে সামর্থ্য তো রমজানের নেই। ছেলের আবদারপূর্ণ চকচকে চোখ জোড়া রমজানকে তাড়া করে ফেরে। কিন্তু ঈদের দিন রিকশা চালিয়েও সে লাল লুঙ্গি কেনার টাকা জোগাড় করতে পারে না। ফলে দুপুরের বিশ্রাম বাতিল করে আবার সে রিকশা নিয়ে বেরিয়ে পড়ে। জোরে জোরে রিকশা চালায় সে। ‘কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম জমে ওঠে। বাঁ হাতটা দিয়ে কপালটা মুছে নেয় ও।’ মনে মনে হিসাব করে, তিনটি টাকা জোগাড় হলেই কিনতে পারবে ছেলের লাল লুঙ্গি। গল্পটি প্রান্তিক মানুষের ঈদবেদনা দারুণভাবে ধারণ করেছে।

ইবরাহীম খাঁ, সাজেদুল করিম, মূর্তজা বশীর, সৈয়দ শামসুল হক, আখতারুজ্জামান ইলিয়াস প্রমুখের গল্পে ঈদের প্রসঙ্গ উঠে এসেছে বিচিত্র আবহে। ইবরাহীম খাঁর ঈদ–বিষয়ক গল্প ‘পুটু’ একটি বকরির বাচ্চাকে কেন্দ্র করে আবর্তিত।

সৈয়দ শামসুল হকের ‘সাহেবচান্দের ঈদভোজন’ গল্পে ঈদপ্রসঙ্গ অভিনবরূপে রূপায়িত হয়েছে। গল্পটিতে সাহেবচান্দ নামে জলেশ্বরীর এক অদ্ভুত লোকের আগমন ঘটে। ঈদের দিন চারদিকে যখন পোলাও–মাংসের ঘ্রাণ, তখন সে এক বাড়ির উঠোনে গর্ত খুঁড়ে পাটখড়িতে আগুন ধরিয়ে ভাত ও বেগুন একসঙ্গে রান্না করায় ব্যস্ত হয়ে পড়ে। গ্রামের লোকজন তাকে তিরস্কার করলেও সে নির্বিকার থাকে। কারণ, সে জানে, পঞ্চাশের মন্বন্তরে তার মা–বাবা অনেক দিন অভুক্ত থাকার পর এক বড়লোকের বাড়িতে পোলাও–মাংস গোগ্রাসে গিলে বমি করতে করতে মারা যায়। সেই ভয়ংকর স্মৃতি মনে আসায় সাহেবচান্দ কাঁচামরিচ-পেঁয়াজকুচি ও শর্ষের তেল দিয়ে বেগুনভর্তা বানিয়ে থালাভরা ভাত খেয়ে জলেশ্বরীর দিকে হারিয়ে যায়। এ গল্পেও প্রান্তিক মানুষের জীবনযন্ত্রণা প্রতিফলিত হয়েছে অভিনবরূপে।

আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের সূচনা পর্বের ‘ঈদ’ গল্পটি ঈদের পোশাককে কেন্দ্র করে বিকশিত হয়েছে। চৌধুরী বাড়ির ঠিকা ঝি ফাতিমা ঈদের দিন ছেলে রজবকে নিয়ে কাজ করতে গিয়ে অপ্রত্যাশিত এক পরিস্থিতির মুখোমুখি দাঁড়ায়। ছেলের জন্য ঈদের নতুন জামা কিনতে না পারায় গিন্নিমাকে বলে কলার ও বোতামছেঁড়া একটা পুরোনো শার্ট সংগ্রহ করে সে । সেই জামা পরে চৌধুরী বাড়ির ছেলেদের সঙ্গে ঈদের নামাজ পড়তে গিয়ে নানা রকম তিরস্কার ও অপমানের শিকার হয় রজব। সেদিন অনেক রাতে বাড়িতে ফিরে ফাতিমা মাটির পিদিম জ্বালিয়ে ঘুমন্ত ছেলের মুখের দিকে তাকিয়ে বুঝতে পারে যে কাঁদতে কাঁদতেই ঘুমিয়ে পড়েছে শিশুটি। ঘুমন্ত ছেলের পাশে শুয়ে ফাতিমা হু হু করে কেঁদে ওঠে। শ্রেণিবৈষম্যের নির্মম বাস্তবতা গল্পটিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

বাংলা সাহিত্যে ঈদ অনন্য এক বোধ ও ব্যাপ্তির নান্দনিক ঐকতান সৃষ্টি করেছে। ঈদসংস্কৃতির বিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ঈদকেন্দ্রিক সাহিত্যও ভবিষ্যতে নতুন আধার ও আধেয় নিয়ে উজ্জীবিত হবে নিরন্তর।