ফজলে হাসান আবেদ (২৭ এপ্রিল ১৯৩৬–২০ ডিসেম্বর ২০১৯)
ফজলে হাসান আবেদ (২৭ এপ্রিল ১৯৩৬–২০ ডিসেম্বর ২০১৯)

শ্রদ্ধাঞ্জলি

আবেদ ভাই কাজ করে যেতেন, স্বীকৃতির আশা করতেন না

আমেরিকায় পড়ালখা শেষ করে ভাবছিলাম, যদি সেখানে থেকে যাই, তাহলে তো নিজ দেশের জন্য কিছু করা হবে না। এসব একজনের সঙ্গে তখন আলাপ হয়। তিনি বললেন, ‘তোমার ভেতরে একধরনের অস্থিরতা লক্ষ করছি। তুমি দেশে ফিরে যাওয়ার চিন্তা করছ। যদি তা–ই হয়, দেশে গিয়ে একজনের সঙ্গে দেখা করো।’ ওই প্রথম আমি তাঁর (ফজলে হাসান আবেদ) নাম শুনলাম।

১৯৮৪ সালের জানুয়ারিতে দেশে ফিরি। এর কিছুদিন পর আবেদ ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করার জন্য সময় নিই। তাঁর সঙ্গে প্রথম সাক্ষাৎ আমার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিল। আবেদ ভাইয়ের সঙ্গে প্রথম যখন দেখা হয়, তখন আমি বয়সে তরুণ। তিনি আমার দিকে তাকিয়ে মৃদু হেসে বসতে বললেন এবং নানা ধরনের প্রশ্ন করলেন।

আমি কেন সমাজতান্ত্রিক ব্লকে গেলাম, সমাজতান্ত্রিক ব্লক থেকে আবার কেন আমেরিকাতে গেলাম, আমেরিকা থেকে আবার কেন ফিরে এলাম—সেই বিষয়গুলো খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে জানতে চাইছিলেন। আমি বিস্মিত হয়ে ভাবছিলাম, একজন মানুষ আরেকজনকে জানার জন্য কত রকম প্রশ্নই না করতে পারেন! এর আগে কোনো দিন এমন পরিস্থিতিতে পড়িনি।

আবেদ ভাই জানতে চাইলেন, দেশে ফিরে এসে আমার কী করার পরিকল্পনা আছে! আমি বললাম, চিন্তাভাবনা করছি, কিছু তো একটা করতে হবে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশের একটা আন্তর্জাতিক সংস্থা আমাকে যোগদানের জন্য চিঠি দিয়েছিল। আমি তাদের হ্যাঁ-না কিছু বলিনি।

আবেদ ভাই বললেন, দেখুন, আমাদের রিসার্চ অ্যান্ড ইভালুয়েশন বিভাগের জন্য কয়েকজন দক্ষ মানুষ খুঁজছি। আপনি কী ভাবছেন, আমি জানি না। তবে আগ্রহী হলে যোগ দিতে পারেন। তিনি আরও জানালেন, যেহেতু আবেদন করার সময়সীমা শেষ হয়ে গেছে, সে জন্য আপনাকে সবার শেষে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। ইন্টারভিউ কবে হবে, তা–ও বলে দিলেন। প্রথম সাক্ষাতে তাঁর সঙ্গে এটাই ছিল আমার কথোপকথন।

ফজলে হাসান আবেদ

এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেল। তখনো ইন্টারভিউ হয়নি। এর মধ্যেই আবেদ ভাই খবর পাঠালেন যে আমি যদি ফ্রি থাকি, তবে তিনি আমার সঙ্গে কথা বলতে চান। আমি অবাক হয়ে গেলাম! তিনি নিজেই আমার সঙ্গে দেখা করার জন্য সময় চাইছেন! আবারও তাঁর সঙ্গে দেখা হলো। সেদিনের আলাপের বড় অংশজুড়ে ছিল—কেন তিনি ব্র্যাক প্রতিষ্ঠা করলেন, তাঁর ভিশন কী এবং তিনি কী ধরনের মানুষ খুঁজছেন।

কথা প্রসঙ্গে তিনি বললেন, আপনাদের মতো প্রাণশক্তিতে ভরা তরুণদেরই আমার প্রয়োজন, যাঁরা দেশের জন্য ভেবে দেশের জন্যই কিছু করতে চান। আপনি যদি আগ্রহী হন, তাহলে ওই দিন আসুন, ইন্টারভিউ হবে। আনুষ্ঠানিক ইন্টারভিউর পর যদি কাজ করতে চান, আমাদের সঙ্গে কাজ করতে পারবেন। ইন্টারভিউ শেষে আবেদ ভাই বললেন, আমরা আপনাকে জানাব। পরে জানানো হলো যে আমি যদি আগ্রহী থাকি, তাহলে ব্র্যাকে যোগ দিতে পারি।

আমি আবেদ ভাইকে বলেছিলাম, আগে ছয় মাস দেখে নিতে চাই। তিনি হাসিমুখে বললেন, নো প্রবলেম। আপনি যোগ দিয়ে ছয় মাস দেখুন, ভালো লাগতেও পারে। প্রাথমিকভাবে এই ছয় মাসই ছিল আমার জন্য একটি পরীক্ষামূলক সময়।

আমি রিসার্চ অ্যান্ড ইভালুয়েশন ডিভিশনে ইকোনমিস্ট হিসেবে যোগ দিই। তখন আমার দায়িত্ব ছিল ওরাল থেরাপি স্টেশন (ওটিএস) প্রোগ্রামের মনিটরিংয়ের কাজে সহায়তা করা। এ সময় দেশের নানা প্রান্তে ওটেপের কার্যক্রম দেখতে নিয়মিত ফিল্ড ভিজিটে যেতে হতো।

গ্রামে গিয়ে মানুষের সঙ্গে মিশলে তাঁরা প্রায়ই বলতেন, ভাই, মানুষ তো সরকারেরই প্রশংসা করে, প্রচারটা হয় সরকারের, অথচ কাজ করছেন আপনারা। এই কথাটা একদিন আবেদ ভাইকে জানালাম। তিনি তখন আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমরা কাজ করো কেন? আমি বললাম, জনগণের জন্য। তিনি আবার প্রশ্ন করলেন, জনগণ কি সেবাটা ঠিকমতো পাচ্ছে? আমি বললাম, পাচ্ছে। তখন তিনি শান্তভাবে বললেন, তাহলে আর প্রশ্ন করার দরকার কী? তিনি বিশ্বাস করতেন, ‘পরিবর্তন আনতে চাইলে স্বীকৃতি না পেলেও কাজ করার মানসিকতা থাকতে হবে।’

তাঁর উপলব্ধি হলো, আমরা তো মানুষের জন্যই কাজ করছি। মানুষ যদি সেবাটা ঠিকমতো পেয়ে থাকে, তাহলে তা নিয়ে বাড়তি চিন্তার কোনো প্রয়োজন নেই। তিনি নীরবে কাজ করে যেতেন, স্বীকৃতির প্রত্যাশা করতেন না।

আবেদ ভাই আমাকে আরেকটি দায়িত্বও দিয়েছিলেন। প্রশিক্ষণ বিভাগে কাজ শুরুর আগপর্যন্ত সেই দায়িত্বই পালন করতাম। বাইরে থেকে যেসব ভিজিটর আসতেন, বিশেষ করে বিদেশি ভিজিটর, তাঁদের ব্রিফিং দেওয়ার দায়িত্ব ছিল আমার। ব্রিফ করতে গিয়ে ব্র্যাকের ইতিহাস থেকে শুরু করে এর কাজের দর্শন—সবকিছুই গভীরভাবে জানতে হতো।

ফজলে হাসান আবেদ

এই প্রক্রিয়ায় আমি যে বিষয়টি বুঝতে পারলাম, তা হলো শাল্লায় ব্র্যাক যখন ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছিল, তখন ধারণা ছিল, ত্রাণ মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে সহায়ক হবে। ৯ মাস ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার পর একটি জরিপ ও গবেষণা করা হয়।

তাতে দেখা গেল, যাঁদের ত্রাণ দেওয়া হয়েছিল, যে জেলেদের জাল-নৌকা কিনে দেওয়া হয়েছিল, ঘরবাড়ি বানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, তার বেশির ভাগই আর তাঁদের কাছে নেই। অনুসন্ধানে জানা গেল, তাঁরা সেগুলো স্থানীয় প্রভাবশালী ধনী ব্যক্তিদের কাছে নামমাত্র দামে বিক্রি করে দিয়েছেন। তখন প্রশ্ন উঠল যে যাঁদের দুর্ভোগ লাঘবের জন্য এই সহায়তা, তাঁদের কি সত্যিই কোনো টেকসই উন্নতি হলো? এখান থেকেই ব্র্যাকের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলব্ধি জন্ম নেয়, ত্রাণ কখনোই টেকসই উন্নয়নমূলক কাজ নয়। তিনি বলতেন, ‘ত্রাণ প্রয়োজন, কিন্তু সেটাই উন্নয়ন নয়। উন্নয়ন হলো মানুষকে নিজের জীবন বদলানোর শক্তি ও সুযোগ করে দেওয়া।’

ত্রাণ মানুষের তাৎক্ষণিক কষ্ট ও দুর্ভোগ কিছুটা লাঘব করতে পারে, কিন্তু দীর্ঘ মেয়াদে উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পারে না। প্রকৃত উন্নয়নের জন্য শুধু ত্রাণ বিতরণই যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন টেকসই উদ্যোগ ও কাঠামোগত পরিবর্তন।

১৯৯৫ সালে আবেদ ভাই জানান, তিনি ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠা করতে চান। এরপর ২০০১ সালে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির লাইসেন্স পাওয়া যায়। লাইসেন্স পাওয়ার সেই সময়ে আবেদ ভাইয়ের সঙ্গে আমাদের বহু আলোচনা হয়েছিল। তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন, আমরা কেন আরেকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় করতে চাই আর এটি কীভাবে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর থেকে আলাদা হবে?

এ ভাবনা থেকেই ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে ইনিশিয়েটিভ ফর লার্নিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট গড়ে তোলা হলো। সেখান থেকেই আমাদের কৌশলগত চিন্তাভাবনার সূচনা হয়।

আবেদ ভাইয়ের অসাধারণ বোঝাপড়া ছিল। তাঁর নেতৃত্বকে আমি মূলত চারটি লিডারশিপ স্টাইলের সমন্বয় হিসেবে দেখি। প্রথমটি হলো ট্রানজেকশনাল লিডারশিপ, যেখানে দায়িত্ব ও প্রত্যাশা ছিল স্পষ্ট। যেমন আমি আপনাকে এটা দেব, তার বদলে আপনাকে এটা করতে হবে। এই গিভ অ্যান্ড টেক নীতির ওপর ভিত্তি করে তিনি কাজ করতেন। এই জায়গায় তাঁর ট্রানজেকশনাল লিডারশিপ ছিল দৃঢ় ও স্পষ্ট।

ফজলে হাসান আবেদ

পাশাপাশি তাঁর নেতৃত্বে ছিল ট্রান্সফরমেশনাল লিডারশিপের শক্তিশালী সংমিশ্রণ। তিনি মানুষকে দিয়ে শুধুই কাজ করাতে চাইতেন না; বরং চিন্তা, দৃষ্টিভঙ্গি ও মূল্যবোধের জায়গা থেকে মানুষকে গড়ে তুলতে চাইতেন। পাশাপাশি তাঁর নেতৃত্বে সবচেয়ে শক্তিশালী যে দিকটি আমি দেখেছি, তা হলো সিচুয়েশনাল লিডারশিপ। এই ধারণার মূল কথা হলো, যাঁদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন, আগে তাঁদের বোঝা। তিনি যাঁদের সুপারভাইজ করতেন, তাঁদের সক্ষমতা, অভিজ্ঞতা ও প্রস্তুতির স্তর বুঝে তবেই নির্দেশনা দিতেন।

পরিস্থিতি ও মানুষের প্রয়োজন অনুযায়ী তিনি নিজের নেতৃত্বের ধরনও পরিবর্তন করতেন। কখনো আবার তিনি ডাইরেক্টিভ ভূমিকায় স্পষ্ট নির্দেশনা দিতেন, কখনো কোচিং বা পরামর্শমূলক ধরনে পাশে দাঁড়াতেন, আবার প্রয়োজন হলে দায়িত্ব ছেড়ে দিতেন সাপোর্টিভ ও ডেলিগেটিং স্টাইলে। এ ধরনের পরিস্থিতিভিত্তিক নেতৃত্বধারার এক অনন্য সমন্বয় আমি আবেদ ভাইয়ের ভেতরে দেখেছি।

সবশেষে বলতেই হয়, এই বৈচিত্র্যময় নেতৃত্বগুণের কারণেই আবেদ ভাই ছিলেন একজন প্রকৃত ইনস্টিটিউশন বিল্ডার। তিনি প্রতিষ্ঠান নির্মাণকে দেখতেন পদ্ধতিগত ও সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গিতে, যেখানে মানুষ, প্রক্রিয়া ও মূল্যবোধ একসঙ্গে এগিয়ে যায়।

লিডারশিপের প্রায় সব বৈশিষ্ট্যের সমন্বয়ই আবেদ ভাইয়ের মধ্যে ছিল। পাশাপাশি তাঁর একটি স্বতন্ত্র ও অনন্য স্টাইলও ছিল। কোনো গুরুত্বপূর্ণ মিটিং—ডোনারস মিটিং হোক বা কৌশলগত আলোচনা—শুরুতে তিনি সাধারণত ১০-১৫ মিনিট আইস ব্রেকিং করতেন। প্রাসঙ্গিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের এনজিও খাতের গতিপথ নিয়ে সংক্ষিপ্ত, তথ্যভিত্তিক ও সুগভীর কথা বলতেন। এই বক্তব্যের মধ্য দিয়েই তিনি মিটিংয়ের কনটেক্সট স্পষ্ট করে দিতেন। ফলে আমরা সবাই মনোযোগী হয়ে উঠতাম এবং বিষয়টি উপভোগ করতাম। অনেক সময় তিনি মিটিং শুরুর আগে কাউকে ৫-১০ মিনিটের একটি প্রাসিঙ্গিক বর্ণনা দিতে বলতেন, যাতে আলোচনা একই জায়গা থেকে শুরু হয়।

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি নিয়ে বিভিন্ন আলোচনায় তিনি একটি গল্প বলতেন। সংক্ষেপে গল্পটা এমন, কানাডার একজন পিএইচডি শিক্ষার্থী গবেষণা করেছিলেন। গবেষণার বিষয় ছিল—ঊনবিংশ শতাব্দীতে বিশ্বব্যাপী যেসব ইউনিভার্সিটি ও ইনস্টিটিউশন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, বিংশ শতাব্দীতে এসে তার কয়টি টিকে আছে, সেটা দেখা। গবেষণায় দেখা গেছে, কেবল ৩৩টি প্রতিষ্ঠান টিকে আছে, যার মধ্যে ৩০টি বিশ্ববিদ্যালয়। এ জন্য আবেদ ভাই বলতেন, হয়তো কোনো এক সময়ে ব্র্যাকের প্রয়োজন কমে যাবে, কিন্তু ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ভূমিকা সব সময়ই থাকবে। এ উপলব্ধিই ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির গুরুত্বকে সুস্পষ্ট করে তোলে।

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি থেকে আমার গ্রিন ইউনিভার্সিটিতে চলে যাওয়ার পেছনের ইতিহাসটা বলি। তখন আমি ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির প্রো-ভিসি হিসেবে কাজ করছিলাম এবং আমার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর গ্রিন ইউনিভার্সিটি আমাকে যোগদানের প্রস্তাব দিয়েছিল। আমি সরাসরি আবেদ ভাইকে জানালাম, কী করা উচিত? তিনি বললেন, ‘যদি শুধু বেশি বেতনের জন্য যেতে চাও, তাহলে আমি বলব, যেয়ো না। কিন্তু যদি মনে করো এটি একটি উদীয়মান বিশ্ববিদ্যালয় এবং তুমি সেখানে বিশেষ কিছু দিতে পারবে, অবদান রাখতে পারবে, তাহলে যাও।’

আমি যখনই প্রার্থনা করি, আবেদ ভাইয়ের নাম স্বতঃস্ফূর্তভাবে মনে আসে। বিশেষ করে তখন, যখন শেষের দিকে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। আমি আবেদ ভাবিকে জানালাম, আমি আবেদ ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করতে চাই। পরে তিনি নিজেই আমাকে ডেকেছিলেন। আমি তাঁকে দেখতে গিয়ে দেখলাম বিছানায় শুয়ে আছেন। মৃত্যুর এক মাস আগে আমাদের সেই দেখা হয়েছিল। তখন রাশেদা কে চৌধূরী আপাও ছিলেন। আমরা দুজন তখন তাঁর সঙ্গে শেষবারের মতো সাক্ষাৎ করি।

আমি অবাক হয়ে গিয়েছিলাম, তিনি আমার অনেক প্রশংসা করলেন এবং আমার ছেলের কথাও জানতে চাইলেন। আমার স্ত্রী ২০১৮ সালে মারা গেছেন। তখন তিনি আমার বাড়িতে এসে আমাকে সান্ত্বনা দিয়েছিলেন। কুলখানিতেও এসেছিলেন। তাঁর সহানুভূতি সত্যিই মনে রাখার মতো ছিল। আবেদ ভাইয়ের এমন আন্তরিক সহানুভূতি সব সময় আমার মনে গভীরভাবে থাকবে। ব্যক্তিগত শোক বা জীবনের ক্ষুদ্র মুহূর্তেও তিনি খোলাখুলি সহানুভূতি ও আন্তরিকতা প্রকাশ করতেন। আবেদ ভাই আমাদের শিখিয়েছেন, নীরবে কাজ করলেও কাজের শব্দ ইতিহাসে প্রতিধ্বনিত হয়।

  • মো. গোলাম সামদানী ফকির প্রফেসর অ্যান্ড ডাইরেক্টর, লার্নিং অ্যান্ড টিচিং ইনোভেশন সেন্টার (এলটিআইসি), ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি