এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা

মতামত

মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী, এ কাজটি করতে পারলে জাতি আপনাকে বহুকাল মনে রাখবে

মার্চ মাসেই শেষ পর্যন্ত এসএসসি পরীক্ষা হচ্ছে। ইতিমধ্যে পরীক্ষার সময়সূচিও প্রকাশিত হয়েছে। ১৮-২০ মাসে এসএসসি (ইয়ার টেন) সম্পন্ন করার বৃত্ত থেকে এ যাত্রাও বের হওয়া গেল না। অথচ সারা দুনিয়ায় ১০-১২ মাসে সম্পন্ন হয়ে থাকে দশম শ্রেণি সমাপনী এই সার্টিফিকেট। অক্টোবর-নভেম্বর মাসে এসএসসি পরীক্ষা চালু করতে পারলে বদলে যেতে পারত আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা ও অর্থনীতি।

বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর ডিসেম্বরে এসএসসি পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনার কথা বলেছিলেন শিক্ষামন্ত্রী। ডিসেম্বর মাসে পাবলিক পরীক্ষা বড্ড বেমানান; এটা কোনো দেশেই চালু নেই। ডিসেম্বর মাসে পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়ে তাঁর কী পরিকল্পনা ছিল, তা জানা যায়নি। এরপর তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন জানুয়ারি মাসে এসএসসি, জুন মাসে এইচএসসি পরীক্ষা।

শিক্ষামন্ত্রীর এ পরিকল্পনার পেছনের কী চিন্তা ছিল জানি না, তবে তিনি পরীক্ষার শিডিউলে একটা পরিবর্তন আনতে চাইছেন বলে মনে হচ্ছিল। এটা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া অভিভাবক ও ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে থাকলেও ইতিবাচক হিসেবেই দেখছিল সবাই। আপাতভাবে মনে হচ্ছিল ভালো উদ্যোগ। সময় বাঁচবে হয়তো। সময়মতো এইচএসসি শুরু করতে পারবে, সময়মতো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারবে।

এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শনে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর

পরীক্ষার শিডিউলের যৌক্তিক পরিবর্তনের সঙ্গে মানবসম্পদ উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন সরাসরি সম্পৃক্ত। দিনবদলের স্বপ্নে বিভোর জাতি পরীক্ষার শিডিউল থেকে শুরু করে পুরো শিক্ষাব্যবস্থায় আধুনিকায়নের একটা স্বপ্ন দেখা শুরু করেছিল। যাহোক, আবার মূল বিন্দুতে—মার্চ-এপ্রিলের তাপপ্রবাহের মধ্যেই পরীক্ষা।

পৃথিবীর অধিকাংশ দেশেই দশম শ্রেণি থেকে এসএসসি/সমমানের সনদ পাওয়া পর্যন্ত ১০-১২ মাস সময় লাগে। কিন্তু বাংলাদেশে বিদ্যমান পরীক্ষাপদ্ধতিতে জানুয়ারি মাসে দশম শ্রেণিতে ক্লাস শুরু থেকে উচ্চমাধ্যমিক ক্লাসে ভর্তি পর্যন্ত ২০ মাস সময় লাগে, যেটা পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি সময়ে এসএসসি সনদ পাওয়ার রেকর্ড।

জীবনের সোনারোদ, সম্ভাবনার স্ফুলিঙ্গ আর স্বপ্নের প্রক্ষেপণ হারিয়ে যাওয়ার গল্পটা শুরু হয় এখান থেকেই। অথচ জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সময়ের এমন অপচয় নিয়ে কোনো মাথাব্যথা কারোরই নেই, ছিল না কখনো। নিয়তির মতো মেনে নিয়েছি সবাই। ধরে নিয়েছি, এটাই সিস্টেম। সিস্টেম পরিবর্তন করে যদি জীবনের মূল্যবান সময়ের অপচয় কমানো যায়, তাহলে তো ভালোই। মন্ত্রী হয়তো এমনটাই চেয়েছেন।

নতুন কোনো সিস্টেম দেখলেই অভিভাবকেরা ভয় পায়, বিরক্ত হয়। বাংলাদেশের শিক্ষানীতি নিয়ে, শিক্ষার মান নিয়ে, পরীক্ষাপদ্ধতি নিয়ে বিভ্রান্তি আছে, বিরক্তি আছে , বিস্ময়ও আছে। জ্ঞান ও দক্ষতার উৎকর্ষের কথা আমরা সবাই বলছি।

চতুর্থ শিল্পবিপ্লব, ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ট, এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সুযোগ কাজে লাগাতে যে মানের জ্ঞান ও দক্ষতা প্রয়োজন, তা আমাদের নেই। সাড়ে পাঁচ কোটি তরুণ জনগোষ্ঠীর বাংলাদেশে পরিকল্পনার অভাবে হাতছাড়া হয়ে যায় সম্ভাবনাগুলো। ডিগ্রি আছে, দক্ষতা নেই, ক্রিয়েটিভিটি নেই, উদ্যোগ নেই, ভিশন নেই, স্বপ্ন নেই। শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতায় এসে প্রথমেই শিক্ষা নিয়ে বড় বড় পরিকল্পনা করে, শিক্ষা কমিশন করে, পাঠ্যক্রমে কিছু পরিবর্তন আনে, কিন্তু কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি হয় না কী এক অদৃশ্য কারণে। বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থার সংকট এক দিনে সৃষ্টি হয়নি। ভুল নীতির কারণে এ সংকট দিন দিন ঘনীভূত হয়েছে।

এ বছর যারা এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে, তারা দশম শ্রেণিতে ক্লাস শুরু করেছিল ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে। তারা উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণিতে ক্লাস শুরু করবে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে এবং উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দেবে ২০২৮ সালের জুন/জুলাই মাসে। রেজাল্ট ২০২৮ সালের নভেম্বর–ডিসেম্বরে। প্রথম সুযোগেই ভর্তি হতে পারলে ২০২৯ সালের জুন মাসের মধ্যে হয়তো বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস শুরু করবে।

এসএসসি পরীক্ষা

দক্ষিণ গোলার্ধের দেশ, যেমন দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়ায় এবং লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে দশম শ্রেণি শুরু থেকে এইচএসসি পাস করা পর্যন্ত সময় লাগে তিন বছর। ভারতে তাদের অর্থবছরের সঙ্গে মিল রেখে একাডেমিক বর্ষ এপ্রিল থেকে মার্চ। এর মধ্যেই পরীক্ষা ও ফলাফল বের হয়। নবম, দশম, একাদশ ও দ্বাদশ একই বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী হয়। ইউরোপের দেশগুলোতে সেপ্টেম্বর থেকে জুন পর্যন্ত স্কুলবর্ষ। সিঙ্গাপুরে মাধ্যমিক (জিসিই ও-লেভেল) ও উচ্চমাধ্যমিক (জিসিই এ-লেভেল) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় সেপ্টেম্বর ও নভেম্বরে। ফল প্রকাশিত হয় জানুয়ারি মাসে।

সময়ের কথা চিন্তা করে এখনো অধিকাংশ ইউরোপিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ে স্ট্যান্ডার্ডাইজড ব্যাচেলরস ডিগ্রি তিন বছর (১৮০ ক্রেডিট)। অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড এ স্ট্যান্ডার্ডাইজড ব্যাচেলরস ডিগ্রি তিন বছর। লাতিন আমেরিকার অনেক দেশে স্ট্যান্ডার্ডাইজড ব্যাচেলরস ডিগ্রি তিন বছর। ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেডিসিনে ৪-৫ বছর। আমাদের দেশে ঢালাওভাবে সব বিশ্ববিদ্যালয়ে সব বিষয় চার বছর মেয়াদি। উন্নত বিশ্বে কর্মমুখী শিক্ষার ক্ষেত্রে সার্টিফিকেট ও ডিপ্লোমা ডিগ্রি ছয় মাস থেকে তিন বছর। বাংলাদেশের ডিপ্লোমা ডিগ্রি চার বছর। পাস করতে সময় লাগে ৫-৬ বছর।

অতিমূল্যবান সময়ের কথা বিবেচনা করে অস্ট্রেলিয়ায় একমাত্র পাবলিক পরীক্ষা (এইচএসসি) ১২ ক্লাস পড়ার পর। দশম শ্রেণি সমাপনী পরীক্ষা স্কুলেই হয় এবং যারা এইচএসসি পড়বে না, তাদের সনদও দেওয়া হয়। অক্টোবরে এইচএসসি পরীক্ষা হয়ে ডিসেম্বরে ফলাফল হয়। এইচএসসির কিছু পরীক্ষা একাদশ শ্রেণিতেও হয়। ব্যবহারিক পরীক্ষা, টিউটোরিয়াল আগেই হয়, সেগুলোও চূড়ান্ত ফলাফলে যোগ হয়।

রাজনীতি ও আর্থসামাজিক অবস্থা স্বাভাবিক থাকলে এই ছাত্ররা হয়তো ২০৩৪ সালে স্নাতক (৪ বছর মেয়াদি) পাস করবে। মাস্টার্স করলে আরও দুই বছর। ভাগ্য ভালো হলে শ্রমবাজারে ঢুকবে ২০৩৬ সালের দিকে। বিসিএস পরীক্ষার প্যাকেজে ঢুকলে হয়তো আরও পরে শুরু করবে চাকরি। ৩২ বছরের সুযোগটা হাতছাড়া করতে চাইবে না অনেকে। যখন আমাদের মিড ক্যারিয়ারে থাকার কথা, তখন সবে শিক্ষানবিশ। শ্রমঘণ্টা আর জীবনের এমন অপচয় কি আর কোথাও আছে!

অস্ট্রেলিয়াতে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দশম শ্রেণি শুরু করা একজন ছাত্র ২০২৭ সালের ডিসেম্বরে এইচএসসি পাস করবে এবং ২০২৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস শুরু করবে। ২০৩০ সালের ডিসেম্বরে (অস্ট্রেলিয়াতে অধিকাংশ স্নাতক ডিগ্রি তিন বছর) যখন পাস করে বেরোবে, তখন বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্র প্রথম বর্ষ শেষ করে দ্বিতীয় বর্ষে ক্লাস শুরু করবে (যদি সেশনজট না থাকে)। তারা আনুষ্ঠানিক চাকরিতে প্রবেশ করবে ২০৩১ সালে।

শিক্ষামন্ত্রীর চিন্তা ভালো, কোনো সন্দেহ নেই, কিন্তু এর বাস্তবায়ন বেশ জটিল। সব অংশীজনের সহায়তা ছাড়া বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। দশম শ্রেণি থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত একটি সমন্বিত ও কমপ্রিহেনসিভ শিক্ষা পরিকল্পনা ও একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন এখন সময়ের দাবি।

শুধু সিস্টেমের কারণে একজন ছাত্রের জীবন থেকে পাঁচ বছর হাওয়া। অস্ট্রেলিয়াতে দশম শ্রেণিতে ক্লাস শুরু থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন পর্যন্ত ৬-৭ বছর লাগলেও আমাদের লাগছে ১০-১৪ বছর। বিপ্লব–পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে বর্তমান মন্ত্রীর এ জায়গায় কাজ করার সুযোগ আছে নীতিসহায়তা ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার নিয়ে।

যৌবনের পাঁচ বছরের মূল্য কত, হিসাব করেছেন কখনো? ২০২৬ সালের ২০ লাখ এসএসসি পরীক্ষার্থীর সম্মিলিত সময়ের অপচয় যদি হয় ১০০ লাখ বছর, তাহলে এর আর্থিক ও সামাজিক ক্ষতি কতশত বিলিয়ন ডলার, চিন্তা করেছেন? ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির স্বপ্ন বাস্তবায়নে তরুণ জনশক্তির জীবনের অপচয় ঠেকাতে আমাদের কোনো পরিকল্পনা আছে?

আমাদের সিলেবাস, পাঠ্যপুস্তক, পরীক্ষাপদ্ধতি, মূল্যায়নপদ্ধতি নিয়ে বিস্তর গবেষণা, ট্রায়াল ও কাটাছেঁড়ার গদ্যময় পদ্য আছে। কত কমিশন, কত কমিটি, কত টাস্কফোর্স হয়, কিন্তু ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসে এসএসসি পরীক্ষা হওয়ার পরিকল্পনা এই প্রথম।

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শেষে কেন্দ্র থেকে বের হচ্ছে পরীক্ষার্থীরা

ব্রিটিশ আমলের ম্যাট্রিকুলেশন, এন্ট্রান্স পরীক্ষা—সবই হতো বসন্তে। ডিসেম্বর মাসে কোনো পাবলিক পরীক্ষা হয় না কোথাও। কারণ, ডিসেম্বরে লম্বা একটা ছুটি থাকে। শীতকালীন ছুটি, ক্রিসমাস ছুটি; সব মিলিয়ে ডিসেম্বর মাসে পাবলিক পরীক্ষা নেওয়া কঠিন। মন্ত্রী যদি সত্যিই একটা পরিবর্তন আনতে চান, তাহলে অক্টোবরে পরীক্ষা নিয়ে ডিসেম্বরে ফলাফল দিতে হবে।

জানুয়ারিতে একাদশ শ্রেণিতে ক্লাস শুরু করবে, পরের বছরের এপ্রিল-মে মাসে এইচএসসি পরীক্ষা। সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের মধ্যে ফলাফল। নভেম্বর-ডিসেম্বরে ভর্তিপ্রক্রিয়া। জানুয়ারিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস শুরু। এসএসসি থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত সমন্বিত শিক্ষাশৃঙ্খল তৈরি করতে হবে। এসএসসি, এইচএসসি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস শুরু সরল ও ছন্দময় হতে হবে। এটুকু করতে পারলেই অপচয়ের হাত থেকে বেঁচে যাবে জীবনের মহামূল্যবান পাঁচ বছর।

আমরা ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির কথা বলছি, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের কথা বলছি, ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্টের কথা বলছি, জনসম্পদের কথা বলছি, কিন্তু বিপুল সম্ভাবনাময় তারুণ্যের সময়ের অপচয় নিয়ে কোনো মাথাব্যথা নেই।

শিক্ষামন্ত্রীর চিন্তা ভালো, কোনো সন্দেহ নেই, কিন্তু এর বাস্তবায়ন বেশ জটিল। সব অংশীজনের সহায়তা ছাড়া বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। দশম শ্রেণি থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত একটি সমন্বিত ও কমপ্রিহেনসিভ শিক্ষা পরিকল্পনা ও একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন এখন সময়ের দাবি।

ছাত্ররাজনীতি, শিক্ষকরাজনীতিসহ আরও যেসব বিষয় সেশনজটের জন্য দায়ী, সেগুলো বন্ধ করতে হবে। মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী, ‘এরর-ট্রায়াল’–এর খেলায় না গিয়ে পরীক্ষিত কোনো পদ্ধতি অনুসরণ করলে ক্ষতি কী? অস্ট্রেলিয়ার সিস্টেমটাই তো অনুসরণ করা যায়।

পরীক্ষার ক্যালেন্ডারটা এমন হলে কেমন হয়—এসএসসি পরীক্ষা অক্টোবর মাসে শুরু করে ফলাফল ডিসেম্বরে। এইচএসসি শুরু জানুয়ারি মাসে, ফাইনাল পরীক্ষা পরের বছরের মে মাসে, ফলাফল আগস্ট মাসে। ভর্তি পরীক্ষা ও ভর্তিপ্রক্রিয়া সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে। বিশ্ববিদ্যালয় শুরু পরের বছরের জানুয়ারি মাসে। তাড়াহুড়া না করে ২০২৭ সাল থেকে (যারা ২০২৮ সালের পরীক্ষার্থী) শুরু করা যায়। এ কাজ বাস্তবায়ন করতে পারলে প্রজন্ম ও জাতি আপনাকে বহুকাল মনে রাখবে।

  • ড. মো. রওশন জামাল প্রজাতন্ত্রের একজন কর্মকর্তা এবং বিপিএটিসি স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ (অ.দা)

    roushonjamal@yahoo.com