২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলছে
২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলছে

মতামত

কেন ইউক্রেন যুদ্ধ কেউ থামাতে পারছে না

ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে বিশদ কিছু না লেখার এক বছরের বেশি সময় হয়ে গেছে এবং এই দীর্ঘ নীরবতার জন্য আমি অনুতপ্ত। ফরেন পলিসির প্রধান সম্পাদক রবি আগরওয়ালের সাম্প্রতিক সফরনামা আবারও আমার নজর ফিরিয়ে আনল এবং আমাকে ভাবতে বাধ্য করল—প্রায় পাঁচ বছর ধরে চলতে থাকা এই যুদ্ধ আজ কোথায় দাঁড়িয়ে আছে এবং কীভাবে একে থামানো যেতে পারে।

যাঁরাই এ বিষয় নিয়ে কথা বলতে আসবেন, তাঁদের কিছুটা বিনয় নিয়েই তা করা উচিত; কারণ, কেউই এখানে সবকিছু সঠিকভাবে অনুমান করতে পারেননি।

উদাহরণস্বরূপ, ২০২২ সালে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনে হামলা চালাবেন বলে আমি মনে করিনি। কারণ, আমার ধারণা ছিল, এমন পদক্ষেপ হবে একটি মস্ত ভুল এবং দীর্ঘ মেয়াদে রাশিয়াকে দুর্বল করে দেবে।

আমি এখনো মনে করি যে সেদিনের ধারণায় আমি ভুল ছিলাম না, তবে পুতিনের হিসাব-নিকাশের পরিমাপ করতে আমি নিশ্চিতভাবেই ভুল করেছিলাম। এর পর থেকে বহু নীতিনির্ধারক ও বিশ্লেষক যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি বুঝতে বারবার ব্যর্থ হয়েছেন—কখনো তাঁরা অবাস্তব আশাবাদে ভেসেছেন, আবার কখনোবা হতাশায় ডুবেছেন।

ক্ষমতায় থাকা নেতাদের হালও এর চেয়ে ভালো ছিল না: পুতিন ভেবেছিলেন যুদ্ধ কয়েক দিনে শেষ হয়ে যাবে, বাইডেন প্রশাসন ভেবেছিল নিষেধাজ্ঞা দিয়েই রাশিয়াকে কুপোকাত করা যাবে, আর ২০২৩ সালের গ্রীষ্মে ইউক্রেন ব্যর্থ ও বিধ্বংসী পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে দেশটির নেতৃত্বও চরম ভুল করেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে বলেছিলেন যে তাঁর হাতে ‘জেতার মতো তাস নেই’ এবং অনুকূল নয়—এমন চুক্তিতে রাজি হতে তাঁকে চাপ দিয়েছিলেন।

তবে ইউরোপীয় সহায়তা এবং ইউক্রেনীয়দের উদ্ভাবন ও সাহসিকতায় সাময়িকভাবে হলেও মোড় ঘুরে গেলে তিনি বিস্মিত হন। তবে রবি যেমন লিখেছেন, শীত সামনে রেখে যুদ্ধের ভাগ্য আবারও মস্কোর দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে মনে হচ্ছে।

ইউক্রেন ও রাশিয়া এখন এক মারাত্মক ‘ক্ষয়িষ্ণু অচলাবস্থায়’ আটকা পড়ে আছে, যেখানে কোনো পক্ষই প্রতিপক্ষের ওপর জয় চাপিয়ে দিতে পারছে না, আবার উভয় পক্ষকেই বড় ধরনের ক্ষতির মাশুল গুনতে হচ্ছে। বাহ্যিক সহায়তা এবং নিজের মাতৃভূমি রক্ষার অদম্য সংকল্পই কিয়েভকে প্রত্যাশার চেয়েও দীর্ঘ সময় ধরে টিকিয়ে রেখেছে।

ট্রাম্প প্রশাসনের কাউকেই এমন কোনো গম্ভীর শান্তি আলোচনা পরিচালনার যোগ্য বলে মনে হচ্ছে না। তা ছাড়া গাজা, ইরান বা অন্য সংঘাতগুলোয় তাঁরা যেসব তথাকথিত ‘শান্তি চুক্তি’র নাটক সাজিয়েছেন, তা-ও কোনো ভরসা দেয় না।

দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের একটি ক্ল্যাসিক প্রবণতা হলো—এর ব্যাপকতা অনুভূমিক ও উল্লম্ব—উভয় দিকেই প্রসারিত হয়। এই সংঘাতও ঠিক তা-ই দেখাচ্ছে।

দুই পক্ষই নতুন ও আরও বিধ্বংসী অস্ত্র তৈরি করেছে, আক্রমণের পরিধি বাড়িয়েছে এবং প্রত্যক্ষভাবে (যেমন রাশিয়ার পক্ষে উত্তর কোরিয়ার সেনা লড়াই) কিংবা পরোক্ষভাবে (যেমন আমেরিকা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে ইউক্রেনকে অর্থ ও গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ) তৃতীয় পক্ষকে জড়িয়ে ফেলেছে।

তবে এই মুহূর্তে যুদ্ধ বন্ধ করা প্রায় সবার স্বার্থের জন্যই জরুরি হয়ে পড়েছে। যুদ্ধ যত দীর্ঘায়িত হবে, ইউক্রেন তত বেশি ক্ষতির মুখে পড়বে এবং হারিয়ে যাওয়া অঞ্চল উদ্ধারের আশাসহ তাদের দীর্ঘমেয়াদি ভবিষ্যৎ ততটাই অন্ধকারের দিকে যাবে।

রাশিয়াও প্রচণ্ডভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে; যুদ্ধ শেষে তারা আরও দুর্বল এবং চীনের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে পড়বে। অন্যদিকে ইউরোপীয় অর্থনীতি যখন সংকটে, তখন ইউক্রেনকে সহায়তার বিশাল খরচ তাদের আরও চেপে ধরছে এবং জার্মানির ‘অলটারনেটিভ ফর জার্মানি’-র মতো চরম ডানপন্থী দলগুলোকে প্রতিষ্ঠিত সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগার মোক্ষম অস্ত্র দিচ্ছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

ট্রাম্প যখন ইউক্রেনকে নির্দেশ দেন যে তারা যেন রাশিয়ার তেল শোধনাগারে হামলা বন্ধ করে, তখন স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে এই যুদ্ধ সারা বিশ্বে জ্বালানিসংকট বাড়াচ্ছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের ওপরও সামাজিক ও রাজনৈতিক চাপ তৈরি করছে।

আমার মতে, এই যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় একমাত্র লাভবান হচ্ছে চীন (কারণ, এই সংঘাত ইউরোপ, যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়াকে ব্যস্থ রাখছে) আর কিছু চরম ডানপন্থী পপুলিস্ট, যারা যুদ্ধ থামলে আলোচনার সুযোগ হারাবে।

তা সত্ত্বেও যুদ্ধ চলছেই। রক্তক্ষয়ী এই সংঘাতের মূল কারণগুলো সমাধান করা, দুই পক্ষের কাছে গ্রহণযোগ্য শর্ত তৈরি করা কিংবা পুরস্কার ও শাস্তির সংমিশ্রণে তাদের কোনো চুক্তিতে নিয়ে আসার মতো কোনো কার্যকর মাধ্যম কেউ তৈরি করতে পারেনি।

তাই মূল প্রশ্ন হলো: ১) কে এই মধ্যস্থতা সফলভাবে করতে পারে? এবং ২) এই মুহূর্তে ঠিক কেমন একটি শান্তিচুক্তি বাস্তবসম্মত হতে পারে?

তাত্ত্বিকভাবে মধ্যস্থতার ক্ষমতা ও সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলার সুযোগ রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে। তারা অর্থনৈতিক সুবিধার প্রলোভন দেখাতে পারে (যেমন ইউক্রেনের পুনর্গঠনে সহায়তা কিংবা রাশিয়ার ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া) এবং প্রয়োজনে সামরিক সহায়তা দেওয়া বা বন্ধ রাখার মাধ্যমে উভয় পক্ষকে দর–কষাকষিতে বাধ্য করতে পারে।

দুর্ভাগ্যবশত, ওয়াশিংটন বারবার তাদের সেই অবস্থান ব্যবহারে ব্যর্থ হয়েছে। একটি দায়িত্বশীল তৃতীয় পক্ষ হিসেবে উভয়কে সংঘাত নিরসনে চাপ না দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র একেক সময় একেক পক্ষকে তোষণ করেছে—কখনোই চুক্তির উদ্দেশ্যে দুই পক্ষকে একসঙ্গে চাপ দেয়নি।

সংক্ষেপে বলতে গেলে, একটি মহাশক্তি হিসেবে এই যুদ্ধের অবসান ঘটানোই যে তাদের মূল স্বার্থ, তা বুঝতে যুক্তরাষ্ট্র ব্যর্থ হয়েছে।

পূর্বসূরিদের মতোই সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বুঝতে ব্যর্থ হয়েছিলেন যে ন্যাটোর অনিয়ন্ত্রিত সম্প্রসারণ রাশিয়ার সঙ্গে বড় ধরনের সংঘাত ঘটাবে। ময়দান আন্দোলন, ক্রিমিয়া দখল এবং দনবাসে দীর্ঘদিনের যুদ্ধ সত্ত্বেও বাইডেন রুশ এলিটদের কাছে যেটা ‘সবচেয়ে বড় লাল রেখা’ ছিল, সেই ইউক্রেনের ন্যাটো সদস্যপদের দিকেই হাঁটছিলেন।

ইউক্রেনকে পশ্চিমাদের নিরাপত্তাবলয়ে আনার প্রচেষ্টা ত্বরান্বিত করে (এমনকি আনুষ্ঠানিক ন্যাটো সদস্যপদ অনেক দূরে থাকা সত্ত্বেও) বাইডেন ও তাঁর পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন অজান্তেই এমন এক পরিস্থিতি তৈরি করেছিলেন, যা শেষ পর্যন্ত পুতিনকে বেআইনিভাবে হামলার নির্দেশ দিতে বাধ্য করে।

কেউ কেউ যুক্তি দিতে পারেন যে সার্বভৌম দেশগুলোর ইচ্ছায় রাশিয়ার ভেটো দেওয়ার অধিকার নেই এবং যে কেউ যেকোনো জোটে যোগ দিতে পারে। তবে সেই অধিকার সব সময় প্রয়োগ করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়।

তাহলে কি কোনো তৃতীয় পথ আছে? হ্যাঁ, অন্তত তাত্ত্বিকভাবে আছে। যেকোনো একটি পক্ষকে অন্ধভাবে সমর্থন না করে যুক্তরাষ্ট্রের উচিত সত্যিকারের মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করা এবং নিজের প্রভাব ব্যবহার করে উভয় পক্ষকে সমঝোতায় আনা।

রাশিয়া একবার যুদ্ধ শুরু করার পর বাইডেন ও তাঁর প্রশাসন ইউক্রেনকে আত্মরক্ষায় সামরিক ও আর্থিক সহায়তা দেওয়া এবং একই সঙ্গে সরাসরি সংঘাত এড়িয়ে চলার নীতি নিয়ে সঠিক কাজই করেছিলেন।

কিন্তু তারা সংঘাত নিরসনে তৃতীয় কোনো পক্ষের প্রচেষ্টায় সায় দেয়নি, ইউক্রেনের ন্যাটোতে যোগদানের সম্ভাবনা পুরোপুরি বাদ দেয়নি এবং কিয়েভের সর্বাত্মক যুদ্ধের লক্ষ্যকে সরাসরি সমর্থন করেছে, যার মধ্যে ছিল ক্রিমিয়াসহ হারানো সব ভূখণ্ড পুনরুদ্ধারের অবাস্তব লক্ষ্য।

প্রশ্নটি কোনো নীতিগত ভুল-ঠিকের ছিল না (কারণ, নৈতিকভাবে ইউক্রেনই ঠিক ছিল); প্রশ্ন ছিল—এত বড় ঝুঁকি ও চড়া মূল্য দিয়ে সেই লক্ষ্য আদায় আদৌ সম্ভব কি না।

২০২৫ সালে ক্ষমতায় ফেরার পর ট্রাম্প আবার ঠিক উল্টো ভুলটি করেছেন। তিনি কিয়েভকে চুক্তিতে আসতে চাপ দিয়েছেন আর রাশিয়াকে দিয়েছেন একপ্রকার ছাড়।

এই ভুলকে আরও ত্বরান্বিত করেছে তাঁর অপেশাদার দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনারের কূটনৈতিক অজ্ঞতা, যাঁরা ভেবেছিলেন, পুতিনের সামনে কয়েকটি ব্যবসায়িক সুবিধা তুলে ধরাই যুদ্ধ থামানোর জন্য যথেষ্ট হবে।

তাহলে কি কোনো তৃতীয় পথ আছে? হ্যাঁ, অন্তত তাত্ত্বিকভাবে আছে। যেকোনো একটি পক্ষকে অন্ধভাবে সমর্থন না করে যুক্তরাষ্ট্রের উচিত সত্যিকারের মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করা এবং নিজের প্রভাব ব্যবহার করে উভয় পক্ষকে সমঝোতায় আনা।

রাশিয়ার ওপর চাপ সৃষ্টি করতে ওয়াশিংটনের উচিত ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা পুনর্নবীকরণ করা, যাতে তারা রাশিয়ার মারাত্মক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিরোধ করতে পারে।

রাশিয়ার হামলা মোকাবিলায় গ্রেনেড লঞ্চার যুক্ত একটি ড্রোনের পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন চালাচ্ছেন ইউক্রেনের সেনারা। জাপোরিঝঝিয়া, ইউক্রেন। ১১ অক্টোবর ২০২৪

কিন্তু একই সঙ্গে কিয়েভকেও তাদের চাওয়া থেকে কিছুটা নমনীয় হতে বাধ্য করতে হবে; অর্থাৎ ইউক্রেন তাদের অতিরিক্ত দাবি কমালেই কেবল এই সহায়তা অব্যাহত থাকবে।

সমঝোতার প্রধান শর্তগুলোর ব্যাপারে আমি আগের মতোই বিশ্বাস করি—রণক্ষেত্রে কিংবা আলোচনা টেবিলে—ইউক্রেন কখনোই ক্রিমিয়া বা দনবাসের বড় অংশ ফেরত পাবে না। আর ইউক্রেনের ভবিষ্যৎ ন্যাটো সদস্যপদের প্রস্তাব চিরতরে টেবিল থেকে সরিয়ে নিতে হবে।

তবে তাদের ইইউ সদস্যপদ পাওয়ার সুযোগ থাকতে হবে এবং ভবিষ্যতে রাশিয়ার যেকোনো আগ্রাসন ঠেকানোর মতো পর্যাপ্ত সামরিক সক্ষমতা বজায় রাখার অনুমতি দিতে হবে। সীমানার নতুন রেখা কেমন হবে, তা আলোচনার বিষয়; তবে রাশিয়াকে অবশ্যই ইউক্রেনের অবাধ বাণিজ্য, যেকোনো উৎস থেকে বৈদেশিক বিনিয়োগ গ্রহণ এবং অস্ত্র কেনার অধিকার মেনে নিতে হবে—যতক্ষণ না তা কোনো দেশ বা সামরিক জোটের মিত্র হওয়ার মতো জায়গায় পৌঁছায়।

মনে রাখবেন, এই সম্ভাবনা আমাকে আনন্দ দিচ্ছে না এবং এটি অর্জিত হবেই—এমন আশাবাদও আমি প্রকাশ করছি না। এটি সম্ভাব্য চুক্তির একটি খসড়া রূপরেখা মাত্র এবং এটিকে সফল করতে আরও বহু খুঁটিনাটি বিষয় সমাধান করতে হবে।

দুর্ভাগ্যবশত, ট্রাম্প প্রশাসনের কাউকেই এমন কোনো গম্ভীর শান্তি আলোচনা পরিচালনার যোগ্য বলে মনে হচ্ছে না। তা ছাড়া গাজা, ইরান বা অন্য সংঘাতগুলোয় তাঁরা যেসব তথাকথিত ‘শান্তি চুক্তি’র নাটক সাজিয়েছেন, তা-ও কোনো ভরসা দেয় না।

অন্যদিকে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ, ইন্টারসেপ্টর ও অন্যান্য মূল অস্ত্রের ঘাটতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান বাজেট–ঘাটতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবকে অনেকাংশেই খর্ব করেছে। ট্রাম্প যদি সত্যি শান্তি চাইতেন এবং দক্ষ লোক নিয়োগ করতেন, তবু তাঁর হাতে যুদ্ধ থামানোর মতো যথেষ্ট তাস থাকত কি না, তা সন্দেহজনক।

  • স্টিফেন এম ওয়াল্ট ফরেন পলিসি সাময়িকীর কলামিস্ট এবং হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অধ্যাপক।

    ফরেন পলিসি থেকে সংক্ষেপে অনূদিত।