সুপ্রিম কোর্ট
সুপ্রিম কোর্ট

মতামত

আদালতের দরজা সাংবাদিকদের জন্য কেন খোলা থাকা উচিত

আদালত কেবল বিচারপ্রার্থীর জায়গা নয়; আদালত রাষ্ট্রের বিচারিক ক্ষমতার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ‘প্রকাশ্য মঞ্চ’। সেখানে কী বলা হচ্ছে, কীভাবে বিচার চলছে এবং কোন যুক্তিতে একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হচ্ছে—এসব জানার অধিকার শুধু মামলার পক্ষগুলোর নয়, সাধারণ মানুষেরও।

আর সেই তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার অন্যতম প্রধান দায়িত্ব সংবাদমাধ্যমের। তাই আদালতের এজলাসে সাংবাদিকদের উপস্থিতি কোনো বিশেষ সুবিধা বা আদালতের সৌজন্য নয়; এটি ‘ওপেন জাস্টিস’, জনগণের জানার অধিকার এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত একটি বিষয়।

বাংলাদেশে বিষয়টির আইনি ভিত্তিও যথেষ্ট স্পষ্ট। ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ৩৫২ ধারায় বলা হয়েছে, কোনো ফৌজদারি আদালতে বিচার বা অপরাধের অনুসন্ধানের স্থান একটি ‘ওপেন কোর্ট’ এবং আদালতের স্থান যতটা ধারণ করতে পারে, ততটা সাধারণ জনগণের প্রবেশাধিকার থাকবে। অবশ্য বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট কোনো নির্দিষ্ট মামলায় প্রয়োজন মনে করলে জনসাধারণ বা কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির প্রবেশ নিষিদ্ধ করতে পারেন। অর্থাৎ আইনটির মূলনীতি হলো—আদালত উন্মুক্ত, বন্ধ করা ব্যতিক্রম।

এমনকি দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারার চতুর্থ ব্যতিক্রমে আদালতের কার্যক্রমের সত্যনিষ্ঠ প্রতিবেদন প্রকাশকে মানহানির অপরাধের আওতা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ আদালতে সংঘটিত কার্যক্রমের সত্য ও যথাযথ বিবরণ সংবাদ হিসেবে প্রকাশ করাকে আইন বিশেষভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং এ ধরনের সত্যনিষ্ঠ প্রতিবেদনকে মানহানি হিসেবে গণ্য না করার নীতি গ্রহণ করেছে।

সংবিধানের ৩৫(৩) অনুচ্ছেদেও ফৌজদারি মামলায় ‘পাবলিক ট্রায়াল’-এর নিশ্চয়তা রয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের একটি রায়েও আদালতের কার্যক্রম জনগণের জন্য উন্মুক্ত থাকার ধারণাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এমনকি ভার্চ্যুয়াল শুনানির ক্ষেত্রেও আদালত পর্যবেক্ষণ করেছেন যে সংশ্লিষ্ট পক্ষ ও আগ্রহী সাধারণ মানুষের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা গেলে সেটিও পাবলিক হেয়ারিংয়ের সাংবিধানিক ধারণার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে পারে।

এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদ—বাক্‌ ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা। ফলে সাংবাদিক আদালতে গিয়ে কেবল একজন দর্শক হিসেবে বসেন না; তিনি বিচারিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন, তথ্য সংগ্রহ করেন এবং তা জনগণের কাছে তুলে ধরেন। এই দায়িত্ব পালনের পথ বন্ধ হয়ে গেলে প্রকারান্তরে ক্ষতিগ্রস্ত হয় জনগণের জানার অধিকারও। কেননা, প্রতিদিন অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ জনস্বার্থ–সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালত আদেশ বা রায় দিয়ে থাকেন। দেশের প্রতিটি জনগণের আদালতে উপস্থিত হয়ে সেসব আদেশ বা রায়ের বিষয়ে জানার সুযোগ নেই। তাঁরা মূলত সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ থেকেই আদালতের বার্তাটি ঘরে বসে পেতে পারেন।

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগসহ উচ্চ আদালতে সংবাদ সংগ্রহের জন্য এজলাসে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রবেশের দাবিতে ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের মানববন্ধন। ১২ আগস্ট, বুধবার

তবে আদালতের শৃঙ্খলা, নিরাপত্তা, বিচারকার্যের স্বাভাবিক পরিবেশ, সাক্ষীর গোপনীয়তা, শিশু বা সংবেদনশীল মামলার স্বার্থ কিংবা অন্য কোনো আইনগত কারণে নির্দিষ্ট শুনানি সীমিত করা যেতে পারে। যার অসংখ্য নজির ইতিমধ্যে স্থাপিত হয়েছে। কিন্তু সাধারণ নিয়ম হিসেবে সাংবাদিকদের এজলাস কক্ষ থেকে দূরে রাখা এবং এ–সংক্রান্ত ব্যতিক্রমকে নিয়মে পরিণত করা আদালতের ‘ওপেন জাস্টিস’–এর দর্শনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বিশেষ করে সাংবাদিকদের জন্য যদি প্রবেশে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়, তার একটি স্পষ্ট, প্রকাশ্য, আইনসম্মত এবং পর্যালোচনাযোগ্য ভিত্তি থাকা প্রয়োজন। নিরাপত্তার সাধারণ যুক্তি দেখিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে সংবাদকর্মীদের সরাসরি বিচারপ্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হলে প্রশ্ন উঠবেই।

২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্টের প্রশাসনের এক বিজ্ঞপ্তিতে নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে আইনজীবী ছাড়া মামলাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও অননুমোদিত ব্যক্তিদের এজলাসে প্রবেশ সীমিত করার কথা বলা হয়। ২০২৬ সালের শুরুতে সুপ্রিম কোর্ট বিটের সাংবাদিক সংগঠনগুলো জানায়, সাংবাদিকদেরও এজলাসে প্রবেশে বাধা দেওয়া হচ্ছে। তাদের দাবি, বিগত ৭ জানুয়ারি থেকে সাংবাদিকদের আপিল বিভাগের এজলাসে পূর্বানুমতি ছাড়া ঢুকতে দেওয়া হচ্ছিল না এবং এতে গুরুত্বপূর্ণ মামলার সঠিক সংবাদ সংগ্রহ ব্যাহত হচ্ছে।

সাংবাদিকদের এজলাসে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা কোনো বিশেষ পেশাজীবী গোষ্ঠীকে সুবিধা দেওয়া নয়; এটি বিচারিক স্বচ্ছতা, জনগণের জানার অধিকার, রাষ্ট্রীয় জবাবদিহি এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার স্বার্থে প্রয়োজনীয় একটি ব্যবস্থা। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এই ব্যবস্থাপনাকে সমুন্নত রাখতে এবং জনগণের কাছে আদালতের কার্যক্রম পৌঁছে দেওয়ার পথটি সাংবাদিকদের জন্য উন্মুক্ত থাকা উচিত।

এর প্রতিবাদে বিষয়টি আর কেবল পেশাগত অসুবিধার পর্যায়ে থাকেনি; সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও বিচারিক স্বচ্ছতার প্রশ্নে পরিণত হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার্স ফোরাম ৩ মে ২০২৬, বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে, মুখে কালো কাপড় বেঁধে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান ফটকের সামনে মানববন্ধন করে। তারা এজলাসে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানায়। একইভাবে ল রিপোর্টার্স ফোরাম কর্তৃক প্রধান বিচারপতির কাছে সাংবাদিকদের নির্বিঘ্ন প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।

এই প্রতিবাদগুলোর তাৎপর্য এখানেই যে সাংবাদিকেরা আদালতের বিশেষ সুবিধা দাবি করছেন না; তাঁরা তাঁদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য সেই উন্মুক্ত আদালত ব্যবস্থায় প্রবেশের সুযোগ চাইছেন, যা গণতান্ত্রিক বিচারব্যবস্থারই একটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য।

বিশ্বের প্রতিষ্ঠিত গণতান্ত্রিক বিচারব্যবস্থাগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায়, আদালতের কার্যক্রম সাধারণত জনগণ ও সংবাদমাধ্যমের জন্য উন্মুক্ত রাখার নীতিটিই প্রতিষ্ঠিত হয়ে আছে। যুক্তরাষ্ট্রে এ বিষয়টি আরও শক্তিশালী সাংবিধানিক মর্যাদা পেয়েছে। রিচমন্ড নিউজপেপার্স ইনক্ বনাম ভার্জিনিয়া মামলায় মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট ফৌজদারি বিচারব্যবস্থার ক্ষেত্রে জনগণ ও সংবাদমাধ্যমের উপস্থিতির অধিকারকে প্রথম সংশোধনীর সঙ্গে যুক্ত করেছে। আদালতের যুক্তি ছিল—বিচারপ্রক্রিয়া জনগণের সামনে পরিচালিত হওয়ার দীর্ঘ ঐতিহ্য বিচারব্যবস্থার জবাবদিহি ও আস্থার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

যুক্তরাজ্যে এই ভিত্তিটি বহুল প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ‘ওপেন জাস্টিস প্রিন্সিপাল’ হিসেবে। সেখানে আদালতের কার্যক্রম প্রকাশ্যে হওয়া বিচারব্যবস্থার স্বচ্ছতার মৌলিক নীতি হিসেবে বিবেচিত। এটা বন্ধ করার প্রয়োজন হলে তার পেছনে শক্তিশালী কারণ দেখাতে হয়।

২০০১ বোম্বে হাইকোর্ট বলেন, একজন সাংবাদিকের আদালতের কার্যক্রমে উপস্থিত থাকা ভারতীয় সংবিধানের ১৯(১)(ডি) অনুচ্ছেদের অধীনে অধিকার, আর আদালতে প্রত্যক্ষ করা ও শোনা কার্যক্রমের বিশ্বস্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা ১৯(১)(এ)-এর মতপ্রকাশ ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতার অংশ। আদালত আরও বলেন, সাধারণ নীতি হলো বিচারিক কার্যক্রম প্রকাশ্য আদালতে হওয়া এবং জনগণের আদালতকক্ষে প্রবেশাধিকার থাকা; ব্যতিক্রম হিসেবে কোনো নির্দিষ্ট মামলায় ক্যামেরা ট্রায়ালে শুনানি হতে পারে।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনেও একই বিষয় উঠে এসেছে। আইসিসিপিআর-এর ১৪(১) অনুচ্ছেদ প্রত্যেকের সুষ্ঠু এবং প্রকাশ্য শুনানির (পাবলিক হেয়ারিং) অধিকার স্বীকার করে। অর্থাৎ বিচার কেবল ন্যায়সংগত হলেই হবে না; সাধারণভাবে তা প্রকাশ্যও হতে হবে। এই প্রকাশ্য শুনানির ধারণার মধ্যেই সংবাদমাধ্যমের উপস্থিতির বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে আসে। অর্থাৎ আদালত যত বেশি প্রকাশ্য, বিচারব্যবস্থা তত বেশি জবাবদিহিমূলক। জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক দপ্তরগুলোর মতে, আইসিসিপিআর-এর পক্ষভুক্ত হিসেবে বাংলাদেশ এসব অধিকার সম্মান ও সুরক্ষার আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতার মধ্যে রয়েছে।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে আদালতের বক্তব্য সংবাদকর্মী বাইরে দাঁড়িয়ে শুনে বা কেবল আদেশের কপি নিয়ে সংবাদ করবেন—এমন ব্যবস্থা কখনোই আদালতকেন্দ্রিক সাংবাদিকতার পূর্ণ বিকল্প হতে পারে না। একজন আইনজীবী কী কী যুক্তি দিলেন, বিচারক কী প্রশ্ন করলেন, কোন পর্যায়ে কী পর্যবেক্ষণ করলেন—এসব অনেক সময় লিখিত আদেশে থাকে না। অথচ বিচারিক কার্যক্রমের প্রকৃত তাৎপর্য বোঝার জন্য এসবই গুরুত্বপূর্ণ।

এখানে বিষয়টি আদালত বনাম সাংবাদিক—এভাবে দেখার সুযোগ নেই। স্বাধীন বিচারব্যবস্থা যেমন গণতন্ত্রের অপরিহার্য স্তম্ভ, তেমনি স্বাধীন সংবাদমাধ্যমও গণতন্ত্রের অপরিহার্য স্তম্ভ। তাই একটি স্বাধীন বিচারব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা বাড়ানোর জন্যই তার কার্যক্রম যতটা সম্ভব স্বচ্ছ হওয়া প্রয়োজন। সাংবাদিকেরা সেই স্বচ্ছতার মধ্যস্থতাকারী। তিনি বিচারক নন, পক্ষও নন; তাঁর কাজ হলো যা ঘটছে তা দেখা, যাচাই করা এবং জনগণকে জানানো।

এ ক্ষেত্রে সাংবাদিকেরও তাঁদের দায়িত্ব ভুলে গেলে চলবে না। আদালতের মর্যাদা রক্ষা, বিচারাধীন বিষয়ে দায়িত্বশীল প্রতিবেদন, তথ্য যাচাই, আদালত অবমাননার বিধান মেনে চলা এবং ব্যক্তিগত গোপনীয়তার প্রতি সম্মান দেখানো—এসব সংবাদপেশার অবিচ্ছেদ্য অংশ। কিন্তু এ বিষয়গুলো সাংবাদিকের দায়িত্বের সীমাবদ্ধতা প্রবেশাধিকার কেড়ে নেওয়ার অজুহাত হতে পারে না।

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা মানে এই নয় যে বিচার বিভাগ জনদৃষ্টির বাইরে থাকবে। বরং স্বাধীন বিচারব্যবস্থার সবচেয়ে বড় শক্তি হলো তার সিদ্ধান্ত ও কার্যক্রম যুক্তি, আইন ও জনসমক্ষের পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যায়। যে আদালত নাগরিকের অধিকার রক্ষা করবে, সেই আদালতের দরজাও নাগরিকের জন্য যতটা সম্ভব খোলা থাকা উচিত। আর নাগরিক সরাসরি প্রতিটি শুনানিতে উপস্থিত থাকতে না পারলেও সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে বিচারপ্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে পারেন।

তাই নিরাপত্তার প্রয়োজন থাকলে নিরাপত্তা জোরদার করা হোক; এজলাসে আসন সীমিত হলে পেশাগত পরিচয়ের ভিত্তিতে স্বচ্ছ ও ন্যায্য ব্যবস্থা করা হোক; কোনো বিশেষ মামলায় গোপনীয়তা প্রয়োজন হলে আদালত কারণ দেখিয়ে সীমিত প্রবেশের আদেশ দিতে পারেন। কিন্তু সাংবাদিকদের জন্য দীর্ঘস্থায়ী, অনির্দিষ্ট বা অস্বচ্ছ প্রবেশ-নিষেধাজ্ঞা গণতান্ত্রিক বিচারব্যবস্থার জন্য কোনো ভালো দৃষ্টান্ত হতে পারে না।

সুপ্রিম কোর্ট নিজেই যদি ‘ওপেন জাস্টিস’–এর নীতি ধারণ করে, তবে সেই নীতির বাস্তব প্রতিফলনও আদালতের দরজায় দেখা উচিত। সাংবাদিকদের এজলাসে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা তাই কোনো বিশেষ পেশাজীবী গোষ্ঠীকে সুবিধা দেওয়া নয়; এটি বিচারিক স্বচ্ছতা, জনগণের জানার অধিকার, রাষ্ট্রীয় জবাবদিহি এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার স্বার্থে প্রয়োজনীয় একটি ব্যবস্থা। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এই ব্যবস্থাপনাকে সমুন্নত রাখতে এবং জনগণের কাছে আদালতের কার্যক্রম পৌঁছে দেওয়ার পথটি সাংবাদিকদের জন্য উন্মুক্ত থাকা উচিত।

  • মো. বাহাউদ্দিন আল ইমরান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী

*মতামত লেখকের নিজস্ব